মান ক-না ইউরীদুলহায়া-তাদদুনইয়া-ওয়াঝীনাতাহা-নুওয়াফফি ইলাইহিম আ‘মা-লাহুম ফীহা-ওয়াহুম ফীহা-লা-ইউবখাছূন।উচ্চারণ
যারা শুধুমাত্র এ দুনিয়ার জীবন এবং এর শোভা-সৌন্দর্য কামনা করে ১৫ তাদের কৃতকর্মের সমুদয় ফল আমি এখানেই তাদেরকে দিয়ে দেই এবং এ ব্যাপারে তাদেরকে কম দেয়া হয় না। তাফহীমুল কুরআন
যারা (কেবল) পার্থিব জীবন ও তার ঠাটবাট চায়, আমি তাদেরকে তাদের কর্মের পূর্ণ ফল এ দুনিয়ায়ই ভোগ করতে দেব এবং এখানে তাদের প্রাপ্য কিছু কম দেওয়া হবে না। #%১২%#মুফতী তাকী উসমানী
যারা শুধু পার্থিব জীবন এবং ওর জাকজমকতা কামনা করে, আমি তাদের কৃতকর্মগুলির ফল দুনিয়ায়ই দিয়ে দিই, তাদের জন্য কিছুই কম করা হয়না।মুজিবুর রহমান
যে ব্যক্তি পার্থিবজীবন ও তার চাকচিক্যই কামনা করে, হয় আমি তাদের দুনিয়াতেই তাদের আমলের প্রতিফল ভোগ করিয়ে দেব এবং তাতে তাদের প্রতি কিছুমাত্র কমতি করা হয় না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যে কেউ পার্থিব জীবন ও এর শোভা কামনা করে, দুনিয়ায় আমি এদের কর্মের পূর্ণফল দান করি এবং সেখানে তাদেরকে কম দেয়া হবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে ব্যক্তি দুনিয়ার জীবন ও তার জৌলুস কামনা করে, আমি সেখানে তাদেরকে তাদের আমলের ফল পুরোপুরি দিয়ে দেই এবং সেখানে তাদেরকে কম দেয়া হবে না।আল-বায়ান
যারা এ দুনিয়ার জীবন আর তার শোভা সৌন্দর্য কামনা করে, তাদেরকে এখানে তাদের কর্মের পুরোপুরি ফল আমি দিয়ে দেই, আর তাতে তাদের প্রতি কোন কমতি করা হয় না।তাইসিরুল
যে কেউ পার্থিব জীবন ও এর শোভা-সৌন্দর্য কামনা করে তাদের ক্রিয়াকর্মের জন্য এখানেই আমরা তাদের পুরোপুরি প্রতিফল প্রদান করি, আর এ ব্যাপারে তারা ক্ষতিসাধিত হবে না।মাওলানা জহুরুল হক
১৫
এখানে যে প্রসঙ্গে ও যে সামঞ্জস্যের প্রেক্ষিতে একথা বলা হয়েছে তা হচ্ছে এই যে, সে যুগে যে ধরনের লোকেরা কুরআনের দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করছিল এবং আজও প্রত্যাখ্যান করছে তাদের বেশীর ভাগই দুনিয়া পূজারী। বৈষয়িক স্বার্থ তাদের মন-মস্তিষ্ককে আচ্ছন্ন করে রাখে। আল্লাহর বাণী প্রত্যাখ্যান করার জন্য তারা যে অজুহাত দেখায় তা সবই মেকী। আসল করণ হচ্ছে তাদের দৃষ্টিতে দুনিয়া ও তার বস্তুবাদী স্বার্থের উর্ধ্বে কোন জিনিসের কোন মূল্য নেই এবং এ স্বার্থগুলো থেকে লাভবান হতে হলে তাদের প্রয়োজন লাগামহীন স্বাধীনতা।
যারা আখেরাতকে বিশ্বাস করে না এবং যা-কিছু করে তা এ দুনিয়ার জন্যই করে, সেই কাফেরদেরকে তাদের দান-খয়রাত ইত্যাদি সৎকর্মের প্রতিদান দুনিয়াতেই দিয়ে দেওয়া হয়। আখেরাতে তারা এর বিনিময়ে কিছু পাবে না। কেননা ঈমান ছাড়া আখেরাতে কোনও সৎকর্ম গ্রহণযোগ্য নয়। অনুরূপ কোনও মুসলিমও যদি পার্থিব সুনাম-সুখ্যাতি, অর্থ-সম্পদ বা ক্ষমতা ইত্যাদি লাভের উদ্দেশ্যে কোনও সৎকাজ করে, তবে দুনিয়ায় তার এসব লাভ হতে পারে, কিন্তু আখেরাতে সে এর কোনও সওয়াব পাবে না। বরং ওয়াজিব ও ফরয ইবাদতসমূহে ইখলাস ও বিশুদ্ধ নিয়ত না থাকলে উল্টো গুনাহ হয়। আখেরাতে সেই সৎকর্মই গ্রহণযোগ্য, যা আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি লাভের নিয়তে করা হয়।
১৫. যে কেউ দুনিয়ার জীবন ও তার শোভা কামনা করে, দুনিয়াতে আমরা তাদের কাজের পূর্ণ ফল দান করি এবং সেখানে তাদেরকে কম দেয়া হবে না।
(১৫) যারা শুধু পার্থিব জীবন ও তার সৌন্দর্য কামনা করে, আমি তাদেরকে তাদের কৃতকর্মসমূহ (এর ফল) পৃথিবীতেই পরিপূর্ণরূপে প্রদান করে দিই এবং সেখানে তাদের জন্য কিছুই কম করা হয় না।