ওয়া হাফিজনা-হা-মিন কুল্লি শাইতা-নির রজীম।উচ্চারণ
এবং প্রত্যেক অভিশপ্ত শয়তান থেকে সেগুলোকে সংরক্ষণ করেছি। ১০ কোন শয়তান সেখানে অনুপ্রবেশ করতে পারে না, তাফহীমুল কুরআন
এবং তাকে প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তান থেকে সংরক্ষিত করে রেখেছি।মুফতী তাকী উসমানী
প্রত্যেক অভিশপ্ত শাইতান হতে আমি ওকে রক্ষা করি।মুজিবুর রহমান
আমি আকাশকে প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তান থেকে নিরাপদ করে দিয়েছি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং প্রত্যেক অভিশপ্ত শয়তান হতে আমি একে রক্ষা করে থাকি; ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আমি তাকে সুরক্ষিত করেছি প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তান থেকে।আল-বায়ান
আর প্রত্যেক অভিশপ্ত শয়ত্বান থেকে সেগুলোকে সুরক্ষিত করে দিয়েছি।তাইসিরুল
আর আমরা তাকে রক্ষা করি প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তানের থেকে, --মাওলানা জহুরুল হক
১০
অর্থাৎ পৃথিবীর অন্যান্য সৃষ্টি যেমন পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে বন্দী হয়ে রয়েছে, ঠিক তেমনি জিন বংশোদ্ভূত শয়তানরাও এ অঞ্চলে বন্দী হয়ে রয়েছে। উর্ধ্বজগতে পৌঁছবার ক্ষমতা তাদের নেই। এর মাধ্যমে মূলত লোকদের একটি বহুল প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করাই উদ্দেশ্য। সাধারণ মানুষ এ বিভ্রান্তিতে লিপ্ত ছিল এবং আজও আছে। তারা মনে করে, শয়তান ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গদের জন্য সারা বিশ্ব-জাহানের দরজা খোলা আছে, যত দূর ইচ্ছা তারা যেতে পারে। কুরআন এর জবাবে বলছে, শয়তানরা একটি বিশেষ সীমানা পর্যন্তই যেতে পারে, তার ওপরে আর যেতে পারে না। তাদেরকে কখনোই সীমাহীন উড্ডয়নের ক্ষমতা দেয়া হয়নি।
১৭. এবং প্রত্যেক অভিশপ্ত শয়তান হতে আমরা সেগুলোকে সুরক্ষিত করেছি;
(১৭) প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তান হতে আমি ওকে নিরাপদ রেখেছি। (1)
(1) رجيم শব্দটি مرجوم এর অর্থে ব্যবহার হয়েছে। رجم (রজম) এর অর্থ পাথর ছুঁড়ে মারা। শয়তানকে ‘রাজীম’ এই জন্য বলা হয় যে, সে যখন আকাশের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে, তখন তাকে আকাশ থেকে জ্বলন্ত শিখা (উল্কা) ছুঁড়ে মারা হয়। রাজীম অভিশপ্ত ও বিতাড়িত অর্থেও ব্যবহার হয়। কারণ যাকে পাথর ছুঁড়ে মারা হয় তাকে চতুর্দিক থেকে অভিসম্পাত করা হয়। এখানে মহান আল্লাহ এ কথাই বলেছেন যে, আমি আকাশকে প্রত্যেক অভিশপ্ত শয়তান হতে রক্ষা করে থাকি ঐ সকল গ্রহ-নক্ষত্র দ্বারা, যা আঘাত হেনে শয়তানকে পালাতে বাধ্য করে।