جَنَّـٰتُ عَدۡنٖ يَدۡخُلُونَهَا تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُۖ لَهُمۡ فِيهَا مَا يَشَآءُونَۚ كَذَٰلِكَ يَجۡزِي ٱللَّهُ ٱلۡمُتَّقِينَ

জান্না-তু‘আদনিইঁ ইয়াদখুলূনাহা-তাজরী মিন তাহতিহাল আনহা-রু লাহুম ফীহা-মাইয়াশাঊনা কাযা-লিকা ইয়াজঝিল্লা-হুল মুত্তাকীন।উচ্চারণ

চিরন্তন অবস্থানের জান্নাত, যার মধ্যে তারা প্রবেশ করবে, পাদদেশে প্রবাহিত হতে থাকবে নদী এবং সবকিছুই সেখানে তাদের কামনা অনুযায়ী থাকবে। ২৮ এ পুরস্কার দেন আল্লাহ‌ মুত্তাকীদেরকে। তাফহীমুল কুরআন

স্থায়ী বসবাসের সেই উদ্যান, যাতে তারা প্রবেশ করবে, যার তলদেশে নহর প্রবাহিত থাকবে এবং তারা সেখানে যা-কিছু চাবে তাই পাবে। আল্লাহ এ রকমই পুরস্কার দিয়ে থাকেন মুত্তাকীদেরকেমুফতী তাকী উসমানী

ওটা স্থায়ী জান্নাত, যাতে তারা প্রবেশ করবে; ওর পাদদেশে স্রোতস্বিনী নদী প্রবাহিত; তারা যা কিছু কামনা করবে তাতে তাদের জন্য তা’ই থাকবে; এভাবেই আল্লাহ পুরস্কৃত করেন মুত্তাকীদেরকে।মুজিবুর রহমান

সর্বদা বসবাসের উদ্যান, তারা যাতে প্রবেশ করবে। এর পাদদেশে দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত হয় তাদের জন্যে তাতে তা-ই রয়েছে, যা তারা চায় এমনিভাবে প্রতিদান দেবেন আল্লাহর পরহেযগারদেরকে,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তা স্থায়ী জান্নাত যাতে তারা প্রবেশ করবে; এর পাদদেশে নদী প্রবাহিত; তারা যা কিছু কামনা করবে এতে তাদের জন্যে তাই থাকবে। এইভাবেই আল্লাহ্ পুরস্কৃত করেন মুত্তাকীদেরকে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্থায়ী জান্নাতসমূহ যাতে তারা প্রবেশ করবে, যার তলদেশে প্রবাহিত হচ্ছে নহরসমূহ। তারা চাইবে, তাদের জন্য তার মধ্যে তাই থাকবে। এভাবেই আল্লাহ মুত্তাকীদের প্রতিদান দেন।আল-বায়ান

(তা হল) স্থায়ী জান্নাত যাতে তারা প্রবেশ করবে, তার নিম্নদেশ দিয়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত, তারা যা ইচ্ছে করবে সেখানে তাদের জন্য তা-ই আছে- আল্লাহ মুত্তাকীদেরকে এভাবেই পুরস্কৃত করেন।তাইসিরুল

নন্দন কানন যাতে তারা প্রবেশ করবে, সে-সবের নিচে দিয়ে বয়ে যাচ্ছে ঝরনারাজি, তারা যা চায় তাদের জন্য সেখানে তাই থাকবে। এইভাবেই আল্লাহ্ প্রতিদান দেন ধর্মনিষ্ঠদের --মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২৮

এ হচ্ছে জান্নাতের আসল সংজ্ঞা। সেখানে মানুষ যা চাইবে তা পাবে। তার ইচ্ছা ও পছন্দ বিরোধী কোন কাজই সেখানে হবে না। দুনিয়ায় কোন প্রধান ব্যক্তি, কোন প্রধান নেতা এবং কোন বিশাল রাজ্যের অধিকারী বাদশাহও কোন দিন এ নিয়ামত লাভ করেনি। দুনিয়ায় এ ধরনের নিয়ামত লাভের কোন সম্ভাবনাই নেই। কিন্তু জান্নাতের প্রত্যেক অধিবাসীই সেখানে আনন্দ ও উপভোগের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে যাবে। তার জীবনে সর্বক্ষণ সবদিকে সবকিছু হবে তার ইচ্ছা ও পছন্দ অনুযায়ী। তার প্রত্যেকটি আশা সফল হবে, প্রত্যেকটি কামনা ও বাসনা পূর্ণতা লাভ করবে এবং প্রত্যেকটি ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হবে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩১. সেটা স্থায়ী জান্নাত, যাতে তারা প্রবেশ করবে; তার পাদদেশে নদী প্রবাহিত; তারা যা কিছু চাইবে তাতে তাদের জন্য তা-ই থাকবে(১)। এভাবেই আল্লাহ পুরস্কৃত করেন মুত্তাকীদেরকে,

(১) এ হচ্ছে জান্নাতের আসল পরিচয়। সেখানে মানুষ যা চাইবে তা পাবে। তার ইচ্ছা ও পছন্দ বিরোধী কোন কাজই সেখানে হবে না। দুনিয়ার কোন প্রধান ব্যক্তি, কোন প্রধান নেতা এবং কোন বিশাল রাজ্যের অধিকারী বাদশাহও কোন দিন এ নিয়ামত লাভ করেনি। দুনিয়ায় এ ধরনের নিয়ামত লাভের কোন সম্ভাবনাই নেই। কিন্তু জান্নাতের প্রত্যেক অধিবাসীই সেখানে আনন্দ ও উপভোগের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌছে যাবে। তার জীবনে সর্বক্ষণ সবদিকে সবকিছু হবে তার ইচ্ছা ও পছন্দ অনুযায়ী। তার প্রত্যেকটি আশা সফল হবে, প্রত্যেকটি কামনা ও বাসনা পূর্ণতা লাভ করবে এবং প্রত্যেকটি ইচ্ছা ও আকাংখা বাস্তবায়িত হবে। (এ ব্যাপারে আরো দেখুন সূরা আয-যুখরুফঃ ৭১)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩১) ওটা স্থায়ী জান্নাত যাতে তারা প্রবেশ করবে; ওর নিম্নদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত; তারা যা কিছু কামনা করবে তাতে তাদের জন্য তাই থাকবে; এভাবেই আল্লাহ সাবধানীদেরকে পুরস্কৃত করেন।