ٱذۡهَبُواْ بِقَمِيصِي هَٰذَا فَأَلۡقُوهُ عَلَىٰ وَجۡهِ أَبِي يَأۡتِ بَصِيرٗا وَأۡتُونِي بِأَهۡلِكُمۡ أَجۡمَعِينَ

ইযহাবূবিকামীসী হা-যা-ফাআলকূহূ‘আলা-ওয়াজহি আবী ইয়া’তি বাসীর- ওয়া’তূনী বিআহলিকুম আজমা‘ঈন।উচ্চারণ

যাও, আমার এ জামাটি নিয়ে যাও এবং এটি আমার পিতার চেহারার ওপর রেখো, তিনি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাবেন। আর তোমাদের সমস্ত পরিবার-পরিজনকে আমার কাছে নিয়ে এসো।” তাফহীমুল কুরআন

আমার এই জামা নিয়ে যাও এবং এটা আমার পিতার চেহারার উপর রেখে দিও। এর ফলে তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসবে। আর তোমাদের পরিবারের সকলকে আমার কাছে নিয়ে এসো। #%৫৯%#মুফতী তাকী উসমানী

তোমরা আমার এ জামাটি নিয়ে যাও এবং এটা আমার পিতার মুখমণ্ডলের উপর রেখ, তিনি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাবেন, আর তোমরা তোমাদের পরিবারের সকলকেই আমার নিকট নিয়ে এসো।মুজিবুর রহমান

তোমরা আমার এ জামাটি নিয়ে যাও। এটি আমার পিতার মুখমন্ডলের উপর রেখে দিও, এতে তাঁর দৃষ্টি শক্তি ফিরে আসবে। আর তোমাদের পরিবারবর্গের সবাইকে আমার কাছে নিয়ে এস।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তোমরা আমার এই জামাটি নিয়ে যাও এবং এটা আমার পিতার মুখমণ্ডলের ওপর রেখ; তিনি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাবেন। আর তোমাদের পরিবারের সকলকেই আমার নিকট নিয়ে এসো।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা আমার এ জামাটি নিয়ে যাও, অতঃপর সেটি আমার পিতার চেহারায় ফেল। এতে তিনি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাবেন। আর তোমরা তোমাদের পরিবারের সকলকে নিয়ে আমার কাছে চলে আস’।আল-বায়ান

তোমরা আমার এ জামাটি নিয়ে যাও আর তা আমার পিতার মুখমণ্ডলে রাখ, তিনি দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন হয়ে উঠবেন, আর তোমাদের পরিবারের সবাইকে আমার কাছে নিয়ে এসো।’তাইসিরুল

আমার এই জামাটি নিয়ে যাও এবং এটি আমার আব্বার মুখের সামনে রেখো, তিনি চক্ষুষ্মান হবেন। আর তোমাদের পরিবার- পরিজনদের সকলকে নিয়ে আমার কাছে এস।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

এস্থলে প্রশ্ন জাগে, ইউসুফ আলাইহিস সালাম নিশ্চয়ই জানতেন, তাঁর বিচ্ছেদে তাঁর মহান পিতার কী অবস্থা হতে পারে। তা সত্ত্বেও এত দীর্ঘকাল যাবৎ তিনি এমন নিরুদ্দেশের মত কাটিয়ে দিলেন যে, কোনও সূত্রেই পিতার কাছে নিজ সহীহ-সালামতে থাকার খবর পর্যন্ত পাঠানোর চেষ্টা করলেন না। অথচ তাঁর পক্ষে এটা কোনও কঠিন কাজ ছিল না। প্রথমে তিনি ছিলেন আযীযের ঘরে। তখন খবর পাঠানোর জন্য কোনও না কোনও উপায় তাঁর পেয়ে যাওয়ার কথা। মাঝখানে কয়েক বছর কারাবাসে থাকেন। মুক্তি লাভের পর তো মিসরের সর্বময় কর্তৃত্বই তাঁর হাতে এসে গিয়েছিল। তখন প্রথমেই তিনি হযরত ইয়াকুব আলাইহিস সালামসহ পরিবারের সকলকে মিসরে ডেকে আনার ব্যবস্থা করতে পারতেন এবং এতদিনে ভাইদেরকে যে কথা বললেন, তা তাদের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতকালেই বলতে পারতেন। এর ফলে হযরত ইয়াকুব আলাইহিস সালামের দুঃখ-বেদনার কাল সংক্ষেপ হতে পারত। কিন্তু তিনি এসবের কিছুই করলেন না। তা কেন করলেন না? এর সোজা-সাপটা জবাব এই যে, এসব ঘটনার ভেতর আল্লাহ তাআলার অনেক বড়-বড় হিকমত ও রহস্য নিহিত ছিল। বিশেষত তিনি চাচ্ছিলেন তাঁর প্রিয় বান্দা ও রাসূল হযরত ইয়াকুব আলাইহিস সালামের সবর ও সংযমের পরীক্ষা নিতে। তাই এ সুদীর্ঘ কালে হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালামকে পিতার সাথে কোনও রকম যোগাযোগের অনুমতিই দেওয়া হয়নি।

তাফসীরে জাকারিয়া

৯৩. তোমরা আমার এ জামাটি নিয়ে যাও এবং এটা আমার পিতার চেহারার উপর রেখো; তিনি দৃষ্টি শক্তি ফিরে পাবেন। আর তোমাদের পরিবারের সবাইকে আমার কাছে নিয়ে এসো।(১)

(১) অর্থাৎ আমার এই জামাটি নিয়ে যাও এবং আমার পিতার চেহারার উপর রেখে দাও। এতে তিনি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাবেন। ফলে এখানে আসতেও সক্ষম হবেন। পরিবারের অন্যান্য সবাইকেও আমার কাছে নিয়ে আসো, যাতে সবাই দেখা-সাক্ষাত করে আনন্দিত হতে পারি; আল্লাহ প্রদত্ত নেয়ামত দ্বারা উপকৃত ও কৃতজ্ঞ হতে পারি।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৯৩) তোমরা আমার এ জামাটি নিয়ে যাও এবং এটা আমার পিতার মুখমন্ডলের উপর রাখো; তিনি দৃষ্টি শক্তি ফিরে পাবেন।(1) আর তোমরা তোমাদের পরিবারের সকলকেই আমার নিকট নিয়ে এস।’ (2)

(1) জামা মুখমন্ডলে রাখা মাত্র চোখের জ্যোতি ফিরে আসা একটি অলৌকিক মু’জিযা ও কারামত ছিল।

(2) এই বলে ইউসুফ (আঃ) স্বীয় পরিবারের সকলকে মিসর আসার আহবান জানালেন।