وَأُوحِيَ إِلَىٰ نُوحٍ أَنَّهُۥ لَن يُؤۡمِنَ مِن قَوۡمِكَ إِلَّا مَن قَدۡ ءَامَنَ فَلَا تَبۡتَئِسۡ بِمَا كَانُواْ يَفۡعَلُونَ

ওয়া ঊহিয়া ইলা-নূহিনআন্নাহূলাইঁ ইউ’মিনা মিন কাওমিকা ইল্লা-মান কাদ আ-মানা ফালাতাবতাইছ বিমা-ক-নূইয়াফ‘আলূন।উচ্চারণ

নূহের প্রতি অহী নাযিল করা হলো এ মর্মে যে, তোমার কওমের মধ্য থেকে যারা ইতিমধ্যে ঈমান এনেছে, তারা ছাড়া এখন আর কেউ ঈমান আনবে না। তাদের কৃতকর্মের জন্য দুঃখ করা পরিহার করো তাফহীমুল কুরআন

এবং নূহের কাছে ওহী পাঠানো হল যে, এ পর্যন্ত তোমার সম্প্রদায়ের যে সকল লোক ঈমান এনেছে তারা ছাড়া আর কেউ ঈমান আনবে না। সুতরাং তারা যা-কিছু করছে সে জন্য তুমি দুঃখ করো না।মুফতী তাকী উসমানী

আর নূহের প্রতি অহী প্রেরিত হলঃ যারা ঈমান এনেছে তারা ছাড়া তোমার কাওম হতে আর কেহই ঈমান আনবেনা, অতএব যা তারা করছে তাতে তুমি মোটেই দুঃখ করনা।মুজিবুর রহমান

আর নূহ (আঃ) এর প্রতি ওহী প্রেরণ করা হলো যে, যারা ইতিমধ্যেই ঈমান এনেছে তাদের ছাড়া আপনার জাতির অন্য কেউ ঈমান আনবেনা এতএব তাদের কার্যকলাপে বিমর্ষ হবেন না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

নূহের প্রতি প্রত্যাদেশ হয়েছিল, ‘যারা ঈমান এনেছে তারা ব্যতীত তোমার সম্প্রদায়ের অন্য কেউ কখনও ঈমান আনবে না। সুতরাং তারা যা করে তার জন্যে তুমি দুঃখিত হয়ো না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর নূহের কাছে ওহী পাঠানো হল যে, ‘যারা ঈমান এনেছে, তারা ছাড়া তোমার কওমের আর কেউ ঈমান আনবে না। সুতরাং তারা যা করে সে জন্য তুমি দুঃখিত হয়ো না’।আল-বায়ান

নূহের কাছে ওয়াহী পাঠানো হয়েছিল যে, যারা ঈমান এনেছে তারা ছাড়া তোমার সম্প্রদায়ের আর কোন লোক কক্ষনো ঈমান আনবে না, কাজেই তারা যা করছে তার জন্য তুমি হা-হুতাশ করো না।তাইসিরুল

আর নূহের কাছে প্রত্যাদেশ দেয়া হল -- "নিঃসন্দেহ তোমার সম্প্রদায়ের মধ্যে থেকে কেউ কখনও বিশ্বাস করবে না সে ব্যতীত যে ইতিমধ্যে বিশ্বাস করেছে, সুতরাং তারা যা করে চলেছে তার জন্য দুঃখ কর না।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩৬. আর নূহের প্রতি অহী করা হয়েছিল, যারা ঈমান এনেছে তারা ছাড়া আপনার সম্প্রদায়ের অন্য কেউ কখনো ঈমান আনবে না। কাজেই তারা যা করে তার জন্য আপনি চিন্তিত হবেন না।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩৬) আর নূহের প্রতি অহী প্রেরিত হল, যারা বিশ্বাস করেছে, তারা ছাড়া তোমার সম্প্রদায় হতে আর কেউই বিশ্বাস করবে না, কাজেই যা তারা করছে, তার জন্য তুমি দুঃখ করো না। (1)

(1) যখন নূহ (আঃ) এর সম্প্রদায় আযাব আসার জন্য বলেছিল, তখন এই কথা বলা হয়েছিল এবং নূহ (আঃ) আল্লাহর দরবারে দু’আ করেছিলেন যে, ‘হে আমার প্রভু! পৃথিবীতে বসবাসকারী একজন কাফেরকেও জীবিত রেখো না।’ আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এখন অতিরিক্ত আর কেউ ঈমান আনবে না, অতএব এ নিয়ে তুমি চিন্তা করো না।’