ওয়া কীলা লিল্লাযীনাততাকাও মা-যাআনঝালা রব্বুকুম ক-লূখাইরল লিল্লাযীনা আহছানূফী হা-যিহিদদুনইয়া-হাছানাতুওঁ ওয়া লাদা-রুল আ-খিরতি খাইরুওঁ ওয়ালানি‘মা দা-রুল মুত্তাকীন।উচ্চারণ
অন্যদিকে যখন মুত্তাকীদেরকে জিজ্ঞেস করা হয়, তোমাদের রবের পক্ষ থেকে কী নাযিল হয়েছে, তারা জবাব দেয়, “সর্বোত্তম জিনিস নাযিল হয়েছে।” ২৭ এ ধরনের সৎকর্মশীলদের জন্য এ দুনিয়াতেও মঙ্গল রয়েছে এবং আখেরাতের আবাস তো তাদের জন্য অবশ্যি উত্তম। বড়ই ভালো আবাস মুত্তাকীদের, তাফহীমুল কুরআন
(অন্য দিকে) মুত্তাকীদের জিজ্ঞেস করা হল, তোমাদের প্রতিপালক কী নাযিল করেছেন? তারা বলল, সমূহ কল্যাণই নাযিল করেছেন। (এভাবে) যারা পুণ্যের কর্মপন্থা অবলম্বন করেছে তাদের জন্য ইহকালেও মঙ্গল আছে, আর আখেরাতের নিবাস তো আগাগোড়া মঙ্গলই। মুত্তাকীদের নিবাস কতই না উত্তমমুফতী তাকী উসমানী
আর যারা মুত্তাকী তাদেরকে বলা হবেঃ তোমাদের রাব্ব কি অবতীর্ণ করেছিলেন? তারা বলবেঃ মহা কল্যাণ। যারা সৎকাজ করে তাদের জন্য রয়েছে এই দুনিয়ার মঙ্গল এবং আখিরাতের আবাস আরও উৎকৃষ্ট; আর মুত্তাকীদের আবাসস্থল কত উত্তম!মুজিবুর রহমান
পরহেযগারদেরকে বলা হয়ঃ তোমাদের পালনকর্তা কি নাযিল করেছেন? তারা বলেঃ মহাকল্যাণ। যারা এ জগতে সৎকাজ করে, তাদের জন্যে কল্যাণ রয়েছে এবং পরকালের গৃহ আরও উত্তম। পরহেযগারদের গৃহ কি চমৎকার?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং যারা মুত্তাকী ছিল তাদেরকে বলা হবে, ‘তোমাদের প্রতিপালক কী অবতীর্ণ করেছিলেন ?’ তারা বলবে, ‘মহাকল্যাণ’। যারা সৎকর্ম করে তাদের জন্যে আছে এই দুনিয়ায় মঙ্গল এবং আখিরাতের আবাস আরও উৎকৃষ্ট এবং মুত্তাকীদের আবাসস্থল কত উত্তম!- ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যারা তাকওয়ার অবলম্বন করেছে, তাদের বলা হল, ‘তোমাদের রব কী নাযিল করেছেন’? তারা বলল, ‘কল্যাণ’। যারা এই দুনিয়ায় উত্তম কাজ করেছে, তাদের জন্য রয়েছে পুণ্য। আর নিশ্চয় আখিরাতের আবাস উত্তম এবং মুত্তাকীদের আবাস কতইনা উত্তম!আল-বায়ান
মুত্তাকীদের যখন বলা হয়, ‘তোমাদের প্রতিপালক কী অবতীর্ণ করেছেন?’ তারা বলে, ‘যা কিছু উৎকৃষ্ট (তা-ই অবতীর্ণ করেছেন)।’ যারা সৎকর্ম করে তাদের জন্য এ দুনিয়াতে আছে কল্যাণ, আর তাদের পরকালের ঘর তো নিশ্চিতই কল্যাণকর। মুত্তাকীদের আবাসস্থল কতই না উত্তম!তাইসিরুল
আর যারা ধর্মভীরুতা অবলন্বন করেছে তাদের বলা হবে -- "কী সেটি যা তোমাদের প্রভু অবতারণ করেছিলেন?" তারা বলবে -- "মহাকল্যাণ।" যারা ভাল কাজ করে তাদের জন্য এই দুনিয়াতেই রয়েছে মঙ্গল, আর পরকালের বাড়িঘর অতি উত্তম। আর ধর্মপরায়ণদের আবাসস্থল কতো উৎকৃষ্ট! --মাওলানা জহুরুল হক
২৭
অর্থাৎ মক্কার বাইরের লোকেরা যখন আল্লাহর ভয়ে ভীত সত্যনিষ্ঠ লোকদেরকে নবী ﷺ এবং তিনি যে শিক্ষা এনেছেন সে সম্পর্কে প্রশ্ন করে তখন তাদের জবাব মিথ্যুক ও অবিশ্বাসী কাফেরদের জবাব থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হয়। তারা মিথ্যা প্রচারণা চালায় না। তারা জনগণকে ধোঁকা দেবার ও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে না। তারা নবীর এবং তিনি যে শিক্ষা এনেছেন তার প্রশংসা করে এবং সঠিক পরিস্থিতি লোকদেরকে জানায়।
৩০. আর যারা তাকওয়া অবলম্বন করেছিল তাদেরকে বলা হল, তোমাদের রব কী নাযিল করেছেন? তারা বলল, ‘মহাকল্যাণ।(১) যারা সৎকাজ করে তাদের জন্য আছে এ দুনিয়ায় মঙ্গল এবং আখিরাতের আবাস আরো উৎকৃষ্ট। আর মুত্তাকীদের আবাসস্থল কত উত্তম!(২)
(১) ঈমানদারগণ তাদের কাছে যা আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিল করা হয়েছে তাকে বিরাট নেয়ামত জ্ঞান করে। তারা কাফেরদের মত এটা বলে না যে, পূর্ববর্তীদের গাঁথা। বরং তাদের কাছে এটা এক মহাকল্যাণের বস্তু, রহমত ও উত্তম জিনিস যারা তার অনুসরণ করবে ও তার উপর ঈমান আনবে। তারপর তারা আল্লাহর পক্ষ থেকে ঈমানদারদের জন্য যে পুরস্কার রয়েছে তা জানিয়ে দিচ্ছেন যে, যারা সৎকাজ করে তাদের জন্য আছে এ দুনিয়ায় মংগল এবং আখিরাতের আবাস আরো উৎকৃষ্ট। আর মুত্তাকীদের আবাসস্থল কত উত্তম। (ইবন কাসীর)
যেমন অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, “মুমিন হয়ে পুরুষ ও নারীর মধ্যে যে কেউ সৎকাজ করবে, অবশ্যই আমরা তাকে পবিত্র জীবন দান করব। আর অবশ্যই আমরা তাদেরকে তারা যা করত তার তুলনায় শ্রেষ্ঠ প্রতিদান দেব।” (সূরা আন-নাহ্ল: ৯৭) ইবন কাসীর বলেন, যে কেউ দুনিয়াতে উত্তম আমল করবে, আল্লাহ তার জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে তার আমলটি সুন্দর করে দিবেন।
(২) এ আয়াতের সমার্থে আরো কিছু আয়াত রয়েছে। (দেখুনঃ সূরা ইউনুসঃ ২৬, সূরা আন-নাহলঃ ৯৭, সূরা আল-কাসাসঃ ৮০, সূরা আলে ইমরানঃ ১৯৮, সূরা আলআলাঃ ১৭, সূরা আদ-দোহাঃ ৪)
(৩০) আর যারা সাবধানী ছিল তাদেরকে বলা হবে, ‘তোমাদের প্রতিপালক কি অবতীর্ণ করেছিলেন?’ তারা বলবে, ‘মহাকল্যাণ।’ যারা এই দুনিয়ায় সৎকর্ম করে, তাদের জন্য রয়েছে মঙ্গল এবং পরকালের আবাস আরো উৎকৃষ্টতর; আর সাবধানীদের আবাসস্থল কত উত্তম!