ইন্না শাররদ্দাওয়াব্বি ‘ইনদাল্লা-হিল্লাযীনা কাফারূফাহুম লা-ইউ’মিনূন।উচ্চারণ
অবশ্যি আল্লাহর কাছে যমীনের ওপর বিচরনশীল জীবের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট হচ্ছে তারাই, যারা সত্যকে মেনে নিতে অস্বীকার করেছে। তারপর তারা আর কোন মতেই তা গ্রহণ করতে প্রস্তুত নয়। তাফহীমুল কুরআন
নিশ্চয়ই (ভূ-পৃষ্ঠে বিচরণকারী প্রাণীদের মধ্যে) আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট জীব হল তারা যারা কুফর অবলম্বন করেছে, যে কারণে তারা ঈমান আনয়ন করছে না। #%৩৮%#মুফতী তাকী উসমানী
নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট নিকৃষ্ট জীব তারাই যারা কুফরী করে এবং যারা ঈমান আনেনা।মুজিবুর রহমান
সমস্ত জীবের মাঝে আল্লাহর নিকট তারাই সবচেয়ে নিকৃষ্ট, যারা অস্বীকারকারী হয়েছে অতঃপর আর ঈমান আনেনি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আল্লাহ্ র নিকট নিকৃষ্ট জীব তারাই যারা কুফরী করে এবং ঈমান আনে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় আল্লাহর নিকট সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রাণী তারা, যারা কুফরী করে, অতঃপর ঈমান আনে না।আল-বায়ান
যারা কুফরী করে আল্লাহর নিকট তারাই নিকৃষ্টতম জীব, অতঃপর আর তারা ঈমান আনবে না।তাইসিরুল
নিঃসন্দেহ আল্লাহ্র কাছে নিকৃষ্টতম জীব হচ্ছে তারা যারা অবিশ্বাস পোষণ করে, কাজেই তারা ঈমান আনে না ।মাওলানা জহুরুল হক
এর জন্য পিছনে ২২নং আয়াতের টীকা দেখুন।
৫৫. বিচরণকারী প্রাণীদের মধ্যে তারাই তো অল্লাহ্র কাছে নিকৃষ্ট, যারা কুফরী করেছে। সুতরাং তারা ঈমান আনবে না।
(৫৫) নিশ্চয় আল্লাহর নিকট নিকৃষ্টতম জীব তারাই, যারা সত্য প্রত্যাখ্যান (কুফরী) করেছে। সুতরাং তারা বিশ্বাস (ঈমান আনয়ন) করবে না। (1)
(1) شر الناس (নিকৃষ্টতম মানুষ) এর পরিবর্তে তাদেরকে شر الدوابّ (নিকৃষ্টতম জীব) বলা হয়েছে; যা আভিধানিক অর্থ হিসাবে এটা মানুষ ও চতুষ্পদ জন্তু প্রভৃতির ক্ষেত্রেও ব্যবহার হয়। কিন্তু সাধারণতঃ এর ব্যবহার চতুষ্পদ জন্তুর ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। বুঝা যায় যে, কাফেরদের সম্পর্ক মানুষের সাথে নয়। (বরং জন্তুর সাথে নিজের সৃষ্টিকর্তাকে অস্বীকার ও অমান্য করে) কুফরে পতিত হয়ে তারা চতুষ্পদ জন্তু; বরং তার থেকেও নিকৃষ্ট জীব হয়ে গেছে।