قَالُوٓاْ أَوَلَمۡ نَنۡهَكَ عَنِ ٱلۡعَٰلَمِينَ

ক-লূ আওয়ালাম নানহাকা ‘আনিল ‘আ-লামীন।উচ্চারণ

তারা বললো, “আমরা না তোমাকে বারবার মানা করেছি, সারা দুনিয়ার ঠিকেদারী নিয়ো না?‌” তাফহীমুল কুরআন

তারা বলল, আমরা কি আপনাকে আগেই দুনিয়াশুদ্ধ লোককে মেহমান বানাতে নিষেধ করে দেইনি?মুফতী তাকী উসমানী

তারা বললঃ আমরা কি দুনিয়াবাসী লোককে আশ্রয় দিতে আপনাকে নিষেধ করিনি?মুজিবুর রহমান

তার বললঃ আমরা কি আপনাকে জগৎদ্বাসীর সমর্থন করতে নিষেধ করিনি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরা বলল, ‘আমরা কি দুনিয়াসুদ্ধ লোককে আশ্রয় দিতে তোমাকে নিষেধ করি নাই ?’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘আমরা কি জগদ্বাসীর কারো মেহমানদারী করতে তোমাকে নিষেধ করিনি’?আল-বায়ান

তারা বলল, দুনিয়াব্যাপী বিষয় নিয়ে কথা বলতে আমরা কি তোমাকে নিষেধ করিনি?’তাইসিরুল

তারা বললে -- "আমরা কি তোমাকে নিষেধ করি নি জগদ্বাসীদের সম্পর্কে?"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৭০. তারা বলল, আমরা কি দুনিয়াসুদ্ধ লোককে আশ্রয় দিতে তোমাকে নিষেধ করিনি?

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৭০) তারা বলল, ‘আমরা কি দুনিয়ার লোককে আশ্রয় দিতে তোমাকে নিষেধ করিনি?’ (1)

(1) তারা ধৃষ্টতা ও অসভ্য আচরণ প্রকাশ করে বলল যে, হে লূত! এই সকল অপরিচিত যুবকদের সাথে তোমার কি সম্পর্ক? তুমি কেন তাদের পক্ষ অবলম্বন করছ? আমরা কি তোমাকে অপরিচিতদের পক্ষ অবলম্বন করতে নিষেধ করিনি? অথবা তাদেরকে অতিথি হিসাবে বাড়িতে আশ্রয় দিতে নিষেধ করিনি? এই কথা যখন হচ্ছিল তখনও লূত (আঃ) জানতেন না যে, অভ্যাগত অতিথিগণ আল্লাহর প্রেরিত ফিরিশতা, যাঁরা এই অধম জাতিকে ধ্বংস করার জন্য উপস্থিত হয়েছেন, যে জাতি ওই সকল ফিরিশতাদের সাথে কুকর্ম করার জন্য অনড় ছিলো। যেমন সূরা হূদে (৭৯ আয়াতে) বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এখানে তাঁদের ফিরিশতা হওয়ার কথাটা প্রথমেই উল্লেখ করা হয়েছে।