فَلَا تَكُ فِي مِرۡيَةٖ مِّمَّا يَعۡبُدُ هَـٰٓؤُلَآءِۚ مَا يَعۡبُدُونَ إِلَّا كَمَا يَعۡبُدُ ءَابَآؤُهُم مِّن قَبۡلُۚ وَإِنَّا لَمُوَفُّوهُمۡ نَصِيبَهُمۡ غَيۡرَ مَنقُوصٖ

ফালা-তাকুফী মিরইয়াতিম মিম্মা-ইয়া‘বুদুহাউলাই মা-ইয়া‘বুদূ না ইল্লা-কামাইয়া‘বুদুআ-বাউহুম মিন কাবলু ওয়া ইন্না-লামুওয়াফফূহুম নাসীবাহুম গাইর মানকূস।উচ্চারণ

কাজেই হে নবী! এরা যেসব মাবুদের ইবাদাত করছে তাদের ব্যাপারে তুমি কোন প্রকার সন্দেহের মধ্যে থেকো না। এরা তো (নিছক গড্ডালিকা প্রবাহে ভেসে চলেছে। ) ঠিক তেমনিভাবে পূজা-অর্চনা করে যাচ্ছে যেমন পূর্বে এদের বাপ-দাদারা করতো। ১১০ আর আমি কিছু কাটছাঁটা না করেই তাদের অংশ তাদেরকে পুরোপুরি দিয়ে দেবো। তাফহীমুল কুরআন

সুতরাং (হে নবী!) তারা (অর্থাৎ মুশরিকগণ) যাদের (অর্থাৎ প্রতিমাদের) ইবাদত করে, তাদের ব্যাপারে বিন্দুমাত্র সন্দেহে থেক না। পূর্বে তাদের বাপ-দাদাগণ যেভাবে ইবাদত করত এরা তো সেভাবেই ইবাদত করছে। নিশ্চয়ই আমি তাদেরকে তাদের অংশ পরিপূর্ণভাবে আদায় করে দেব, যাতে কিছুমাত্র কম করা হবে না। #%৭০%#মুফতী তাকী উসমানী

সুতরাং এরা যার উপাসনা করে ওর সম্বন্ধে তুমি এতটুকুও সংশয় বোধ করনা; তারাও ঠিক সেই রূপেই ইবাদাত করছে যে রূপে তাদের পূর্ব-পুরুষরা ইবাদাত করত। এবং নিশ্চয়ই আমি তাদেরকে তাদের (শাস্তির) অংশ পূর্ণভাবে দিয়ে দিব, একটুও কম না করে।মুজিবুর রহমান

অতএব, তারা যেসবের উপাসনা করে তুমি সে ব্যাপারে কোনরূপ ধোঁকায় পড়বে না। তাদের পূর্ববর্তী বাপ-দাদারা যেমন পূজা উপাসনা করত, এরাও তেমন করছে। আর নিশ্চয় আমি তাদেরকে আযাবের ভাগ কিছু মাত্রও কম না করেই পুরোপুরি দান করবো।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

সুতরাং এরা যাদের ‘ইবাদত করে তাদের সম্বন্ধে সংশয়ে থেক না, পূর্বে এদের পিতৃপুরুষেরা যাদের ‘ইবাদত করত এরা তাদেরই ‘ইবাদত করে। অবশ্যই আমি এদেরকে এদের প্রাপ্য পুরাপুরি দিব-কিছুমাত্র কম করব না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং এরা যাদের উপাসনা করে, তুমি তাদের ব্যাপারে সংশয়ে থেকো না। তারা তো ইবাদাত করে, যেমন ইতঃপূর্বে ইবাদাত করত তাদের পিতৃপুরুষগণ। নিশ্চয় আমি তাদের অংশ হ্রাস না করে তাদেরকে পুরোপুরি দেব।আল-বায়ান

কাজেই তারা যেগুলোর ‘ইবাদাত করে সেগুলোর ব্যাপারে সন্দেহে পতিত হয়ো না। তারা যেগুলোর ‘ইবাদাত করে সেগুলো তা ছাড়া আর কিছুই নয় যেগুলোর ‘ইবাদাত পূর্বে তাদের পিতৃপুরুষরা করত, আমি অবশ্যই তাদের প্রাপ্য অংশ তাদেরকে পূর্ণ মাত্রাতেই দেব, কোনই কমতি করা হবে না।তাইসিরুল

কাজেই তুমি সন্দেহের মধ্যে থেকো না তারা যাদের উপাসনা করে তাদের সন্বন্ধে। তারা উপাসনা করে না যেভাবে তাদের পিতৃপুরুষরা ইতিপূর্বে উপাসনা করত সেভাবে ছাড়া। আর নিঃসন্দেহ তাদের পাওনা আমরা অবশ্যই তাদের পুরোপুরি মিটিয়ে দেবো কিছু মাত্র কমতি না ক’রে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১১০

এর অর্থ এ নয় যে, এ মাবুদদের ব্যাপারে সত্যিই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মনে কোন প্রকার সন্দেহ ছিল। বরং আসলে এ কথাগুলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্বোধন করে সাধারণ মানুষকে শুনানো হচ্ছে। এর অর্থ হচ্ছে, এরা যে এসব মাবুদের পূজা করছে এবং এদের কাছে প্রার্থনা করছে ও ভিক্ষা মাগছে, নিশ্চয়ই এরা কিছু দেখে থাকবে যে কারণে এরা এদের থেকে উপকৃত হবার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে--- কোন বিবেক-বুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তির মনে এ ধরনের কোন সংশয় থাকা উচিত নয়। সত্যি কথা হচ্ছে এই যে, এ পূজা-অর্চনা, নযরানা ও প্রার্থনা আসলে কোন অভিজ্ঞতা ও সত্যিকার পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে নয় বরং এসব কিছু করা হচ্ছে নিছক অন্ধ অনুসৃতির ভিত্তিতে। এসব বেদী ও আস্তানা পূর্ববর্তী জাতিদেরও ছিল এবং তাদের এ ধরনের কেরামতি ও অলৌকিক কার্যকলাপ তাদের মধ্যেও লোকমুখে খুব বেশী শোনা যেতো। কিন্তু যখন আল্লাহর আযাব এলো তখন তারা ধ্বংস হয়ে গেলো এবং বেদী ও আস্তানাগুলো কোন কাজে লাগলো না।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ মূর্তিপূজার ব্যাপারে তারা কোন দলীল-প্রমাণ ছাড়াই অন্ধভাবে তাদের বাপদাদাদের অনুসরণ করছে। তোমাকে জানানো হয়েছে শিরক ও পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত থাকার পরিণামে সেই বাপদাদাদের কী শাস্তি দেওয়া হয়েছিল। তুমি নিশ্চিত থাক সেই একই পরিণতি এদেরও হবে। এর দ্বারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সান্তনা দেওয়া হয়েছে। -অনুবাদক

তাফসীরে জাকারিয়া

১০৯. কাজেই তারা যাদের ইবাদাত করে তাদের সম্বন্ধে সংশয়ে থাকবেন না, আগে তাদের পিতৃপুরুষেরা যেভাবে ইবাদাত করত তারাও তাদেরই মত ইবাদাত করে।(১) আর নিশ্চয় আমরা তাদেরকে তাদের প্রাপ্য পুরোপুরি দেব—কিছুমাত্র কম করব না।

(১) এর অর্থ এ নয় যে, এ মাবুদদের ব্যাপারে সত্যিই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মনে কোন প্রকার সন্দেহ ছিল। বরং আসলে একথাগুলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্বোধন করে সাধারণ মানুষকে শুনানো হচ্ছে। (কুরতুবী) এর অর্থ হচ্ছে, এরা যে এসব মাবুদের ইবাদত করছে এবং এদের কাছে প্রার্থনা করছে ও ভিক্ষা চাচ্ছে, নিশ্চয়ই এরা কিছু দেখে থাকবে যে কারণে এরা এদের থেকে উপকৃত হবার আকাংখা পোষণ করে-কোন বিবেক বুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তির মনে এ ধরনের কোন সংশয় থাকা উচিত নয়। সত্যি কথা হচ্ছে এই যে, এদের যাবতীয় ইবাদত, নযরানা ও প্রার্থনা আসলে কোন অভিজ্ঞতা ও সত্যিকার পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে নয় বরং এসব কিছু করা হচ্ছে নিছক অন্ধ অনুসৃতির ভিত্তিতে। এসব বেদী ও আস্তানা পূর্ববর্তী জাতিদেরও ছিল। কিন্তু যখন আল্লাহর আযাব এলো তখন তারা ধ্বংস হয়ে গেলো এবং বেদী ও আস্তানাগুলো কোন কাজে লাগলো না।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১০৯) সুতরাং এরা যার উপাসনা করে, তার সম্বন্ধে তুমি এতটুকুও সংশয় করো না; তারাও ঠিক সে রূপেই উপাসনা করছে যেরূপে তাদের পূর্বে তাদের পূর্বপুরুষরা করত এবং নিশ্চয় আমি তাদেরকে তাদের প্রাপ্য পূর্ণভাবে দিয়ে দিব; একটুকুও কম করব না। (1)

(1) এর অর্থ সেই আযাব, তারা যার হকদার হবে, তাতে কোন কম করা হবে না।