وَقَالُواْ مَهۡمَا تَأۡتِنَا بِهِۦ مِنۡ ءَايَةٖ لِّتَسۡحَرَنَا بِهَا فَمَا نَحۡنُ لَكَ بِمُؤۡمِنِينَ

ওয়া ক-লূমাহমা-তা‘তিনা-বিহী মিন আ-য়াতিল লিতাছহারনা-বিহা- ফামা-নাহনু লাকা বিমু‘মিনীন।উচ্চারণ

তারা মূসাকে বললোঃ আমাদের যাদু করার জন্য তুমি যে কোন নিদর্শনই আনো না কেন, আমরা তোমার কথা মেনে নেবো না। ৯৪ তাফহীমুল কুরআন

এবং তারা (মূসাকে) বলত, আমাদেরকে যাদু করার জন্য তুমি আমাদের সামনে যে-কোনও নিদর্শনই উপস্থিত কর না কেন, আমরা তোমার প্রতি ঈমান আনার নই।মুফতী তাকী উসমানী

তারা বললঃ আমাদেরকে যাদু করার জন্য যে কোন নিদর্শনই পেশ করনা কেন আমরা তাতে ঈমান আনবনা।মুজিবুর রহমান

তারা আরও বলতে লাগল, আমাদের উপর জাদু করার জন্য তুমি যে নিদর্শনই নিয়ে আস না কেন আমরা কিন্তু তোমার উপর ঈমান আনছি না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তারা বলল, ‘আমাদেরকে জাদু করার জন্যে তুমি যে কোন নিদর্শন আমাদের নিকট পেশ কর না কেন আমরা তোমাতে বিশ্বাস করব না।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তারা বলল, ‘তুমি আমাদেরকে যাদু করার জন্য যে কোন নিদর্শন আমাদের কাছে নিয়ে আস না কেন আমরা তো তোমার প্রতি ঈমান আনব না।’আল-বায়ান

তারা বলল, ‘আমাদেরকে যাদুগ্রস্ত করার জন্য তুমি যে কোন নিদর্শনই নিয়ে আস না কেন, আমরা কিছুতেই তোমাতে বিশ্বাস করব না।’তাইসিরুল

আর তারা বললে -- "তুমি নিদর্শন থেকে যে কোনোটাই আমাদের কাছে আনো না কেন তা দিয়ে আমাদের জাদু করতে, আমরা কিন্তু তোমাতে বিশ্বাস স্থাপনকারী হবো না।"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৯৪

ফেরাউনের সভাসদরা এমন একটি জিনিসকে যাদু গণ্য করছিল, যে সম্পর্কে তারা নিজেরাও নিশ্চিতভাবে জানতো যে, তা যাদুর ফল হতে পারে না। এটা তাদের চরম হঠকারিতা ও বাগাড়ম্বর ছাড়া আর কিছুই ছিল না। একটি দেশের সমগ্র এলাকায় দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়া এবং একনাগাড়ে কয়েক বছর কম ফসল উৎপাদন ও ফসলহানি হওয়া কোন যাদুর কারসাজি হতে পারে বলে সম্ভবত কোন নির্বোধও বিশ্বাস করবে না। এ জন্যই কুরআন মজীদ বলছেঃ

فَلَمَّا جَاءَتْهُمْ آيَاتُنَا مُبْصِرَةً قَالُوا هَذَا سِحْرٌ مُبِينٌ وَجَحَدُوا بِهَا وَاسْتَيْقَنَتْهَا أَنْفُسُهُمْ ظُلْمًا

“যখন আমার নিদর্শনসমূহ প্রকাশ্যে তাদের দৃষ্টি সম্মুখে এসে গেলো তখন তারা বললো, এটা তো সুস্পষ্ট যাদু। অথচ তাদের মন ভিতর থেকে স্বীকার করে নিয়েছিল, কিন্তু তারা নিছক জুলুম ও বিদ্রোহের কারণে তা অস্বীকার করলো।” (আন নামল ১৩-১৪ আয়াত।)

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১৩২. আর তারা বলত, আমাদেরকে জাদু করার জন্য তুমি যে কোন নিদর্শন আমাদের কাছে পেশ কর না কেন, আমরা তোমার উপর ঈমান আনব না।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৩২) তারা বলল, ‘আমাদেরকে যাদু করার জন্য তুমি যে কোন নিদর্শন আমাদের নিকট উপস্থিত কর না কেন, আমরা তোমাতে বিশ্বাস করব না।’ (1)

(1) এটি তাদের কুফরী ও অস্বীকারের বহিঃপ্রকাশ, যাতে তারা ডুবে ছিল। মু’জিযা ও আল্লাহর নিদর্শনাবলীকে এখনো পর্যন্ত তারা যাদুকরের কাজ বলেই মনে করত।