ইয়া আইয়ুহাল্লাযীনা আ-মানূ-ইযা- লাকীতুমুল্লাযীনা কাফারূ ঝাহফান ফালাতুওয়াল্লুহুমুল আদবা-র।উচ্চারণ
হে ঈমানদারগণ! যখন তোমরা একটি সেনাবাহিনীর আকারে কাফেরদের মুখোমুখি হও, তখন তাদের মোকাবিলায় পৃষ্ঠ প্রদর্শন করো না। তাফহীমুল কুরআন
হে মুমিনগণ! যখন তোমরা হানাদার কাফিরদের মুখোমুখি হও, তখন তাদেরকে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করো না।মুফতী তাকী উসমানী
হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন কাফির বাহিনীর সম্মুখীন হবে তখন তাদের মুকাবিলা করা হতে কখনোই পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবেনা।মুজিবুর রহমান
হে ঈমানদারগণ, তোমরা যখন কাফেরদের সাথে মুখোমুখী হবে, তখন পশ্চাদপসরণ করবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
হে মু’মিনগণ! তোমরা যখন কাফির বাহিনীর সম্মুখীন হবে তখন তোমরা তাদের পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে না; ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে মুমিনগণ, তোমরা যখন কাফিরদের মুখোমুখি হবে বিশাল বাহিনী নিয়ে, তখন তাদের থেকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করো না।আল-বায়ান
হে মু’মিনগণ! তোমরা যখন যোদ্ধা-বাহিনীরূপে কাফিরদের সম্মুখীন হও, তখন তাদেরকে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে না।তাইসিরুল
ওহে যারা ঈমান এনেছ! যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তাদের যখন তোমরা দেখা পাও যুদ্ধযাত্রা করছে তখন তাদের দিকে পিঠ ফেরাবে না।মাওলানা জহুরুল হক
১৫. হে মুমিনগণ! তোমরা যখন কাফের বাহিনীর সম্মুখীন(১) হবে পরস্পর নিকটবর্তী অবস্থায়, তখন তোমরা তাদের সামনে পিঠ ফিরাবে না;
(১) এ আয়াতে زحف শব্দের মর্মার্থ হলো, উভয় বাহিনীর মোকাবেলা ও সংঘর্ষ। দুটি দল পরস্পর নিকটবর্তী হওয়া। (ফাতহুল কাদীর) আয়াতের অর্থ এমনভাবে যুদ্ধ আরম্ভ হয়ে যাবার পর পশ্চাদপসরণ এবং যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যাওয়া মুসলিমদের জন্য জায়েয নয়। আল্লাহ্ তা'আলা এর থেকে ঈমানদারদেরকে নিষেধ করছেন। (ফাতহুল কাদীর)
(১৫) হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা যখন (যুদ্ধকালে) অবিশ্বাসী বাহিনীর সম্মুখীন হবে, তখন (তাদের মুকাবিলা করতে) পৃষ্ঠপ্রদর্শন করো না।(1)
(1) زحفا এর অর্থ হল এক অন্যের সম্মুখীন হওয়া। অর্থাৎ, মুসলিম ও কাফের যখন এক অপরের সম্মুখীন হবে, তখন পৃষ্ঠপ্রদর্শন করার অনুমতি নেই। একটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, إجتنبوا السبع الموبقات সাতটি ধ্বংসকারী পাপ হতে বাঁচ, এই সাতটির মধ্যে একটি হল التولى يوم الزحف শত্রু সম্মুখীন অবস্থায় পৃষ্ঠপ্রদর্শন করা (পলায়ন করা)। (বুখারীঃ কিতাবুল অসা-ইয়া, মুসলিমঃ ঈমান অধ্যায়)