ওয়া মাইঁ ইয়ারগাবু‘আম মিল্লাতি ইবর-হীমা ইল্লা-মান ছাফিহা নাফছাহু ওয়ালাকাদিসতাফাইনা-হু ফিদ্দুনইয়া-ওয়া ইন্নাহূ ফিল আ-খিরতি লামিনাসসা-লিহীন।উচ্চারণ
এখন কে ইবরাহীমের পদ্ধতিকে ঘৃণা করবে?হ্যাঁ, যে নিজেকে মূর্খতা ও নির্বুদ্ধিতায় আচ্ছন্ন করেছে সে ছাড়া আর কে এ কাজ করতে পারে? ইবরাহীমকে তো আমি দুনিয়ায় নিজের জন্য নির্বাচিত করেছিলাম আর আখেরাতে সে সৎকর্মশীলদের মধ্যে গণ্য হবে। তাফহীমুল কুরআন
যে ব্যক্তি নিজেকে নির্বোধ সাব্যস্ত করেছে, সে ছাড়া আর কে ইবরাহীমের পথ পরিহার করে? বাস্তবতা তো এই যে, আমি দুনিয়ায় তাকে (নিজের জন্য) বেছে নিয়েছি, আর আখিরাতে সে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত হবে।মুফতী তাকী উসমানী
এবং যে নিজকে নির্বোধ করে তুলেছে সে ব্যতীত কে ইবরাহীমের ধর্ম হতে বিমুখ হবে? এবং নিশ্চয়ই আমি তাকে এই পৃথিবীতে মনোনীত করেছিলাম, নিশ্চয়ই সে সৎ কর্মশীলগণের অন্তর্ভুক্ত ছিল।মুজিবুর রহমান
ইব্রাহীমের ধর্ম থেকে কে মুখ ফেরায়? কিন্তু সে ব্যক্তি, যে নিজেকে বোকা প্রতিপন্ন করে। নিশ্চয়ই আমি তাকে পৃথিবীতে মনোনীত করেছি এবং সে পরকালে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যে নিজেকে নির্বোধ করেছে সে ব্যতীত ইব্রাহীমের ধর্মাদর্শ হতে আর কে বিমুখ হবে। পৃথিবীতে তাকে আমি মনোনীত করেছি; আর আখিরাতেও সে অবশ্যই সৎকর্মপরায়ণগণের অন্যতম। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যে নিজকে নির্বোধ বানিয়েছে, সে ছাড়া কে ইবরাহীমের আদর্শ থেকে বিমুখ হতে পারে? আর অবশ্যই আমি তাকে দুনিয়াতে বেছে নিয়েছি এবং নিশ্চয় সে আখিরাতে নেককারদের অন্তর্ভুক্ত থাকবে।আল-বায়ান
সেই নির্বোধ ছাড়া অন্য এমন কে আছে যে মিল্লাতে ইব্রাহীম হতে ফিরে যাবে এবং নিশ্চয় আমি তাকে পছন্দ করেছি এবং আখেরাতেও সে নেককারদের অন্তর্গত হবে।তাইসিরুল
আর যে ইব্রাহীমের ধর্মমত থেকে অপসৃত হয় সে ছাড়া আর কে নিজেকে নির্বোধ বানায়? আর অবশ্যই আমরা তাঁকে এই দুনিয়াতে মনোনীত করেছিলাম, আর নিঃসন্দেহে তিনি আখেরাতে হবেন ধার্মিকদের অন্যতম।মাওলানা জহুরুল হক
১৩০. আর যে নিজেকে নির্বোধ করেছে সে ছাড়া ইবরাহীমের মিল্লাত হতে আর কে বিমুখ হবে! দুনিয়াতে তাকে আমরা মনোনীত করেছি; আর আখেরাতেও তিনি অবশ্যই সৎকর্মশীলদের অন্যতম।
১৩০। যে নিজেকে নির্বোধ করেছে সে ছাড়া ইব্রাহীমের ধর্মাদর্শ হতে আর কে বিমুখ হবে? পৃথিবীতে তাকে আমি মনোনীত করেছি; পরকালেও সে সৎ কর্মপরায়ণদের অন্যতম। (1)
(1) আরবী ভাষায় رَغِبَ শব্দের সাথে عَنْ অব্যয় যুক্ত হলে তার অর্থ দাঁড়ায় মুখ ফিরিয়ে নেওয়া বা বিমুখ হওয়া। এখানে মহান আল্লাহ ইবরাহীম (আঃ)-এর মর্যাদা ও তাঁর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করছেন, যা তিনি তাঁকে দুনিয়া ও আখেরাতে দান করেছেন এবং এ কথাও পরিষ্কার করে দিচ্ছেন যে, ইবরাহীম (আঃ)-এর ধর্ম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া বোকামি ছাড়া কিছুই নয়। কোন জ্ঞানীজন থেকে এটা কল্পনাও করা যায় না।