হুনা-লিকা তাবলূকুল্লুনাফছিম মা-আছলাফাত ওয়া রুদ্দূইলাল্লা-হি মাওলা-হুমুলহাক্কিওয়া দাল্লা ‘আনহুম মা-ক-নূইয়াফতারূন।উচ্চারণ
সে সময় প্রত্যেক ব্যক্তিই তার কৃতকর্মের স্বাদ নেবে। সবাইকে তার প্রকৃত মালিক আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে দেয়া হবে এবং তারা যে সমস্ত মিথ্যা তৈরী করে রেখেছিল। তা সব উধাও হয়ে যাবে। তাফহীমুল কুরআন
প্রত্যেকে অতীতে যা-কিছু করেছে, সেই সময়ে সে নিজেই তা যাচাই করে নেবে। #%১৯%# সকলকেই তাদের প্রকৃত মালিক আল্লাহর কাছে ফিরিয়ে নেওয়া হবে এবং তারা যে মিথ্যা রচনা করেছিল, তা তাদের থেকে নিরুদ্ধেশ হয়ে যাবে। #%২০%#মুফতী তাকী উসমানী
সেখানে প্রত্যেক ব্যক্তিই স্বীয় পূর্ব কৃতকর্মগুলি পরীক্ষা করে নিবে, এবং তাদেরকে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তিত করা হবে, যিনি তাদের প্রকৃত মালিক। আর যে সব মিথ্যা মা‘বূদ তারা বানিয়ে নিয়েছিল তারা সবাই তাদের থেকে দূরে সরে যাবে।মুজিবুর রহমান
সেখানে প্রত্যেকে যাচাই করে নিতে পারবে যা কিছু সে ইতিপূর্বে করেছিল এবং আল্লাহর প্রতি প্রত্যাবর্তন করবে যিনি তাদের প্রকৃত মালিক, আর তাদের কাছ থেকে দূরে যেতে থাকবে যারা মিথ্যা বলত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সেখানে তাদের প্রত্যেকে তার পূর্বকৃত কর্ম পরীক্ষা করে নিবে এবং এদেরকে এদের প্রকৃত অভিভাবক আল্লাহ্ র নিকট ফিরিয়ে আনা হবে আর এদের উদ্ভাবিত মিথ্যা এদের নিকট হতে অন্তর্হিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এখানে প্রত্যেকে ইতিপূর্বে যা করেছে, সে সম্পর্কে জানতে পারবে। আর তাদেরকে তাদের প্রকৃত অভিভাবক আল্লাহর কাছে ফিরিয়ে দেয়া হবে এবং তারা যা মিথ্যা রটাতো তা তাদের থেকে হারিয়ে যাবে।আল-বায়ান
সেখানে প্রতিটি আত্মা তার পূর্বকৃত কাজ (এর ফলাফল) দেখতে পাবে। তাদেরকে তাদের প্রকৃত অভিভাবক আল্লাহর নিকট ফিরিয়ে আনা হবে, আর তাদের রচিত সকল মিথ্যা তাদের থেকে বিলীন হয়ে যাবে।তাইসিরুল
সেখানে প্রত্যেক আত্মা উপলব্ধি করবে যা সে পূর্বে পাঠিয়েছে, আর তাদের ফিরিয়ে আনা হবে তাদের প্রকৃত অভিভাবক আল্লাহ্র নিকটে, আর তাদের কাছ থেকে বিদায় নেবে যাদের তারা উদ্ভাবন করেছিল।মাওলানা জহুরুল হক
অর্থাৎ তারা তো এই মিথ্যা বিশ্বাস তৈরি করে নিয়েছিল যে, দেব-দেবীরা তাদের পক্ষে সুপারিশ করবে, তাই পূজা-অর্চনা করে তাদের খুশি রাখা চাই, কিন্তু কিয়ামতের দিন সুপারিশের জন্য তাদের কোন পাত্তাই পাবে না। তারা তাদের থেকে সম্পূর্ণ নিরুদ্দেশ হয়ে যাবে। তখন তারা বুঝতে পারবে দেব-দেবীর পূজা কারাটা কেমন নিরর্থক ও নির্বুদ্ধিতার কাজ ছিল। -অনুবাদক
৩০. সেখানে তাদের প্রত্যেকে তার পূর্ব কৃতকর্ম পরীক্ষা করে নেবে(১) এবং তাদেরকে তাদের প্রকৃত অভিভাবক আল্লাহ্র কাছে ফিরিয়ে আনা হবে এবং তাদের উদ্ভাবিত মিথ্যা তাদের কাছ থেকে অন্তর্হিত হবে।
(১) আয়াতে এটা স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কিয়ামতের দিন প্রতিটি আত্মা পরীক্ষা করে নেবে এবং জানবে ভাল বা মন্দ যা সে আগে করেছে। (ইবন কাসীর) অন্য আয়াতেও আল্লাহ তা বলেছেন, “সেদিন মানুষকে অবহিত করা হবে সে কী আগে পাঠিয়েছে ও কী পিছনে রেখে গেছে।” (সূরা আল-কিয়ামাহ ১৩) আরও বলেন, “যেদিন গোপন বিষয় পরীক্ষিত হবে।” (সূরা আত-তারেক: ৯) আরও বলেন, “তুমি তোমার কিতাব পাঠ কর, আজ তুমি নিজেই তোমার হিসেব-নিকেশের জন্য যথেষ্ট।” (সূরা আল ইসরা: ১৪–১৫) আরও এসেছে, “আর উপস্থাপিত করা হবে আমলনামা এবং তাতে যা লিপিবদ্ধ আছে তার কারণে আপনি অপরাধিদেরকে দেখবেন আতংকগ্ৰস্ত এবং তারা বলবে, হায়, দুর্ভাগ্য আমাদের! এটা কেমন গ্রন্থ। এটা তো ছোট বড় কিছু বাদ না দিয়ে সব কিছুই হিসেব করে রেখেছে। আর তারা তাদের কৃতকর্ম সামনে উপস্থিত পাবে; আপনার রব তো কারো প্রতি যুলুম করেন না।” (সূরা আল-কাহাফ: ৪৯)
(৩০) সেদিন প্রত্যেক ব্যক্তিই স্বীয় পূর্ব কৃতকর্মগুলো যাচাই করে নেবে(1) এবং তাদেরকে তাদের প্রকৃত অভিভাবক (আল্লাহর) দিকে প্রত্যাবর্তিত করা হবে। আর যেসব মিথ্যা (উপাস্য) তারা বানিয়ে নিয়েছিল সেসব তাদের নিকট থেকে অদৃশ্য হয়ে যাবে। (2)
(1) অর্থাৎ জেনে নেবে বা স্বাদ গ্রহণ করবে।
(2) অর্থাৎ তথাকথিত কোন উপাস্য বা ত্রাণকর্তা সেখানে কোন কাজে আসবে না, কেউ কারোর কোন কষ্ট দূর করার ক্ষমতা রাখবে না।