وَلَمَّا جَآءَ أَمۡرُنَا نَجَّيۡنَا هُودٗا وَٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ مَعَهُۥ بِرَحۡمَةٖ مِّنَّا وَنَجَّيۡنَٰهُم مِّنۡ عَذَابٍ غَلِيظٖ

ওয়া লাম্মা-জাআ আমরুনা-নাজ্জাইনা-হুদাওঁ ওয়াল্লাযীনা আ-মানূমা‘আহূ বিরহমাতিম মিন্না- ওয়া নাজ্জাইনা-হুম মিন ‘আযা-বিন গালীজ।উচ্চারণ

তারপর যখন আমার হুকুম এসে গেলো তখন নিজের রহমতের সাহায্যে হূদ ও তাঁর সাথে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে আমি রক্ষা করলাম এবং একটি কঠিন আযাব থেকে বাঁচালাম। তাফহীমুল কুরআন

(পরিশেষে) যখন আমার হুকুম এসে গেল, #%৪০%# তখন আমি নিজ রহমতে হুদকে এবং তার সাথে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে বাঁচালাম এবং তাদেরকে রক্ষা করলাম এক কঠিন শাস্তি হতে।মুফতী তাকী উসমানী

আর যখন আমার (শাস্তির) হুকুম এসে পৌঁছল তখন আমি হুদকে এবং যারা তার সাথে ঈমানদার ছিল তাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহে রক্ষা করলাম, আর তাদেরকে বাঁচালাম অতি কঠিন শাস্তি হতে।মুজিবুর রহমান

আর আমার আদেশ যখন উপস্থিত হল, তখন আমি নিজ রহমতে হুদ এবং তাঁর সঙ্গী ঈমানদারগণকে পরিত্রাণ করি এবং তাদেরকে এক কঠিন শাস্তি থেকে রক্ষা করি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এবং যখন আমার নির্দেশ এলো তখন আমি হূদ ও তার সঙ্গে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে আমার অনুগ্রহে রক্ষা করলাম এবং রক্ষা করলাম তাদেরকে কঠিন শাস্তি হতে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যখন আমার আদেশ আসল, আমি হূদকে ও যারা তার সাথে ঈমান এনেছিল তাদেরকে আমার পক্ষ থেকে রহমত দ্বারা রক্ষা করলাম এবং আমি কঠোর আযাব থেকে তাদেরকে নাজাত দিলাম।আল-বায়ান

আমার নির্দেশ যখন এসে গেল, তখন আমি হূদকে আর তার সঙ্গে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে আমার দয়ায় রক্ষা করলাম, আর তাদেরকে বাঁচিয়ে নিলাম এক কঠিন ‘আযাব হতে।তাইসিরুল

আর যখন আমাদের নির্দেশ ঘনিয়ে এল তখন আমরা হূদকে ও তাঁর সঙ্গে যারা আস্থা রেখেছিল তাদের উদ্ধার করেছিলাম আমাদের অনুগ্রহের ফলে, আর আমরা তাদের উদ্ধার করেছিলাম কঠিন শাস্তি থেকে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

এখানে ‘হুকুম’ দ্বারা আল্লাহ তাআলার প্রেরিত শাস্তি বোঝানো হয়েছে, যেমন সূরা আরাফে বর্ণিত হয়েছে যে, তাদের উপর প্রলয়ঙ্করী ঝড়-তুফান ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। এ জাতির লোকজন অসাধারণ রকমের বিশাল বপুর অধিকারী ছিল। অমিত ছিল তাদের শক্তি। কিন্তু তা দিয়ে তারা শাস্তি হতে আত্মরক্ষা করতে পারল না। গোটা সম্প্রদায় সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেল।

তাফসীরে জাকারিয়া

৫৮. আর যখন আমাদের নির্দেশ আসল তখন আমরা হুদ ও তার সঙ্গে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে আমাদের অনুগ্রহে রক্ষা করলাম এবং রক্ষা করলাম তাদেরকে কঠিন শাস্তি হতে।(১)

(১) কিন্তু হতভাগা দল হুদ আলাইহিস সালাম এর কোন কথায় কর্ণপাত করল না। তারা নিজেদের হঠকারিতা ও অবাধ্যতার উপর অবিচল রইল। অবশেষে প্রচন্ড ঝড় তুফান রূপে আল্লাহর আযাব নেমে এল। সাত দিন আট রাত যাবত অনবরত ঝড় তুফান বইতে লাগল। বাড়ী ঘর ধ্বসে গেল, গাছ পালা উপড়ে পড়ল, গৃহ ছাদ উড়ে গেল, মানুষ ও সকল জীবজন্তু শূণ্যে উত্থিত হয়ে সজোরে যমীনে নিক্ষিপ্ত হল, এভাবেই সুঠাম দেহের অধিকারী শক্তিশালী একটি জাতি সম্পূর্ণ ধ্বংস ও বরবাদ হয়ে গেল। ‘আদ জাতির উপর যখন প্রতিশ্রুত আযাব নাযিল হয় তখন আল্লাহ তা'আলা তার চিরন্তন বিধান অনুযায়ী হুদ আলাইহিস সালাম ও সঙ্গী ঈমানদারগণকে সেখান থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে আযাব হতে রক্ষা করেন।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৫৮) আর যখন আমার (শাস্তির) হুকুম এসে পৌঁছল, তখন আমি হূদকে এবং যারা তার সাথে বিশ্বাসী ছিল তাদেরকে স্বীয় করুণায় রক্ষা করলাম। আর তাদেরকে বাঁচিয়ে নিলাম অতি কঠিন শাস্তি হতে। (1)

(1) অতি কঠিন শাস্তি থেকে উদ্দেশ্য সেই ‘কল্যাণশূন্য বায়ু’ যার দ্বারা হূদ (আঃ)-এর সম্প্রদায় আ’দকে ধ্বংস করা হয়েছিল এবং যা থেকে হূদ (আঃ) ও তাঁর প্রতি ঈমান আনায়নকারীদের বাঁচিয়ে নেওয়া হয়েছিল।