ওয়া ইয়াছতামবিঊনাকা আহাক্কুন হুওয়া কুল ঈ ওয়ারববী ইন্নাহূলাহাক্কুওঁ ওয়া মাআনতুম বিমু‘জিঝীন।উচ্চারণ
তারপর তারা জিজ্ঞেস করে যে, তুমি যা বলছো তা কি যথার্থই সত্য? বলো, “আমার রবের কসম, এটা যথার্থই সত্য এবং এর প্রকাশ হবার পথে বাধা দেবার মতো শক্তি তোমাদের নেই।” তাফহীমুল কুরআন
তারা তোমাকে জিজ্ঞেস করে, এটা (অর্থাৎ আখেরাতের আযাব) কি বাস্তবিক সত্য? বলে দাও, আমার প্রতিপালকের শপথ! এটা বিলকুল সত্য এবং তোমরা (আল্লাহকে) অক্ষম করতে পারবে না।মুফতী তাকী উসমানী
তারা তোমাকে জিজ্ঞেস করছে, ওটা (শাস্তি) কি যথার্থ বিষয়? তুমি বলে দাওঃ হ্যাঁ, আমার রবের কসম! ওটা নিশ্চিত সত্য; আর তোমরা কিছুতেই আল্লাহকে অপারগ করতে পারবেনা।মুজিবুর রহমান
আর তোমার কাছে সংবাদ জিজ্ঞেস করে, এটা কি সত্য ? বলে দাও, অবশ্যই আমার পরওয়ারদেগারের কসম এটা সত্য। আর তোমরা পরিশ্রান্ত করে দিতে পারবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরা তোমার নিকট জানতে চায়, ‘এটা কি সত্য ?’ বল, ‘হ্যাঁ, আমার প্রতিপালকের শপথ ! এটা অবশ্যই সত্য। আর তোমরা এটা ব্যর্থ করতে পারবে না।’ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তারা তোমার কাছে জানতে চায়, ‘তা কি সত্য’? বল, ‘হ্যাঁ, আমার রবের কসম! নিশ্চয় তা সত্য এবং তোমরা পরাস্তকারী নও’।আল-বায়ান
তারা তোমার কাছে জানতে চায় (তুমি যা বলছ) সেগুলো কি প্রকৃতই সঠিক? বল-‘হাঁ, আমার রবের কসম! তা একবারেই সত্য। তোমরা তা বানচাল করতে পারবে না।তাইসিরুল
আর তারা তোমার কাছে জানতে চায় -- "এ কি সত্য?" বলো -- "হাঁ, আমার প্রভুর কসম, এ আলবৎ সত্য। আর তোমাদের এড়াবার নহে!"মাওলানা জহুরুল হক
৫৩. আর সূরা আপনার কাছে জানতে চায়, এটা কি সত্য? বলুন, হ্যাঁ, আমার রবের শপথ! এটা অবশ্যই সত্য(১) আর তোমরা মোটেই অপারগকারী নও।
(১) এখানে আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর নবীকে আল্লাহর সত্বার শপথ করে কেয়ামত যে আসন্ন তা বলতে নির্দেশ দিচ্ছেন। পবিত্র কুরআনের আরো দুটি স্থানে এ ধরণের নির্দেশ এসেছে, (যেমন সূরা সাবাঃ ৩, এবং আত-তাগাবুনঃ ৭) মূলতঃ কেয়ামতের ব্যাপারটি বিশেষ গুরুত্বের দাবী রাখার কারণেই আল্লাহ তাঁর নবীকে শপথ করে বলার নির্দেশ দিয়েছেন।
(৫৩) তারা তোমাকে জিজ্ঞেস করে, ‘তা (শাস্তি) কি সত্য?’(1) তুমি বল, ‘হ্যাঁ, আমার প্রতিপালকের কসম! তা অবশ্যই সত্য; আর তোমরা কিছুতেই ব্যর্থ করতে পারবে না।’
(1) অর্থাৎ তারা জিজ্ঞাসা করে যে, কিয়ামত এবং পুনরুত্থান (মানুষ মৃত্যুবরণ করে পচে-গলে মাটি হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় জীবিত হয়ে ওঠা কি সত্য? আল্লাহ তাআলা বলেন, হে নবী! তাদেরকে বলে দাও যে, তোমাদের মাটি হয়ে মাটির সাথে মিশে গেলেও, তা তোমাদেরকে পুনর্জীবিত করার ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাকে ব্যর্থ ও অপারগ করতে পারবে না। অতএব পুনর্জীবন অবশ্যই ঘটবে। ইমাম ইবনে কাসীর (রঃ) বলেন যে, এই আয়াতের মত আয়াত কুরআনে শুধু আর দুটি আছে, যাতে আল্লাহ তাআলা তাঁর পয়গম্বরকে আদেশ করেছেন যে, তিনি যেন শপথ করে কিয়ামত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা প্রচার করেন। প্রথমটি সূরা সাবা’র ৩নং আয়াত, আর দ্বিতীয়টি সূরা তাগাবুনের ৭নং আয়াত।