وَنَادَىٰ نُوحٞ رَّبَّهُۥ فَقَالَ رَبِّ إِنَّ ٱبۡنِي مِنۡ أَهۡلِي وَإِنَّ وَعۡدَكَ ٱلۡحَقُّ وَأَنتَ أَحۡكَمُ ٱلۡحَٰكِمِينَ

ওয়া না-দা-নূহুর রব্বাহূফাক-লা রব্বি ইন্নাবনী মিন আহলী ওয়া ইন্না ওয়া‘দাকাল হাক্কু আনতা আহকামুল হা-কিমীন।উচ্চারণ

নূহ তাঁর রবকে ডাকলো। বললো, “হে আমার রব! আমার ছেলে আমার পরিবারভুক্ত এবং তোমার প্রতিশ্রুতি সত্য ৪৭ আর তুমি সমস্ত শাসকদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ও উত্তম শাসক।” ৪৮ তাফহীমুল কুরআন

নূহ তার প্রতিপালককে ডাক দিয়ে বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমার পুত্র তো আমার পরিবারেরই একজন! এবং নিশ্চয়ই তোমার ওয়াদা সত্য এবং তুমি সকল বিচারকের শ্রেষ্ঠ বিচারক! #%৩১%#মুফতী তাকী উসমানী

আর নূহ নিজ রাব্বকে ডাকল এবং বললঃ হে আমার রাব্ব! আমার এই পুত্রটি আমার পরিবারবর্গেরই অন্তর্ভুক্ত, আর আপনার ও‘য়াদাও সম্পূর্ণ সত্য এবং আপনি সমস্ত বিচারকের শ্রেষ্ঠ বিচারক।মুজিবুর রহমান

আর নূহ (আঃ) তাঁর পালনকর্তাকে ডেকে বললেন-হে পরওয়ারদেগার, আমার পুত্র তো আমার পরিজনদের অন্তর্ভুক্ত; আর আপনার ওয়াদাও নিঃসন্দেহে সত্য আর আপনিই সর্বাপেক্ষা বিজ্ঞ ফয়সালাকারী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

নূহ্ তার প্রতিপালককে সম্বোধন করে বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার পুত্র আমার পরিবারভুক্ত এবং আপনার প্রতিশ্রুতি সত্য; আর আপনি তো বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিচারক।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর নূহ তার রবকে ডাকল এবং বলল, ‘হে আমার রব, নিশ্চয় আমার সন্তান আমার পরিবারভুক্ত এবং আপনার ওয়াদা নিশ্চয় সত্য। আর আপনি বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিচারক’।আল-বায়ান

নূহ তার প্রতিপালককে আহবান জানাল। সে বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার পুত্র তো আমার পরিবারভুক্ত, আর তোমার ও‘য়াদা সত্য আর তুমি বিচারকদের সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারক।’তাইসিরুল

আর নূহ্ তাঁর প্রভুকে ডাকলেন ও বললেন -- "আমার প্রভু! আমার পুত্র আলবৎ আমার পরিবারভুক্ত আর তোমার ওয়াদা নিঃসন্দেহ সত্য, আর তুমি বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিচারক।"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৪৭

অর্থাৎ তুমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলে আমার পরিজনদেরকে এ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করবে। এখন ছেলে তো আমার পরিজনদের অন্তর্ভুক্ত। কাজেই তাকেও রক্ষা করো।

৪৮

অর্থাৎ তোমার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এরপর আর কোন আবেদন নিবেদন খাটবে না। আর তুমি নির্ভেজাল জ্ঞান ও পূর্ণ ইনসাফের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকো।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ প্রতিটি বিষয়ে তোমার পরিপূর্ণ ক্ষমতা আছে। তুমি ইচ্ছা করলে তাকে ঈমান আনার তাওফীক দিতে পার। আর এভাবে সে যদি ঈমান আনে, তবে ঈমানদারদের অনুকূলে তোমার যে ওয়াদা আছে, তা তার ব্যাপারেও পূরণ হতে পারে।

তাফসীরে জাকারিয়া

৪৫. আর নূহ তার রবকে ডেকে বললেন, হে আমার রব! নিশ্চয় আমার পুত্র আমার পরিবারভুক্ত এবং নিশ্চয় আপনার প্রতিশ্রুতি সত্য(১), আর আপনি তো বিচারকের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিচারক।(২)

(১) অর্থাৎ আপনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আমার পরিজনদেরকে এ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করবেন। এখন ছেলে তো আমার পরিজনদের অন্তর্ভুক্ত। কাজেই তাকেও রক্ষা করুন। (কুরতুবী; ইবন কাসীর)

(২) অর্থাৎ আপনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এরপর আর কোন আবেদন নিবেদন খাটবে না। আর আপনি নির্ভেজাল জ্ঞান ও পূর্ণ ইনসাফের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন। সে অনুসারে আপনি কারও জন্য নাজাতের নির্দেশ দিয়েছেন আর কারও জন্য দিয়েছেন ডুবে যাওয়ার নির্দেশ। (কুরতুবী) অথবা আয়াতের অর্থ, সুতরাং আপনি আমার জন্য পূর্বে যে ওয়াদা করেছেন সেটা পূর্ণ করুন আর আমার ছেলেকে নাজাত দিন। (তাবারী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৪৫) আর নূহ নিজ প্রতিপালককে ডেকে বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার এই পুত্রটি আমারই পরিবারভুক্ত। আর তোমার প্রতিশ্রুতি সত্য এবং তুমি সমস্ত বিচারকের শ্রেষ্ঠ বিচারক।’ (1)

(1) নূহ (আঃ) পিতৃ-বাৎসল্যের আবেগে পড়ে আল্লাহর দরবারে উক্ত দু’আ করেছিলেন। আবার কেউ কেউ বলেন, তিনি ভেবে ছিলেন যে, সম্ভবতঃ সে মুসলমান হয়ে যাবে, যার জন্য তার সম্পর্কে উক্ত আবেদন করেছিলেন।