আল্লাযীনা তাতাওয়াফফা-হুমুল মালাইকাতুজা-লিমীআনফুছিহিম ফাআলকাউছ ছালামা মা-কুন্না-না‘মালুমিন ছূইন বালাইন্নাল্লা-হা ‘আলীমুম বিমা-কুনতুম তা‘মালূন।উচ্চারণ
হ্যাঁ, ২৪ এমন কাফেরদের জন্য, যারা নিজেদের ওপর জুলুম করতে থাকা অবস্থায় যখন ফেরেশতাদের হাতে পাকড়াও হয় ২৫ তখন সঙ্গে সঙ্গেই (অবাধ্যতা ত্যাগ করে) আত্মসমর্পণ করে এবং বলে, “আমরা তো কোন দোষ করছিলাম না।” ফেরেশতারা জবাব দেয়, “কেমন করে দোষ করছিলে না! তোমাদের কার্যকলাপ আল্লাহ খুব ভালো করেই জানেন। তাফহীমুল কুরআন
ফিরিশতাগণ যাদের রূহ এই অবস্থায় সংহার করেছে, যখন তারা (কুফরীতে লিপ্ত থেকে) নিজ সত্তার উপর জুলুম করছিল। #%১৮%# এ সময় কাফেরগণ আত্মসমর্পণ করে বলবে যে, আমরা তো কোন মন্দ কাজ করতাম না। (তাদের বলা হবে) আলবৎ করতে! তোমরা যা-কিছু করতে সব আল্লাহ জানেন।মুফতী তাকী উসমানী
মালাইকা/ফেরেশতাগণ তাদের মৃত্যু ঘটায় তাদের নিজেদের প্রতি যুলম করতে থাকা অবস্থায়; অতঃপর তারা আত্মসমর্পণ করে বলবেঃ আমরা কোন মন্দ কাজ করতামনা। হ্যাঁ, তোমরা যা করতে সে বিষয়ে আল্লাহ সবিশেষ অবহিত।মুজিবুর রহমান
ফেরেশতারা তাদের জান এমতাঅবস্থায় কবজ করে যে, তারা নিজেদের উপর যুলুম করেছে। তখন তারা অনুগত্য প্রকাশ করবে যে, আমরা তো কোন মন্দ কাজ করতাম না। হঁ্যা নিশ্চয় আল্লাহ সববিষয় অবগত আছেন, যা তোমরা করতে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যাদের মৃত্যু ঘটায় ফেরেশতাগণ এরা নিজেদের প্রতি জুলুম করতে থাকা অবস্থায়; এরপর এরা আত্মসমর্পণ করে বলবে, ‘আমরা কোন মন্দ কর্ম করতাম না।’ এবং নিশ্চয়ই তোমরা যা করতে সে বিষয়ে আল্লাহ্ সবিশেষ অবহিত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
নিজদের উপর যুলমকারী থাকা অবস্থায় ফেরেশতারা যাদের মৃত্যু ঘটাবে। অতঃপর তারা আত্মসমর্পণ করে বলবে, ‘আমরা কোন পাপ করতাম না।’ হ্যাঁ, নিশ্চয় তোমরা যা করতে সে বিষয়ে আল্লাহ সম্যক জ্ঞাত।আল-বায়ান
ফেরেশতারা যাদের মৃত্যু ঘটায় নিজেদের প্রতি যুলম করা অবস্থায়।’ অতঃপর তারা আত্মসমর্পণ ক’রে বলবে, ‘আমরা তো কোন খারাপ কাজ করতাম না।’ (ফেরেশতারা জবাব দিবে) ‘বরং, তোমরা যা করছিলে আল্লাহ সে বিষয়ে খুব ভালভাবেই অবগত।তাইসিরুল
এরা তারা যাদের প্রাণ হরণ করবে ফিরিশ্তারা ওরা নিজেদের প্রতি অন্যায়কারী থাকা কালে। তখন তারা আত্মসমর্পণ করবে -- "আমরা খারাপ কিছু করি নি।" "না, তোমরা যা করতে সে বিষয়ে আল্লাহ্ নিশ্চয়ই সর্বজ্ঞাতা।মাওলানা জহুরুল হক
২৪
তত্ব-জ্ঞানীদের উক্তির সাথে একথাটি বাড়িয়ে দিয়ে আল্লাহ নিজেই ব্যাখ্যামূলকভাবে বলছেন। যারা এটাকেও তত্ব-জ্ঞানীদের উক্তি মনে করেছেন তাদের এক্ষেত্রে বড়ই জটিল ব্যাখ্যা তৈরী করতে হয়েছে এবং তারপরও তাদের কথা পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারেনি।
২৫
অর্থাৎ মৃত্যুর সময় যখন ফেরেশতারা তাদের রূহগুলো তাদের দেহ পিঞ্জর থেকে বের করে নিজেদের আয়ত্বে নিয়ে নেয়।
এর দ্বারা জানা গেল, যারা কুফর অবস্থায় মারা যায় শাস্তি কেবল তাদেরই হবে। মৃত্যুর আগে আগে যদি কেউ তাওবা করে ঈমান এনে ফেলে তবে তার তাওবা কবুল হয়ে যায় এবং তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়।
২৮. যাদের মৃত্যু ঘটায় ফিরিশতাগণ তারা নিজেদের প্রতি যুলুম করা অবস্থায়; তখন তারা আত্মসমর্পণ করে বলবে, আমরা কোন মন্দ কাজ করতাম না।(১) অবশ্যই হ্যাঁ, নিশ্চয় তোমরা যা করতে সে বিষয়ে আল্লাহ সবিশেষ অবগত।
(১) এটা তাদের মিথ্যাচার। অন্য আয়াতে এসেছে, তারা বলবে “আল্লাহর শপথ আমরা কখনো মুশরিক ছিলাম না” (সূরা আল-আনআমঃ ২৩) অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেনঃ “যে দিন আল্লাহ পুনরুথিত করবেন তাদের সবাইকে, তখন তারা আল্লাহর কাছে সেরূপ শপথ করবে যেরূপ শপথ তোমাদের কাছে করে।” (সূরা আল-মুজাদালাহঃ ১৮) তাদের মিথ্যাচারের কারণে আল্লাহ তা’আলা বলছেন যে, তোমাদের কথা সঠিক নয়; বরং তোমরা যাবতীয় মন্দ কাজ করতে আল্লাহ তা'আলা তোমরা যা করতে সে সম্পর্কে সম্যক জ্ঞাত।
(২৮) নিজেদের প্রতি যুলুম করতে থাকা অবস্থায় ফিরিশতাগণ যাদের প্রাণ হরণ করে, তারা আত্মসমর্পণ করে বলবে, ‘আমরা কোন মন্দ কর্ম করতাম না।’(1) অবশ্যই! তোমরা যা করতে সে বিষয়ে নিশ্চয় আল্লাহ সবিশেষ অবহিত। (2)
(1) এখানে মুশরিক যালিমদের মৃত্যুর সময়ের অবস্থা বর্ণনা করা হচ্ছে। যখন ফিরিশতা তাদের রূহ ছিনিয়ে নেন, তখন তারা আত্মসমর্পণ করে মিনতি সহকারে বলে, আমরা কোন মন্দ কাজ করতাম না। যেমন তারা হাশরের মাঠে আল্লাহর সামনে মিথ্যা শপথ করে বলবে,{وَاللهِ رَبِّنَا مَا كُنَّا مُشْرِكِينَ} অর্থাৎ, আল্লাহর শপথ! আমরা মুশরিক ছিলাম না। (সূরা আনআম ২৩) অন্যত্র বলেন, যেদিন আল্লাহ তাদের পুনরুত্থিত করবেন, সেদিন তারা আল্লাহর সামনে সেই ভাবেই মিথ্যা শপথ করবে, যেভাবে তোমার সামনে করে। (মুজাদালাহ ১৮)
(2) ফিরিশতা উত্তরে বলবেন, কেন নয়? তোমরা মিথ্যা বলছ। তোমাদের পুরো জীবন মন্দ কাজেই কেটেছে। আর আল্লাহর নিকট তোমাদের সকল কাজের রেকর্ড জমা রয়েছে। তোমাদের অস্বীকার করার কোন উপায় নেই।