فَلَمَّا جَآءَ أَمۡرُنَا نَجَّيۡنَا صَٰلِحٗا وَٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ مَعَهُۥ بِرَحۡمَةٖ مِّنَّا وَمِنۡ خِزۡيِ يَوۡمِئِذٍۚ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ ٱلۡقَوِيُّ ٱلۡعَزِيزُ

ফালাম্মা-জাআ আমরুনা-নাজ্জাইনা-সা-লিহাওঁ ওয়াল্লাযীনা আ-মানূমা‘আহূ বিরহমাতিম মিন্না-ওয়ামিন খিঝয়ি ইয়াওমিইযিন ইন্না-রব্বাকা হুওয়াল কাবিইয়ুল ‘আঝীঝ।উচ্চারণ

শেষ পর্যন্ত যখন আমার ফায়সালার সময় এসে গেলো তখন আমি নিজ অনুগ্রহে সালেহ ও তাঁর ওপর যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে রক্ষা করলাম এবং সেই দিনের লাঞ্ছনা থেকে তাদেরকে বাঁচালাম। ৭৪ নিঃসন্দেহে তোমার রবই আসলে শক্তিশালী ও পরাক্রমশালী। তাফহীমুল কুরআন

অতঃপর যখন আমার হুকুম এসে গেল, তখন আমি সালিহকে এবং তার সঙ্গে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে আমার বিশেষ রহমতে রক্ষা করলাম এবং সে দিনের লাঞ্ছনা থেকে বাঁচালাম। নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক অত্যন্ত শক্তিশালী, সর্বময় ক্ষমতার মালিক।মুফতী তাকী উসমানী

অতঃপর যখন আমার হুকুম এসে পৌঁছল, আমি সালিহকে এবং যারা তার সাথে ঈমানদার ছিল তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে রক্ষা করলাম, আর বাঁচালাম সেই দিনের বড় লাঞ্ছনা হতে; নিশ্চয়ই তোমার রাব্ব শক্তিমান, পরাক্রমশালী।মুজিবুর রহমান

অতঃপর আমার আযাব যখন উপস্থিত হল, তখন আমি সালেহকে ও তদীয় সঙ্গী ঈমানদারগণকে নিজ রহমতে উদ্ধার করি, এবং সেদিনকার অপমান হতে রক্ষা করি। নিশ্চয় তোমার পালনকর্তা তিনি সর্বশক্তিমান পরাক্রমশালী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যখন আমার নির্দেশ এলো তখন আমি সালিহ্ ও তাঁর সঙ্গে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে আমার অনুগ্রহে রক্ষা করলাম এবং রক্ষা করলাম সেই দিনের লাঞ্ছনা হতে। তোমার প্রতিপালক তো মহাশক্তিমান, পরাক্রমশালী। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন আমার আদেশ এল, তখন সালিহ ও তার সাথে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে আমার পক্ষ থেকে রহমত দ্বারা নাজাত দিলাম এবং (নাজাত দিলাম) সেই দিনের লাঞ্ছনা থেকে। নিশ্চয় তোমার রব, তিনি শক্তিশালী, পরাক্রমশালী।আল-বায়ান

অতঃপর আমার হুকুম যখন আসল তখন আমি সালিহ আর তার সঙ্গে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে আমার দয়ায় বাঁচিয়ে নিলাম আর সে দিনের লাঞ্ছনা হতে রক্ষা করলাম। তোমার প্রতিপালক তিনিই তো শক্তিশালী, প্রতাপশালী।তাইসিরুল

তারপর যখন আমাদের নির্দেশ এল তখন আমরা সলিহকে ও তাঁর সঙ্গে যারা আস্থা রেখেছিল তাদের উদ্ধার করেছিলাম আমাদের অনুগ্রহের ফলে, আর সেই দিনের লাঞ্ছনা থেকে। নিঃসন্দেহর তোমার প্রভু -- তিনিই মহাবলীয়ান, মহাশক্তিশালী।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৭৪

সিনাই উপদ্বীপে প্রচলিত কিংবদন্তী অনুসারে জানা যায়, যখন সামূদ জাতির ওপর আযাব আসে তখন হযরত সালেহ (আ) হিজরত করে সেখান থেকে চলে গিয়েছিলেন। এ জন্যই “হযরত মূসার পাহাড়ের” কাছেই একটি ছোট পাহাড়ের নাম “নবী সালেহের পাহাড়” এবং কথিত আছে যে, এখানেই তিনি অবস্থান করেছিলেন।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৬৬. অতঃপর যখন আমাদের নির্দেশ আসল তখন আমরা সালেহ্ ও তার সঙ্গে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে আমাদের অনুগ্রহে রক্ষা করলাম এবং রক্ষা করলাম সে দিনের লাঞ্ছনা হতে। নিশ্চয় আপনার রব, তিনি শক্তিমান, মহাপরাক্রমশালী।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৬৬) অতঃপর যখন আমার (আযাবের) নির্দেশ এসে পৌঁছল,(1) তখন আমি সালেহকে এবং যারা তার সাথে বিশ্বাসী ছিল তাদেরকে নিজ করুণায় রক্ষা করলাম, আর বাঁচালাম সেই দিনের বড় লাঞ্ছনা হতে। নিশ্চয় তোমার প্রতিপালক শক্তিমান, পরাক্রমশালী।

(1) এর উদ্দেশ্য সেই আযাব, যা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চতুর্থ দিনে এসেছিল এবং সালেহ (আঃ) ও তাঁর প্রতি বিশ্বাসীদের ছাড়া সকলকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল।