وَأَمَّا ٱلَّذِينَ فِي قُلُوبِهِم مَّرَضٞ فَزَادَتۡهُمۡ رِجۡسًا إِلَىٰ رِجۡسِهِمۡ وَمَاتُواْ وَهُمۡ كَٰفِرُونَ,

ওয়াআম্মাল্লাযীনা ফী কুলূবিহিম মারদুন ফাঝা-দাতহুম রিজছান ইলা-রিজছিহিম ওয়ামা-তূ ওয়াহুম ক-ফিরূন।উচ্চারণ

তবে যাদের অন্তরে (মুনাফিকী) রোগ বাসা বেঁধেছিল তাদের পূর্ব কলুষতার ওপর (প্রত্যেকটি নতুন সূরা) আরো একটি কলুষতা বাড়িয়ে দিয়েছে ১২৪ এবং তারা মৃত্যু পর্যন্ত কুফরীতে লিপ্ত রয়েছে। তাফহীমুল কুরআন

আর যাদের অন্তরে ব্যাধি আছে, এ সূরা তাদের কলুষের সাথে আরও কলুষ যুক্ত করে #%১১০%# এবং তাদের মৃত্যুও ঘটে কাফের অবস্থায়মুফতী তাকী উসমানী

কিন্তু যাদের অন্তরসমূহে ব্যাধি রয়েছে, এই সূরা তাদের মধ্যে তাদের কলুষতার সাথে আরও কলুষতা বর্ধিত করেছে, আর তাদের কুফরী অবস্থায়ই মৃত্যু হয়েছে।মুজিবুর রহমান

বস্তুতঃ যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে এটি তাদের কলুষের সাথে আরো কলুষ বৃদ্ধি করেছে এবং তারা কাফের অবস্থায়ই মৃত্যু বরণ করলো।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আর যাদের অন্তরে ব্যাধি আছে, এটা তাদের কলুষের সঙ্গে আরও কলুষ যুক্ত করে এবং তাদের মৃত্যু ঘটে কাফির অবস্থায়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে, এটি তাদের অপবিত্রতার সাথে অপবিত্রতা বৃদ্ধি করে এবং তারা মারা যায় কাফির অবস্থায়।আল-বায়ান

আর যাদের অন্তরে ব্যাধি আছে তাদের নাপাকীর উপর আরো নাপাকী বাড়িয়ে দেয় (প্রতিটি নতুন সূরা), আর তাদের মৃত্যু হয় কাফির অবস্থায়।তাইসিরুল

আর তাদের ক্ষেত্রে যাদের অন্তরে রয়েছে ব্যাধি, -- এ তখন তাদের কলুষতার সঙ্গে কলুষতা তাদের জন্য বাড়িয়ে তোলে, আর তারা প্রাণত্যাগ করে, আর তারা রয়ে যায় অবিশ্বাসী।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১২৪

ঈমান, কুফরী ও মুনাফিকীর মধ্যে কম-বেশী হওয়ার অর্থ কি? এর আলোচনা দেখুন সূরা আনফালের ২ টীকায়।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ কুফর ও মুনাফিকীর কলুষ-কালিমা তো আগেই তাদের মধ্যে ছিল। এবার নতুন আয়াতকে অস্বীকার ও বিদ্রূপ করার ফলে সেই কলুষে মাত্রা যোগ হল।

তাফসীরে জাকারিয়া

১২৫. আর যাদের অন্তরে ব্যাধি আছে, এটা তাদের কলুষের সাথে আরো কলুষ যুক্ত করে। আর তাদের মৃত্যু ঘটে কাফের অবস্থায়।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১২৫) পক্ষান্তরে যাদের অন্তরে রোগ রয়েছে, এই সূরা তাদের অপবিত্রতার সাথে আরো অপবিত্রতা বর্ধিত করেছে এবং তারা কাফের অবস্থাতেই মৃত্যুবরণ করেছে। (1)

(1) অন্তরে রোগের অর্থ হল মুনাফিকি এবং আল্লাহর আয়াত বিষয়ে সন্দেহ। (আল্লাহ তাআলা) বলেন, এই সূরাসমূহ মুনাফিকদেরকে তাদের মুনাফিকি ও অপবিত্রতা আরো বৃদ্ধি করে এবং তারা নিজেদের কুফরী ও মুনাফিকিতে এমন সুদৃঢ় হয়ে যায় যে, তাদের ভাগ্যে তওবা করার সুযোগই লাভ হয় না। ফলে কুফরীর উপরেই তাদের মৃত্যু ঘটে। যেমন আল্লাহ তাআলা অন্য স্থানে বলেছেন, ‘‘আমি অবতীর্ণ করি কুরআন, যা বিশ্বাসীদের জন্য আরোগ্য ও করুণা, কিন্তু তা সীমালংঘনকারীদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করে।’’ (বানী ইস্রাঈলঃ ৮২) এটা ঠিক তাদের চূড়ান্ত দুর্ভাগ্য যে, যে জিনিস দ্বারা মানুষের অন্তর হিদায়াতপ্রাপ্ত হয়, সেই জিনিসই তাদের ভ্রষ্টতা ও ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যেমন কোন ব্যক্তির স্বাস্থ্য ও পেট খারাপ থাকলে, যে খাবার দ্বারা মানুষ শক্তি ও সুস্বাদ গ্রহণ করে, সেই খাবার সেই ব্যক্তির রোগ বৃদ্ধির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।