কুলিনজু রূ মা-যা-ফিছছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি ওয়া মা-তুগনিল আ-য়া-তু ওয়াননুযুরু ‘আন কাওমিল লা-ইউ’মিনূন।উচ্চারণ

তাদেরকে বলো, “পৃথিবী ও আকাশে যা কিছু আছে চোখ মেলে দেখো।” আর যারা ঈমান আনতেই চায় না তাদের জন্য নির্দশন ও উপদেশ তিরস্কার কীইবা উপকারে আসতে পারে। ১০৫ তাফহীমুল কুরআন

(হে নবী!) তাদেরকে বল, লক্ষ করে দেখ আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীতে কি কি জিনিস আছে? #%৫৩%# কিন্তু যে সব লোক ঈমান আনার নয়, (আসমান ও যমীনে বিরাজমান) নিদর্শনাবলী ও সতর্ককারী (নবী)গণ তাদের কোনও কাজে আসে না।মুফতী তাকী উসমানী

বলে দাওঃ তোমরা লক্ষ্য কর, যা কিছু রয়েছে আসমানসমূহে ও যমীনে; আর যারা ঈমান আনেনা, প্রমাণাদী ও ভয় প্রদর্শন তাদের কোন উপকার সাধন করতে পারেনা।মুজিবুর রহমান

তাহলে আপনি বলে দিন, চেয়ে দেখ তো আসমানসমুহে ও যমীনে কি রয়েছে। আর কোন নিদর্শন এবং কোন ভীতিপ্রর্দশনই কোন কাজে আসে না সেসব লোকের জন্য যারা মান্য করে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

বল, ‘আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তার প্রতি লক্ষ্য কর।’ নিদর্শনাবলী ও ভীতি প্রদর্শন অবিশ্বাসী সম্প্রদায়ের উপকারে আসে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘আসমানসমূহ ও যমীনে কী আছে তা তাকিয়ে দেখ। আর নিদর্শনসমূহ ও সতর্ককারীগণ এমন কওমের কাজে আসে না, যারা ঈমান আনে না’।আল-বায়ান

বল ‘‘আসমানসমূহ আর যমীনে যা কিছু আছে তার দিকে চেয়ে দেখ, যারা ঈমান আনে না তাদের জন্য নিদর্শনাবলী আর ভয়-ভীতি প্রদর্শন কোন কাজে আসে না।তাইসিরুল

বলো -- "তাকিয়ে দেখ যা-কিছু আছে মহাকাশমন্ডলীতে ও পৃথিবীতে।" আর নিদর্শনসমূহ ও সতর্ককারীরা কোনো কাজে আসে না সেই সম্প্রদায়ের জন্য যারা বিশ্বাস করে না।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১০৫

ঈমান আনার জন্য তারা যে দাবীটিকে শর্ত হিসেবে পেশ করতো এটি হচ্ছে তার শেষ ও চূড়ান্ত জবাব। তাদের এ দাবীটি ছিল, আমাদের এমন কোন নিদর্শন দেখাও যার ফলে তোমার নবুওয়াতকে আমরা সত্য বলে বিশ্বাস করতে পারি। এর জবাবে বলা হচ্ছে যদি তোমাদের মধ্যে সত্যের আকাঙ্ক্ষা এবং সত্য গ্রহণ করার আগ্রহ থাকে তাহলে পৃথিবী ও আকাশের চারদিকে যে অসংখ্য নিদর্শন ছড়িয়ে রয়েছে এগুলো মুহাম্মাদের বাণীর সত্যতার ব্যাপারে তোমাদের নিশ্চিন্ত করার জন্য শুধু যথেষ্ট নয় বরং তার চাইতেও বেশী। শুধুমাত্র চোখ খুলে সেগুলো দেখার প্রয়োজন। কিন্তু যদি এ চাহিদা ও আগ্রহই তোমাদের মধ্যে না থাকে, তাহলে অন্য কোন নিদর্শন, তা যতই অলৌকিক, অটল ও চিরন্তন রীতি ভঙ্গকারী এবং বিস্ময়কর ও অত্যাশ্চর্য হোক না কেন, তোমাদেরকে ঈমানের নিয়ামত দান করতে পারে না। প্রত্যেকটি মুজিযা দেখে তোমরা ফেরাউন ও তার কওমের সরদারদের মতই বলবে, এ তো যাদু ছাড়া আর কিছুই নয়। এ রোগে যারা আক্রান্ত হয় তাদের চোখ কেবলমাত্র তখনই খুলে থাকে যখন ক্রোধ, রোষবহ্নি ও গযব তার বিভীষিকাময় কঠোরতা সহকারে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। ঠিক এমনিভাবে ডুবে যাবার সময় ফেরাউনের চোখ খুলেছিল। কিন্তু একেবারে পাকড়াও করার সময় শেষ মুহুর্তে যে তওবা করা হয় তার কোন দাম নেই।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

সৃষ্টি জগতের যে-কোনও বস্তুর উপর ন্যায়নিষ্ঠতার সাথে দৃষ্টিপাত করলে তার ভেতর আল্লাহ তাআলার কুদরত ও হিকমতের পরিচয় পাওয়া যাবে। তা সাক্ষ্য দেবে, এই মহা বিস্ময়কর কারখানা আপনা-আপনি অস্তিত্ব লাভ করেনি; বরং আল্লাহ তাআলাই তাকে সৃষ্টি করেছেন। কেবল কি এতটুকু? বরং এর দ্বারা আরও বুঝে আসে যে, যেই সত্তা এত বড় জগত সৃষ্টি করতে সক্ষম তাঁর কোনও রকম শরীক ও সাহায্যকারীর কোনও প্রয়োজন নেই। সুতরাং আল্লাহ আছেন এবং তিনি এক তাঁর কোনও শরীক নেই। اس آئنه خانے ميں سبھى عكس هے تيرے اس آئنه خانے ميں تو يكتا هى رهےگا ‘এই আয়নাঘরে সবই তোমার প্রতিচ্ছবি। এ আয়নাঘরে তুমি একাকই থাকবে চিরকাল।’

তাফসীরে জাকারিয়া

১০১. বলুন, আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে সেগুলোর প্রতি লক্ষ্য কর। আর যারা ঈমান আনে না, নিদর্শনাবলী ও ভীতি প্রদর্শন এমন সম্প্রদায়ের কোন কাজে আসে না।(১)

(১) আল্লামা শানকীতী বলেন, আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর সমস্ত বান্দাদেরকে এ নির্দেশই দিচ্ছেন যে, তারা যেন আসমান ও যমীনের বৃহৎ সৃষ্টিগুলোর দিকে তাকায় যেগুলো তার মহত্বতা, পূর্ণতা, ও তিনিই যে একমাত্র ইবাদতযোগ্য ইলাহ তার উপর প্রমাণবহ। অনুরূপ নির্দেশ তিনি অন্য আয়াতেও দিয়েছেন। যেমন, “অচিরেই আমরা তাদেরকে আমাদের নিদর্শনাবলী দেখাব, বিশ্ব জগতের প্রান্তসমূহে এবং তাদের নিজেদের মধ্যে; যাতে তাদের কাছে সুস্পষ্ট হয়ে উঠে যে, অবশ্যই এটা (কুরআন) সত্য। এটা কি আপনার রবের সম্পর্কে যথেষ্ট নয় যে, তিনি সব কিছুর উপর সাক্ষী? (সূরা ফুসসিলাত: ৫৩)। (আদওয়াউল বায়ান) বস্তুত: ঈমান আনার জন্য তারা যে দাবীটিকে শর্ত হিসেবে পেশ করতো এটি হচ্ছে তার শেষ ও চূড়ান্ত জবাব।

তাদের এ দাবীটি ছিল, আমাদের এমন কোন নির্দশন দেখান যার ফলে আপনার নবুওয়াতকে আমরা সত্য বলে বিশ্বাস করতে পারি। এর জবাবে বলা হচ্ছে, যদি তোমাদের মধ্যে সত্যের আকাংখা এবং সত্য গ্রহণ করার আগ্রহ থাকে তাহলে যমীন ও আসমানের চারদিকে যে অসংখ্য নিদর্শন ছড়িয়ে রয়েছে এগুলো মুহাম্মদের বাণীর সত্যতার ব্যাপারে তোমাদের নিশ্চিন্ত করার জন্য শুধু যথেষ্ট নয় বরং তার চাইতেও বেশী। শুধুমাত্র চোখ খুলে সেগুলো দেখার প্রয়োজন। কিন্তু যদি এ চাহিদা ও আগ্রহই তোমাদের মধ্যে না থাকে, তাহলে অন্য কোন নির্দশন, তা যতই অলৌকিক, অটল ও চিরন্তন রীতি ভংগকারী এবং বিস্ময়কর ও অত্যাশ্চর্য হোক না কেন, তোমাদেরকে ঈমানের নিয়ামত দান করতে পারে না।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১০১) তুমি বলে দাও, ‘আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু রয়েছে তোমরা তার প্রতি লক্ষ্য কর। আর নিদর্শনাবলী ও সতর্ককারী (নবী) তাদের উপকারে আসে না, যারা বিশ্বাস করে না।’