ফাইম্মা-তাছকাফান্নাহুম ফিল হারবি ফাশাররিদ বিহিম মান খালফাহুম লা‘আল্লাহুম ইয়াযযাক্কারূন।উচ্চারণ
কাজেই এ লোকদের যদি তোমরা যুদ্ধের মধ্যে পাও, তাহলে তাদের এমনভাবে মার দেবে যেন তাদের পরে অন্য যারা এমনি ধরনের আচরণ করতে চাইবে, তারা দিশা হারিয়ে ফেলে। ৪২ আশা করা যায়, চুক্তি ভংগকারীদের এ পরিণাম থেকে তারা শিক্ষা গ্রহণ করবে। তাফহীমুল কুরআন
সুতরাং যুদ্ধকালে যদি তুমি তাদেরকে নাগালে পাও, তবে (তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে) তাদের মাধ্যমে তাদের পশ্চাদ্বর্তীদেরকেও বিক্ষিপ্ত করে ফেলবে, যাতে তারা শিক্ষা গ্রহণ করে। #%৪০%#মুফতী তাকী উসমানী
অতএব তোমরা যদি তাদেরকে যুদ্ধের মাইদানে আয়ত্তে আনতে পার তাহলে তাদেরকে তাদের পিছনে যারা রয়েছে তাদের হতে বিচ্ছিন্ন করে এমনভাবে শায়েস্তা কর যাতে তারা শিক্ষা পায়।মুজিবুর রহমান
সুতরাং যদি কখনো তুমি তাদেরকে যুদ্ধে পেয়ে যাও, তবে তাদের এমন শাস্তি দাও, যেন তাদের উত্তরসূরিরা তাই দেখে পালিয়ে যায়; তাদেরও যেন শিক্ষা হয়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যুদ্ধে এদেরকে তোমরা যদি তোমাদের আয়ত্তে পাও তবে এদেরকে এদের পিছনে যারা আছে, তাদের হতে বিচ্ছিন্ন করে এমনভাবে বিধ্বস্ত করবে, যাতে এরা শিক্ষা লাভ করে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সুতরাং যদি তুমি যুদ্ধে তাদেরকে নাগালে পাও, তাহলে এদের মাধ্যমে এদের পেছনে যারা রয়েছে তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দাও, যাতে তারা শিক্ষা গ্রহণ করে।আল-বায়ান
যুদ্ধে তোমরা যদি তাদেরকে বাগে পেয়ে যাও তাহলে ওদের পেছনে যারা ওদের সাথী-সঙ্গী আছে তাদের থেকে ওদেরকে এমনভাবে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে যাতে মনে রাখার মত তারা একটা শিক্ষা পেয়ে যায়।তাইসিরুল
সুতরাং যুদ্ধের মধ্যে যদি তাদের করায়ত্ত করো তবে তাদের দ্বারা যারা তাদের পশ্চাদনুসরণ করে তাদের বিধবস্ত করো, যেন তারা সতর্কতা অবলন্বন করে।মাওলানা জহুরুল হক
৪২
এর অর্থ হচ্ছে, যদি কোন জাতির সাথে আমাদের চুক্তি হয়, তারপর তারা নিজেদের চুক্তির দায়িত্ব বিসর্জন দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়, তাহলে আমরাও চুক্তির নৈতিক দায়িত্ব থেকে মুক্ত হয়ে যাবো। এক্ষেত্রে আমরাও তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ন্যায়সঙ্গত অধিকার লাভ করবো। তাছাড়া যদি কোন জাতির সাথে আমাদের যুদ্ধ চলতে থাকে এবং আমরা দেখি, শত্রুপক্ষের সাথে এমন এক সম্প্রদায়ের লোকরাও যুদ্ধে শামিল হয়েছে যাদের সাথে আমাদের চুক্তি রয়েছে তাহলে আমরা তাদেরকে হত্যা করতে এবং তাদের সাথে শত্রুর মত ব্যবহার করতে একটুও দ্বিধা করবো না। কারণ তারা ব্যক্তিগতভাবে নিজেদের সম্প্রদায়ের চুক্তি ভঙ্গ করে তাদের ধন-প্রাণের নিরাপত্তার প্রশ্নে তাদের সম্প্রদায়ের সাথে আমাদের যে চুক্তি রয়েছে তা লংঘন করেছে। ফলে নিজেদের নিরাপত্তার অধিকার তারা প্রমাণ করতে পারেনি।
অর্থাৎ তারা যদি কোন যুদ্ধে মুসলিমদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ময়দানে আসে, তবে তাদেরকে এমন শিক্ষা দিতে হবে, যাতে বিশ্বাস ভঙ্গের পরিণাম কেবল তাদেরকেই নয়; বরং তাদের পিছনে থেকে যারা তাদেরকে উস্কানি দেয় তাদেরকেও ভোগ করতে হয় এবং তাদের সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়ে যায়।
৫৭. অতঃপর যুদ্ধে তাদেরকে যদি আপনি আপনার আয়ত্তে পান, তবে তাদের (শাস্তিদানের) মাধ্যমে তাদের পিছনে যারা আছে তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দিন, যাতে তারা শিক্ষা লাভ করে।(১)
(১) আয়াতের অর্থ, “আপনি যদি কোন যুদ্ধে তাদের উপর ক্ষমতা লাভে সমর্থ হয়ে যান, তবে তাদের এমন কঠোর শাস্তি দিন যা অন্যদের জন্যও দৃষ্টান্ত হয়ে যায়।” এর মর্ম হল এই যে, তাদেরকে এমন শাস্তিই যেন দেয়া হয়, যা দেখে মক্কার মুশরিক ও অন্যান্য শক্র সম্প্রদায়গুলোও প্রভাবিত হবে এবং ভবিষ্যতে মুসলিমদের মোকাবেলা করার সাহস করবে না। (তাবারী) হয়তবা এহেন অবস্থা দেখে এরা কিছুটা চেতনা ফিরে পাবে এবং নিজেদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে নিজেদের সংশোধন করে নেবে অথবা অঙ্গিকার ভঙ্গ করা ত্যাগ করবে। (তাবারী)
(৫৭) যুদ্ধে ওদেরকে তোমরা যদি তোমাদের আয়ত্তে পাও, তাহলে তাদেরকে এমন শায়েস্তা কর, যাতে ওদের পশ্চাতে যারা আছে তারা বিক্ষিপ্ত হয়ে পলায়ন করে। (1) সম্ভবতঃ তারা শিক্ষা লাভ করবে।
(1) شرِّدْ بهم বলতে তাদেরকে এমন মার মারো, যাতে তাদের পশ্চাতে তাদের পৃষ্ঠপোষক এবং সাথীদের মাঝে ভাগ-দৌড় অবস্থা সৃষ্টি হয়ে যায়। এমন কি তারা তোমার দিকে এই আশংকায় অগ্রসর না হয় যে, হতে পারে তাদেরও সেই অবস্থা হবে, যে অবস্থা তাদের অগ্রবর্তীদের হয়েছে।