ছুম্মা নুনাজ্জী রুছুলানা-ওয়াল্লাযীনা আ-মানূ কাযা-লিকা হাক্কান ‘আলাইনা-নুনজিল মু’মিনীন।উচ্চারণ

তারপর (যখন এমন সময় আসে তখন) আমি নিজের রসূলদের এবং যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে রক্ষা করি। এটিই আমার রীতি। মুমিনদের রক্ষা করা আমার দায়িত্ব। তাফহীমুল কুরআন

অতঃপর (যখন আযাব আসে) আমি আমার রাসূলগণকে এবং যারা ঈমান আনে তাদেরকে রক্ষা করি। এভাবেই আমি আমার দায়িত্বে রেখেছি যে, আমি (অপরাপর) মুমিনগণকে রক্ষা করব।মুফতী তাকী উসমানী

শেষ পর্যন্ত আমি স্বীয় রাসূলদেরকে এবং মু’মিনদেরকে নাজাত দিলাম, এ রূপেই আমি মু’মিনদেরকে নাজাত দিয়ে থাকি।মুজিবুর রহমান

অতঃপর আমি বাঁচিয়ে নেই নিজের রসূলগণকে এবং তাদেরকে যারা ঈমান এনেছে এমনিভাবে। ঈমানদারদের বাঁচিয়ে নেয়া আমার দায়িত্বও বটে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

পরিশেষে আমি আমার রাসূলগণকে এবং মু’মিনগণকেও উদ্ধার করি। এইভাবে আমার দায়িত্ব মু’মিনগণকে উদ্ধার করা।ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তারপর আমি নাজাত দেই আমার রাসূলদেরকে এবং তাদেরকেও যারা ঈমান এনেছে। এটা আমার দায়িত্ব যে, মুমিনদের নাজাত দেই।আল-বায়ান

অবশেষে আমি আমার রসূলদেরকে আর মু’মিনদেরকে রক্ষা করি, এভাবে মু’মিনদেরকে রক্ষা করা আমার কর্তব্য।তাইসিরুল

তারপর আমরা রসূলগণকে উদ্ধার করি আর যারা বিশ্বাস করেছেন তাদেরও, এইভাবেই, -- বিশ্বাসীদের উদ্ধার করা আমাদের দায়িত্ব।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১০৩. তারপর আমরা আমাদের রাসূলদেরকে এবং যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে উদ্ধার করি। এভাবে মুমিনদেরকে উদ্ধার করা আমাদের দায়িত্ব।(১)

(১) এ দায়িত্ব আল্লাহ স্বয়ং তার নিজের উপর নিয়ে নিয়েছেন। কেউ তাঁকে বাধ্য করার নেই। তিনি নিজ করুণাবশতঃ মুমিনদেরকে উদ্ধার করে থাকেন। অন্য আয়াতে আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ “তোমাদের প্রভূ তার নিজের উপর রহমতকে লিখে নিয়েছেন।” (সূরা আল-আনআমঃ ৫৪) অপর এক হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “আল্লাহ তাঁর কাছে আরশের উপর একটি কিতাবে লিখে রেখেছেন যে, আমার রহমত আমার ক্রোধের উপর প্রাধান্য পাবে’। (বুখারীঃ ৩১৯৪, মুসলিমঃ ২৭৫১)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১০৩) অতঃপর আমি স্বীয় রসূলদেরকে উদ্ধার করি এবং যারা বিশ্বাস করেছে তাদেরকেও, অনুরূপ বিশ্বাসীদেরকেও উদ্ধার করা আমার দায়িত্ব।