ওয়া লাকাদ কাযযাবা আসহা-বুল হিজরিল মুরছালীন।উচ্চারণ
হিজ্রবাসীরাও ৪৫ রসূলদের প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছিল। তাফহীমুল কুরআন
হিজরবাসীগণও রাসূলগণকে অস্বীকার করেছিল।%# ০%#মুফতী তাকী উসমানী
হিজরবাসীরা রাসূলদের প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছিল।মুজিবুর রহমান
নিশ্চয় হিজরের বাসিন্দারা পয়গম্বরগণের প্রতি মিথ্যারোপ করেছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
হিজ্রবাসিগণও রাসূলদের প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছিল; ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর অবশ্যই হিজরের অধিবাসীরা [সালেহের (আঃ) কওম] রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছে।আল-বায়ান
হিজর-এর লোকেরাও রসূলদেরকে অমান্য করেছিল।তাইসিরুল
আর নিশ্চয় পাথুরে-পাহাড়ের বাসিন্দারাও রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।মাওলানা জহুরুল হক
৪৫
এটি ছিল সামূদ জাতির কেন্দ্রীয় শহর। মদীনার উত্তর পশ্চিমে বর্তমান আল’উলা শহরের কয়েক মাইল দূরে এ শহরটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়। মদীনা থেকে তাবুক যাবার সময় প্রধান সড়কের ওপরই এ জায়গাটি পড়ে। এ উপত্যকাটির মধ্য দিয়ে কাফেলা এগিয়ে যায়। কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ অনুযায়ী কেউ এখানে অবস্থান করে না। হিজরী আট শতকে পর্যটক ইবনে বতুতা হজ্জে যাবার পথে এখানে এসে পৌঁছেন। তিনি লেখেনঃ “এখানে লাল রংয়ের পাহাড়গুলোতে সামূদ জাতির ইরামতগুলো রয়েছে। এগুলো তারা পাহাড় কেটে কেটে তার মধ্যে নির্মাণ করেছিল। এ গৃহগুলোর কারুকাজ এখনো এমন উজ্জ্বল ও তরতাজা আছে যেন মনে হয় আজই এগুলো খোদাই করা হয়েছে। পচাগলা মানুষের হাড় এখনো এখানকার ঘরগুলো মধ্যে পাওয়া যায়। (আরো বেশী ব্যাখ্যার জন্য সূরা আ’রাফের ৫৭ টীকা দেখুন)।
‘হিজর’ হল ছামুদ জাতির বাসভূমি, মদীনা ও শামের মাঝখানে অবস্থিত। এখনও তার ধ্বংসাবশেষ পথিকদের দৃষ্টিগোচর হয়। এখানে হযরত সালেহ আলাইহিস সালামকে নবী বানিয়ে পাঠানো হয়েছিল। এ জাতির ঘটনাও সূরা আরাফে (৭ : ৭৩-৭৯) চলে গেছে। তাদের অবস্থা জানার জন্য সংশ্লিষ্ট আয়াতসমূহ ও তার টীকা দেখুন।
৮০. আর অবশ্যই হিজরবাসীরা(১) রাসূলের প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছিল;
(১) তারা হলো সালেহ আলাইহিস সালামের জাতি। তারা যা যা করত এবং তাদের উপর কি কি আযাব এসেছিল তা এস্থান ছাড়াও কুরআনের অন্যান্য স্থানে আলোচনা করা হয়েছে। (দেখুন, সূরা আল-আরাফঃ ৭৩-৭৮, সূরা হুদঃ ৬১-৬৮, সূরা আশ শু'আরাঃ ১৪১–১৫৯)
(৮০) হিজরবাসিগণও রসূলদেরকে মিথ্যা মনে করেছিল। (1)
(1) হিজর সালেহ (আঃ)-এর জাতি সামূদের জনবসতির নাম। এদেরকে أصحاب الحجر বলা হয়েছে। এ জনবসতি মদীনা ও তাবুকের মাঝে অবস্থিত ছিল। সেখানকার অধিবাসীরা তাদের নবী সালেহ (আঃ)-কে মিথ্যা মনে করেছিল। কিন্তু এখানে মহান আল্লাহ (বহুবচন শব্দ ব্যবহার করে) বলেছেন, তারা রসূলদেরকে মিথ্যা মনে করেছিল। কারণ একজন নবীকে মিথ্যা মনে করার অর্থ হল, সকল নবীদেরকে মিথ্যা মনে করা।