وَإِن تَدۡعُوهُمۡ إِلَى ٱلۡهُدَىٰ لَا يَتَّبِعُوكُمۡۚ سَوَآءٌ عَلَيۡكُمۡ أَدَعَوۡتُمُوهُمۡ أَمۡ أَنتُمۡ صَٰمِتُونَ

ওয়া ইন তাদ‘উহুম ইলাল হুদা-লা-ইয়াত্তাবি‘উকুম ছাওয়াউন ‘আলাইকুম আদা‘আওতুমূহুম আম আনতুম সা-মিতূন।উচ্চারণ

যদি তোমরা তাদেরকে সত্য-সরল পথে আসার দাওয়াত দাও, তাহলে তারা তোমাদের পেছনে আসবে না, তোমরা তাদেরকে ডাকো বা চুপ করে থাকো উভয় অবস্থায়ই ফল তোমাদের জন্য সমানই থাকবে। ১৪৭ তাফহীমুল কুরআন

তোমরা যদি তাদেরকে সঠিক পথের দিকে ডাক, তবে তারা তোমাদের কথা মানবে না; (বরং) তোমরা তাদেরকে ডাক বা চুপ থাক, উভয় তাদের জন্য সমান।মুফতী তাকী উসমানী

তোমরা যদি ওদেরকে সৎ পথে ডাক তাহলে তারা তোমাদের অনুসরণ করবেনা, তাদেরকে ডাকা অথবা চুপ করে থাকা উভয়ই তোমাদের পক্ষে সমান।মুজিবুর রহমান

আর তোমরা যদি তাদেরকে আহবান কর সুপথের দিকে, তবে তারা তোমাদের আহবান অনুযায়ী চলবে না। তাদেরকে আহবান জানানো কিংবা নীরব থাকা উভয়টিই তোমাদের জন্য সমান।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তোমরা এদেরকে সৎপথে আহ্বান করলেও এরা তোমাদেরকে অনুসরণ করবে না; তোমরা এদেরকে আহ্বান কর বা চুপ করে থাক, তোমাদের পক্ষে উভয়ই সমান। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তোমরা যদি তাদেরকে হিদায়াতের দিকে আহবান কর, তারা তোমাদের অনুসরণ করবে না। তোমরা তাদেরকে ডাক অথবা তোমরা চুপ থাক, তা তোমাদের নিকট সমান।আল-বায়ান

তোমরা তাদেরকে যদি সত্যপথে চলার জন্য ডাক, তারা তোমাদের অনুসরণ করবে না। তাদেরকে ডাক কিংবা চুপচাপ থাক, তোমাদের জন্য উভয়ই সমান।তাইসিরুল

আর যদি তোমরা তাদের আহ্বান করো সৎপথের প্রতি, তারা তোমাদের অনুসরণ করবে না। তোমরা তাদের আহ্বান করো অথবা তোমরা চুপচাপ থাকো, তোমাদের জন্যে সমান।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৪৭

অর্থাৎ মুশরিকদের বাতিল মাবুদদের অবস্থা হচ্ছে এই যে, তাদের পক্ষে কাউকে সঠিক পথ দেখানো এবং নিজেদের অনুগামী ও পূজারীদেরকে পথের সন্ধান দেয়া তো দূরের কথা, তারা তো কোন পথপ্রদর্শকের অনুসরণ করারও যোগ্যতা রাখে না। এমনকি কোন আহ্বানকারীর আহবানের জবাব দেবার ক্ষমতাও তাদের নেই।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১৯৩. আর তোমরা তাদেরকে সৎপথে ডাকলেও তারা তোমাদেরকে অনুসরণ করবে না; তোমরা ওদেরকে ডাক বা চুপ থাক, তোমাদের জন্য উভয়ই সমান।(১)

(১) অর্থাৎ মুশরিকদের বাতিল মা’বুদদের অবস্থা হচ্ছে এই যে, তাদের পক্ষে কাউকে সঠিক পথ দেখানো এবং নিজেদের অনুগামী ও পূজারীদেরকে পথের সন্ধান দেয়া তো দূরের কথা, তারা তো কোন পথপ্রদর্শকের অনুসরণ করারও যোগ্যতা রাখে না। এমন কি কোন আহবানকারীর আহবানের জবাব দেবার ক্ষমতাও তাদের নেই। তাদেরকে কেউ ডাকল কি তাদেরকে পিষে ফেলল, সবই তাদের কাছে সমান। একথাটিই ইবরাহীম আলাইহিস সালাম তার পিতাকে বলেছিলেন, “যখন তিনি তার পিতাকে বললেন, হে আমার প্রিয় পিতা! আপনি তার ইবাদাত করেন কেন যে শুনে না, দেখে না এবং আপনার কোন কাজেই আসে না? (সূরা মারইয়াম: ৪২) (ইবন কাসীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৯৩) তোমরা তাদেরকে সৎপথের দিকে আহবান করলে ওরা তোমাদের অনুসরণ করবে না।(1) তোমরা ওদেরকে আহবান কর অথবা চুপ করে থাক, তোমাদের পক্ষে উভয়ই সমান।

(1) অর্থাৎ, তোমাদের কথামত তারা কাজ করবে না। এর দ্বিতীয় অর্থ এও হতে পারে যে, তোমরা তাদের নিকট হতে পথনির্দেশ ও হিদায়াত চাও, তাহলে না তারা তোমাদের কথা মানবে, আর না কোন উত্তর দেবে। (ফাতহুল কাদীর)