ওয়াল্লাযীনা ইয়াদ‘ঊনা মিন দূনিল্লা-হি লা-ইয়াখলুকূ না শাইআওঁ ওয়া হুম ইউখলাকূন।উচ্চারণ
আর আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য যেসব সত্তাকে লোকেরা ডাকে তারা কোন একটি জিনিসেরও স্রষ্টা নয় বরং তারা নিজেরাই সৃষ্টি। তাফহীমুল কুরআন
তারা আল্লাহকে ছেড়ে যাদেরকে (অর্থাৎ যে সব দেব-দেবীকে) ডাকে, তারা কিছুই সৃষ্টি করতে পারে না। তাদের নিজেদেরই তো সৃষ্টি করা হয়।মুফতী তাকী উসমানী
তারা আল্লাহ ছাড়া অপর যাদেরকে আহবান করে তারা কিছুই সৃষ্টি করেনা, তাদেরকেই সৃষ্টি করা হয়।মুজিবুর রহমান
এবং যারা আল্লাহকে ছেড়ে অন্যদের ডাকে, ওরা তো কোন বস্তুই সৃষ্টি করে না; বরং ওরা নিজেরাই সৃজিত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরা আল্লাহ্ ব্যতীত অপর যাদেরকে আহ্বান করে তারা কিছুই সৃষ্টি করে না, তাদেরকেই সৃষ্টি করা হয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তারা আল্লাহ ছাড়া যাদেরকে ডাকে, তারা কিছু সৃষ্টি করতে পারে না, বরং তাদেরকেই সৃষ্টি করা হয়।আল-বায়ান
তারা আল্লাহ ছাড়া অন্য যাদেরকে ডাকে তারা কিছুই সৃষ্টি করে না, তারা (নিজেরাই) সৃষ্ট।তাইসিরুল
আর আল্লাহ্কে ছেড়ে দিয়ে যাদের তারা ডাকে তারা কিছুই সৃষ্টি করে নি, আর তারা নিজেরাই তো সৃষ্ট, --মাওলানা জহুরুল হক
২০. আর তারা আল্লাহ ছাড়া অন্য যাদেরকে ডাকে তারা কিছুই সৃষ্টি করে না, বরং তাদেরকেই সৃষ্টি করা হয়।(১)
(১) আগের আয়াতে বলা হয়েছিল যে, এ সমস্ত উপাস্যগুলো নিজেরা কোন কিছু সৃষ্টি করতে পারে না। এ আয়াতে তা আরও স্পষ্ট বর্ণনা দিচ্ছে যে, কাফেরদের উপাস্যগুলো ইবাদাত পাওয়ার যোগ্য নয়। কারণ, সেগুলো কাউকে সৃষ্টি যেমন করতে পারে না। তেমনি নিজেরাও অন্যদের দ্বারা সৃষ্ট। পূর্বের আয়াতে শুধু তাদের ভাল গুণ অস্বীকার করা হয়েছিল। এখানে ভাল গুণ অস্বীকার করার সাথে সাথে খারাপ গুণও সাব্যস্ত করা হয়েছে। (ফাতহুল কাদীর)
(২০) যারা আল্লাহ ছাড়া অপরকে আহবান করে তারা কিছুই সৃষ্টি করে না, বরং তাদেরকেই সৃষ্টি করা হয়।(1)
(1) অন্যন্য আয়াতের তুলনায় এই আয়াতে গায়রুল্লাহর একটি অতিরিক্ত গুণের কথা বলা হয়েছে; তারা সৃষ্টিকর্তা নয় -- এ কথা খন্ডন করার সাথে সাথে তারা নিজেরাই যে সৃষ্ট, সে কথা সাব্যস্ত করা হয়েছে। (ফাতহুল কাদীর)