ওয়ালা-তাদ‘উ মিন দূ নিল্লা-হি মা-লা-ইয়ানফা‘উকা ওয়ালা-ইয়াদুররুকা ফাইন ফা‘আলতা ফাইন্নাকা ইযাম মিনাজ্জা-লিমীন।উচ্চারণ

আর আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন কোন সত্তাকে ডেকো না, যে তোমার না কোন উপকার করতে না ক্ষতি করতে পারে। যদি তুমি এমনটি করো তাহলে জালেমদের দলভুক্ত হবে। তাফহীমুল কুরআন

আল্লাহ তাআলাকে ছেড়ে এমন কাউকে (অর্থাৎ মনগড়া মাবুদকে) ডাকবে না, যা তোমার কোনও উপকারও করতে পারে না এবং ক্ষতিও করতে পারে না। তারপরও যদি তুমি এরূপ কর (যদিও তোমার পক্ষে তা করা অসম্ভব), তবে তুমি জালেমদের মধ্যে গণ্য হবে।মুফতী তাকী উসমানী

আর আল্লাহকে ছেড়ে এমন কিছুর ইবাদাত করনা যা না তোমার কোন উপকার করতে পারে, আর না কোন ক্ষতি করতে পারে। বস্তুতঃ যদি এরূপ কর তাহলে তুমি এমতাবস্থায় যালিমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।মুজিবুর রহমান

আর নির্দেশ হয়েছে আল্লাহ ব্যতীত এমন কাউকে ডাকবে না, যে তোমার ভাল করবে না মন্দও করবে না। বস্তুতঃ তুমি যদি এমন কাজ কর, তাহলে তখন তুমিও জালেমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

‘এবং আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কাউকেও ডাকবে না, যা তোমার উপকারও করে না, অপকারও করে না, কারণ এটা করলে তখন তুমি অবশ্যই জালিমদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আর আল্লাহ ছাড়া এমন কিছুকে ডেকো না, যা তোমার উপকার করতে পারে না এবং তোমার ক্ষতিও করতে পারে না। অতএব তুমি যদি কর, তাহলে নিশ্চয় তুমি যালিমদের অন্তর্ভুক্ত হবে।আল-বায়ান

আর আল্লাহকে বাদ দিয়ে আহবান করো না এমন কিছুকে যা না পারে তোমার কোন উপকার করতে, আর না পারে ক্ষতি করতে; যদি তুমি তা কর তাহলে তুমি যালিমদের মধ্যে শামিল হয়ে যাবে।তাইসিরুল

আর আল্লাহ্‌কে ছেড়ে দিয়ে অন্যকে ডেকো না যে তোমার উপকারও করে না ও অপকারও করে না, কেননা তুমি যদি তা করো তাহলে তুমি তো সে-ক্ষেত্রে অন্যায়কারীদের মধ্যেকার হবে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১০৬. আর আপনি আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ডাকবেন না, যা আপনার উপকারও করে না, অপকারও করে না, কারণ এটা করলে তখন আপনি অবশ্যই যালিমদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১০৬) আর আল্লাহকে ছেড়ে এমন কিছুকে আহবান করো না, যা না তোমার কোন উপকার করতে পারে, না কোন ক্ষতি করতে পারে। বস্তুতঃ যদি এইরূপ কর, তাহলে তুমি অবশ্যই যালেমদেরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।(1)

(1) অর্থাৎ, যদি আল্লাহ ব্যতীত এমন উপাস্যকে ডাক, যে কারোর উপকার-অপকার করতে পারে না, তাহলে তা যুলম (অন্যায়) হবে। যুলম (অন্যায়) হল, وضع الشي في غير محله (কোন বস্তুকে তার নিজ স্থান থেকে সরিয়ে অন্য স্থানে রাখা।) ইবাদত একমাত্র সেই আল্লাহর হক, যিনি সমস্ত জগৎ সৃষ্টি করেছেন এবং জীবনধারণের সমস্ত উপকরণের ব্যবস্থাপনাও তিনিই করেছেন। সুতরাং সেই ইবাদতের অধিকারী ব্যতীত অন্য কারোর ইবাদত করলে, ইবাদতকে (যথাস্থানে না রেখে) বড় ভুল স্থানে রাখা হয়। এই জন্যই শিরককে বড় যুলম (মহা অন্যায়) বলা হয়েছে। এখানে যদিও সম্বোধিত নবী (সাঃ); কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সকল মানুষ ও উম্মতে মুহাম্মাদীই উদ্দিষ্ট।