ফাআছরি বিআহলিকা বিকিত‘ইম মিনাল লাইলি ওয়াত্তাবি‘ আদবা-র হুম ওয়ালা ইয়ালতাফিত মিনকুম আহদুওঁ ওয়ামদু হাইছুতু’মারূন।উচ্চারণ
কাজেই এখন তুমি কিছু রাত থাকতে নিজের পরিবারবর্গকে নিয়ে বের হয়ে যাও এবং তুমি তাদের পেছনে পেছনে চলো। ৩৭ তোমাদের কেউ যেন পেছন ফিরে না তাকায়। ৩৮ ব্যাস, সোজা চলে যাও যেদিকে যাবার জন্য তোমাদের হুকুম দেয়া হচ্ছে।” তাফহীমুল কুরআন
সুতরাং আপনি রাতের কোনও এক অংশে নিজ পরিবারবর্গকে নিয়ে বের হয়ে পড়ুন এবং নিজে তাদের পিছনে পিছনে চলুন। #%২৪%# আপনাদের মধ্যে কেউ যেন পিছনে ফিরে না দেখে এবং আপনাদেরকে যেখানে যাওয়ার হুকুম দেওয়া হয়েছে, সেখানকার উদ্দেশ্যে চলতে থাকুন।মুফতী তাকী উসমানী
সুতরাং তুমি রাতের শেষ প্রহরে তোমার পরিবারবর্গসহ বের হয়ে পড় এবং তুমি তাদের পশ্চাদনুসরণ কর এবং তোমাদের মধ্যে কেহ যেন পিছন ফিরে না তাকায়, তোমাদেরকে যেখানে যেতে বলা হয়েছে সেখানে চলে যাও।মুজিবুর রহমান
অতএব আপনি শেষরাত্রে পরিবারের সকলকে নিয়ে চলে যান এবং আপনি তাদের পশ্চাদনুসরণ করবেন না এবং আপনাদের মধ্যে কেউ যেন পিছন ফিরে না দেখে। আপনারা যেখানে আদেশ প্রাপ্ত হচ্ছেন সেখানে যান।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘সুতরাং তুমি রাত্রির কোন এক সময়ে তোমার পরিবারবর্গসহ বের হয়ে পড় এবং তুমি তাদের পশ্চাদনুসরণ কর এবং তোমাদের মধ্যে কেউ যেন পিছন দিকে না তাকায়; তোমাদেরকে যেখানে যেতে বলা হচ্ছে তোমরা সেখানে চলে যাও।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘সুতরাং তুমি তোমার পরিবার নিয়ে বেরিয়ে পড় রাতের একাংশে, আর তুমি তাদের পেছনে চল, আর তোমাদের কেউ পেছনে ফিরে তাকাবে না এবং যেভাবে তোমাদের নির্দেশ করা হয়েছে সেভাবেই চলতে থাকবে’।আল-বায়ান
কাজেই কিছুটা রাত থাকতে তুমি তোমার পরিবারবর্গকে নিয়ে বেরিয়ে পড় আর তুমি তাদের পেছনে পেছনে চলতে থাক। তোমাদের কেউ যেন পেছনে ফিরে না তাকায় বরং যেখানে যেতে বলা হচ্ছে চলে যাও।’তাইসিরুল
সুতরাং তোমার পরিবার-পরিজনকে নিয়ে বেরিয়ে পড় রাতের এক অংশে, আর তুমি তাদের পেছন থেকে অনুসরণ কর, আর তোমাদের মধ্যের কেউ যেন পিছন দিকে না দেখে, আর চলে যাও যেখানে তোমাদের আদেশ করা হয়েছে।মাওলানা জহুরুল হক
৩৭
অর্থাৎ নিজের পরিবারবর্গের পেছনে পেছনে এজন্য চলো যেন তাদের কেউ থেকে যেতে না পারে।
৩৮
এর মানে এ নয় যে, পেছন ফিরে তাকালেই তোমরা পাথর হয়ে যাবে, যেমন বাইবেলে বলা হয়েছে। বরং এর মানে হচ্ছে, পেছনের আওয়াজ শোরগোল শুনে তামাশা দেখার জন্য থেমে যেয়ো না। এটা তামাশা দেখার সময় নয় এবং অপরাধী জাতির ধ্বংস ক্রিয়া দেখে অশ্রুপাত করার সময়ও নয়। এক মুহূর্ত যদি তোমরা আযাব প্রাপ্ত জাতির এলাকায় থেমে যাও তাহলে ধ্বংস-বৃষ্টির কিছুটা তোমাদের ওপরও বর্ষিত হতে পারে এবং তাতে তোমরাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারো।
পেছনে থেকে যাতে সকল সঙ্গীর তত্ত্বাবধান করতে পারেন, সেজন্যই হযরত লূত আলাইহিস সালামকে সকলের পেছনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আর বিশেষত সকলের প্রতি যেহেতু নির্দেশ ছিল, যেন কেউ পিছনে ফিরে না দেখে, তাই হযরত লূত আলাইহিস সালামের পিছনে থাকাই দরকার ছিল, যাতে কারও এ হুকুম অমান্য করার সাহস না হয়।
৬৫. কাজেই আপনি রাতের কোন এক সময়ে আপনার পরিবারবর্গকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন এবং আপনি তাদের পিছনে চলুন(১)। আর তোমাদের মধ্যে কেউ যেন পিছনে না তাকায়(২); তোমাদেরকে যেখানে যেতে বলা হয়েছে তোমরা সেখানে চলে যাও।(৩)
(১) অর্থাৎ নিজের পরিবারবর্গের পেছনে পেছনে এ জন্য চলুন যেন তাদের কেউ থেকে যেতে না পারে। তাদের হেফাযত করা সম্ভব হয়। (ইবন কাসীর) অনুরূপভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেও যুদ্ধে যোদ্ধাদের পিছনে থাকতেন। দূর্বলদের হাকিয়ে নিয়ে যেতেন, আর পথের বাহনের অভাবীকে বহন করে নিয়ে যেতেন। (দেখুন, আবু দাউদ: ২৬৩৯)
(২) অর্থাৎ যখন তোমরা শব্দ শুনবে তখন তোমরা পিছনে তাদের দিকে তাকিও না। তাদের আযাবে তাদেরকে থাকতে দাও (ইবন কাসীর) কোন কোন মুফাসসির বলেন, এটা ছিল কাওমে লুতের ঈমানদারদের চিহ্ন যে তারা পিছনে ফিরে তাকাবে না। (বাগভী)
(৩) মনে হয় যেন তাদের সাথে এমন কেউ ছিল যে তাদেরকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। (ইবন কাসীর) ইবন আব্বাস বলেন, তাদেরকে শাম দেশে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। মুকাতিল বলেন, যগর নামক স্থানে তাদের যাওয়ার নির্দেশ ছিল। কেউ কেউ বলেন, জর্দান। (বাগভী)
(৬৫) সুতরাং তুমি রাত্রির কোন এক সময়ে তোমার পরিবারবর্গসহ বের হয়ে পড় এবং তুমি তাদের পশ্চাতে চল।(1) আর তোমাদের মধ্যে কেউ যেন পিছনের দিকে না তাকায়। তোমাদেরকে যেথায় যেতে আদেশ করা হচ্ছে তোমরা সেথায় চলে যাও।’
(1) যাতে কোন মু’মিন পিছনে পড়ে না থাকে; থাকলে তুমি তাদেরকে সামনে চলতে বলবে।