ওয়া কাযা-লিকা নুফাসসিলুল আ-য়া-তি ওয়া লা‘আল্লাহুম ইয়ারজি‘ঊন।উচ্চারণ
দেখো, এভাবে আমি নিদর্শনসমূহ সুস্পষ্টভাবে পেশ করে থাকি। ১৩৬ আর এ জন্য করে থাকি যাতে তারা ফিরে আসে। ১৩৭ তাফহীমুল কুরআন
এভাবেই আমি নিদর্শনাবলী বিশদভাবে বিবৃত করে থাকি, যাতে মানুষ (সত্যের দিকে) ফিরে আসে।মুফতী তাকী উসমানী
এভাবেই আমি নিদর্শনাবলী বিশদভাবে বিবৃত করি যাতে তারা ফিরে আসে।মুজিবুর রহমান
বস্তুতঃ এভাবে আমি বিষয়সমূহ সবিস্তারে বর্ণনা করি, যাতে তারা ফিরে আসে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এইভাবে নিদর্শন বিশদভাবে বিবৃত করি যাতে তারা প্রত্যাবর্তন করে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর এভাবেই আমি আয়াতসমূহ বিস্তারিত বর্ণনা করি, যাতে তারা ফিরে আসে।আল-বায়ান
এভাবে আমি নিদর্শনসমূহ বিশদভাবে বিবৃত করছি, আর হয়ত তারা (আমার পথে) ফিরে আসবে।তাইসিরুল
আর এইভাবে আমাদের নির্দেশাবলী আমরা ব্যাখ্যা করি যেন তারা ফিরে আসে।মাওলানা জহুরুল হক
১৩৬
অর্থাৎ সত্যকে উপলব্ধি করার ও চিনে নেবার যেসব উপকরণ ও নিদর্শন মানুষের নিজের মধ্যে রয়েছে সেগুলো পরিষ্কারভাবে তুলে ধরি।
১৩৭
অর্থাৎ বিদ্রোহ ও বিকৃতি-বিভ্রান্তির নীতি পরিত্যাগ করে বন্দেগী ও আল্লাহর আনুগত্যের আচরণের দিকে যেন ফিরে আসে।
১৭৪. আর এভাবে আমরা নিদর্শন বিশদভাবে বর্ণনা করি যাতে তারা ফিরে আসে।(১)
(১) এ আয়াতে আল্লাহর নিদর্শণাবলী বর্ণনার কারণ ব্যাখ্যা করে বলা হচ্ছে যে, আমরা নিদর্শনগুলোকে সবিস্তারে বর্ণনা করে থাকি, যাতে মানুষ শৈথিল্য, গাফলতি ও অনাচার থেকে ফিরে আসে। অর্থাৎ আল্লাহর নিদর্শনসমূহ সম্পর্কে কেউ যদি সামান্য লক্ষ্যও করে, তাহলে সে সেই সৃষ্টিলগ্নের প্রতিজ্ঞা-প্রতিশ্রুতির দিকে ফিরে আসতে পারে। অর্থাৎ একটু লক্ষ্য করলেই তারা শির্ক থেকে ফিরে আসবে এবং আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের পালনকর্তা হওয়ার স্বীকৃতি দিতে শুরু করবে। তার পথের দিকে প্রত্যাবর্তন করবে। (মুয়াস্সার)
(১৭৪) আর এভাবে নিদর্শনসমূহ আমি বিবৃত করি, যাতে তারা প্রত্যাবর্তন করে।