ইয়াওমা তা’তী কুল্লুনাফছিন তুজা-দিলু‘আন নাফছিহা-ওয়া তুওয়াফফা-কুল্লুনাফছিম মা‘আমিলাত ওয়া হুম লা-ইউজলামূন।উচ্চারণ
(এদের সবার ফায়সালা সেদিন হবে) যেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি আত্মরক্ষার চিন্তায় মগ্ন থাকবে এবং প্রত্যেককে তার কৃতকর্মের প্রতিদান পুরোপুরি দেয়া হবে আর কারো প্রতি সামান্যতমও জুলুম হবে না। তাফহীমুল কুরআন
তা সেই দিন, যে দিন প্রত্যেক ব্যক্তি আত্মরক্ষামূলক কথা বলতে বলতে উপস্থিত হবে এবং প্রত্যেককে তার সমস্ত কর্মের পরিপূর্ণ প্রতিফল দেওয়া হবে এবং তাদের প্রতি কোন জুলুম করা হবে না।মুফতী তাকী উসমানী
স্মরণ কর সেই দিনকে যেদিন আত্মপক্ষ সমর্থনে যুক্তি উপস্থিত করতে আসবে প্রত্যেক ব্যক্তি এবং প্রত্যেককে তার কৃতকর্মের পূর্ণ ফল দেয়া হবে এবং তাদের প্রতি যুলম করা হবেনা।মুজিবুর রহমান
যেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি আত্ন-সমর্থনে সওয়াল জওয়াব করতে করতে আসবে এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তাদের কৃতকর্মের পূর্ণ ফল পাবে এবং তাদের উপর জুলুম করা হবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
স্মরণ কর সেই দিনকে, যেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি আত্মসমর্থনে যুক্তি উপস্থিত করতে আসবে এবং প্রত্যেককে তার কৃতকর্মের পূর্ণফল দেওয়া হবে। এবং তাদের প্রতি জুলুম করা হবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
(স্মরণ কর সে দিনের কথা) যেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি নিজের পক্ষে যুক্তি-তর্ক নিয়ে উপস্থিত হবে এবং প্রত্যেককে ব্যক্তি সে যা আমল করেছে তা পরিপূর্ণরূপে দেয়া হবে এবং তাদের প্রতি যুলম করা হবে না।আল-বায়ান
সেদিন প্রত্যেক লোক নিজের পক্ষে যুক্তি পেশ করবে আর প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার কৃতকর্মের প্রতিফল পূর্ণমাত্রায় দেয়া হবে, তাদের প্রতি কোন যুলম করা হবে না।তাইসিরুল
সেইদিন প্রত্যেক সত্ত্বা আপন আত্মার জন্য ওকালতি ক’রে আসবে, আর প্রত্যেক সত্ত্বাকে পুরো প্রাপ্য দেওয়া হবে যা সে করেছে তার জন্য, আর তাদের প্রতি অন্যায় করো হবে না।মাওলানা জহুরুল হক
১১১. স্মরণ করুন সে দিনকে, যেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি আত্মপক্ষ সমর্থনে যুক্তি-তর্ক নিয়ে উপস্থিত হবে এবং প্রত্যেককে সে যা আমল করেছে তা পরিপূর্ণরূপে দেয়া হবে এবং তাদের প্রতি যুলুম করা হবে না।
(১১১) (স্মরণ কর,) যে দিন প্রত্যেক ব্যক্তি আত্মপক্ষ সমর্থনে যুক্তি উপস্থিত করতে আসবে(1) এবং প্রত্যেকের তার কৃতকর্মের পূর্ণ ফল দেওয়া হবে এবং তাদের প্রতি যুলুম করা হবে না। (2)
(1) অর্থাৎ, কেউ অপরের সমর্থনে সামনে আসবে না। না পিতা, না ভাই, না স্ত্রী, না পুত্র আর না অন্য কেউ। বরং একে অন্য হতে পলায়ন করবে। ভাই ভাই হতে, পুত্র মাতা-পিতা হতে, স্বামী স্ত্রী হতে পলায়ন করবে। প্রত্যেক ব্যক্তি শুধু নিজের চিন্তাই করবে, যা তাকে অন্য থেকে ব্যস্ত রাখবে।{لِكُلِّ امْرِئٍ مِّنْهُمْ يَوْمَئِذٍ شَأْنٌ يُغْنِيهِ} অর্থাৎ, সেদিন প্রত্যেকের এমন গুরুতর অবস্থা হবে যা তাকে সম্পূর্ণরূপে ব্যস্ত রাখবে। (সূরা আবাস ৩৭)
(2) অর্থাৎ, নেকীর প্রতিদান কম করা হবে ও পাপের বদলা বেশী দেওয়া হবে --এ রকম হবে না। কারো উপর বিন্দুমাত্র অত্যাচার করা হবে না। পাপের প্রতিদান পাপ সমতুল্য দেওয়া হবে। অবশ্য নেকীর বদলা মহান আল্লাহ খুব বেশি বেশি দিবেন। আর এটি হবে তাঁর দয়ার প্রকাশ যা পরকালে শুধুমাত্র মু’মিনদের জন্য হবে। جعلنا الله منهم