ওয়ামা-যা-লিকা ‘আলাল্লা-হি বি’আঝীঝ।উচ্চারণ
এমনটি করা তাঁর জন্য মোটেই কঠিন নয়। ২৭ তাফহীমুল কুরআন
আর এটা আল্লাহর পক্ষে কিছু কঠিন নয়।মুফতী তাকী উসমানী
আর এটা আল্লাহর জন্য আদৌ কঠিন নয়।মুজিবুর রহমান
এটা আল্লাহর পক্ষে মোটেই কঠিন নয়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আর এটা আল্লাহ্ র জন্যে আদৌ কঠিন নয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর এটা আল্লাহর জন্য মোটেই কঠিন নয়।আল-বায়ান
এটা আল্লাহর জন্য কঠিন কিছু নয়।তাইসিরুল
আর এটি আল্লাহ্র জন্যে কঠিন নয়।মাওলানা জহুরুল হক
২৭
দাবীর সপক্ষে যুক্তি পেশ করার সাথে সাথেই উপদেশ হিসেবে এ বাক্য উচ্চারণ করা হয়েছে এবং এ সাথে ওপরের দ্ব্যর্থহীন কথা শুনে মানুষের মনে যে সন্দেহ সৃষ্টি হতে পারে তা দূর করার ব্যবস্থাও এতে রয়েছে। কেউ জিজ্ঞেস করতে পারে এ আয়াতগুলোতে যে কথা বলা হয়েছে তাই যদি সত্য হয়ে থাকে তাহলে প্রত্যেক মিথ্যাপূজারী ও দৃষ্কৃতকারী ধ্বংস হয় না কেন? এর জবাব হচ্ছে, হে নির্বোধ! তুমি কি মনে করো তাকে ধ্বংস করা আল্লাহর জন্য তেমন কোন কঠিন কাজ অথবা আল্লাহর সাথে তার কোন আত্মীয়তা আছে যে কারণে তার দুষ্কৃতি সত্ত্বেও নিছক স্বজন প্রীতির বশে বাধ্য হয়ে আল্লাহ তাকে অব্যাহতি দিয়েছেন? যদি এমনটি না হয়ে থাকে এবং তুমি নিজে জানো এমন কোন ব্যাপার নেই তাহলে তোমার অবশ্যি বুঝা উচিত, একটি মিথ্যাপূজারী ও দুস্কৃতিকারী জাতি সবসময় তাকে সরিয়ে দেয়ার এবং তার জায়গায় অন্য কোন জাতিকে কাজ করার সুযোগ দেয়ারআশঙ্কা করে থাকে। এআশঙ্কার বাস্তবে রূপ নিতে দেরী হয়ে থাকলে আদতেআশঙ্কার কোন অস্তিত্বই নেই এ ধরনের বিভ্রান্তির নেশায় মত্ত হয়ে যাওয়া উচিত নয়। অবকাশের প্রত্যেকটি মুহূর্তকে মূল্যবান মনে করো এবং নিজের মিথ্যা চিন্তা ও কর্ম ব্যবস্থার অস্থায়িত্ব অনুভব করে তাকে দ্রুত স্থায়ী বুনিয়াদের ওপর প্রতিষ্ঠিত করো।
২০. আর এটা আল্লাহর জন্য আদৌ কঠিন নয়।(১)
(১) অর্থাৎ তোমাদেরকে ধ্বংস করে সেখানে অন্যদের প্রতিষ্ঠিত করা তার জন্য কোন ব্যাপারই নয়। কোন বড় ব্যাপার নয় আবার কোন অসম্ভব ব্যাপার নয়। বরং এটা তার জন্য সহজ। যদি তোমরা তাঁর নির্দেশ অমান্য কর, তখন তিনি তোমাদেরকে ধ্বংস করে তোমাদের স্থলে অন্য কাউকে প্রতিস্থাপন করবেন। (ইবন কাসীর) অন্যত্র আল্লাহ বলেনঃ “হে মানুষ! তোমরা তো আল্লাহর মুখাপেক্ষী; কিন্তু আল্লাহ, তিনি অভাবমুক্ত, প্রশংসার যোগ্য। তিনি ইচ্ছে করলে তোমাদেরকে অপসৃত করতে পারেন এবং এক নূতন সৃষ্টি নিয়ে আসতে পারেন।” (সূরা ফাতিরঃ ১৫–১৭) “যদি তোমরা বিমুখ হও, তিনি অন্য জাতিকে তোমাদের স্থলবর্তী করবেন, তারা তোমাদের মত হবে না।” (সূরা মুহাম্মাদঃ ৩৮) “হে মুমিনগণ! তোমাদের মধ্যে কেউ দ্বীন থেকে ফিরে গেলে নিশ্চয়ই আল্লাহ এমন এক সম্প্রদায় আনবেন যাদেরকে তিনি ভালবাসবেন এবং যারা তাকে ভালবাসবে।” |সূরা আল-মায়িদাহঃ ৫৪) “হে মানুষ। তিনি ইচ্ছে করলে তোমাদেরকে অপসারিত করতে ও অপরকে আনতে পারেন; আল্লাহ তা করতে সম্পূর্ণ সক্ষম (সূরা আন-নিসাঃ ১৩৩)
(২০) আর এটা আল্লাহর জন্য আদৌ কঠিন নয়। (1)
(1) অর্থাৎ, তোমরা যদি অবাধ্যতা হতে বিরত না হও, তাহলে মহান আল্লাহ এটা করতে সক্ষম যে, তোমাদেরকে ধ্বংস করে দিয়ে তোমাদের স্থলে নতুন সৃষ্টিকুল সৃষ্টি করবেন। উক্ত বিষয়টিই মহান আল্লাহ সূরা ফাতির ১৫-১৭, সূরা মুহাম্মাদ ৩৮, সূরা মাইদা ৫৪ এবং সূরা নিসার ১৩৩নং আয়াতে বর্ণনা করেছেন।