ক-লা আলকূ ফালাম্মা আলকাও ছাহারূআ‘ইউনান না-ছি ওয়াছতারহাবূহুম ওয়া জাঊ বিছিহরিন ‘আজীম।উচ্চারণ
মূসা জবাব দিলোঃ “তোমরাই ছোঁড়ো।” তারা যখনই নিজেদের যাদুর বাণ ছুঁড়লো তখনই তা লোকদের চোখে যাদু করলো, মনে আতঙ্ক ছড়ালো এবং তারা বড়ই জবরদস্ত যাদু দেখালো। তাফহীমুল কুরআন
মূসা বলল, তোমরাই নিক্ষেপ কর। সুতরাং তারা যখন (তাদের রশি ও লাঠি) নিক্ষেপ করল, তখন তারা লোকের চোখে যাদু করল, তাদেরকে আতঙ্কিত করল এবং বিরাট যাদু প্রদর্শন করল।মুফতী তাকী উসমানী
বললঃ তোমরাই নিক্ষেপ কর। সুতরাং যখন যাদুকরেরা নিক্ষেপ করল তখন লোকের চোখে ধাঁধাঁর সৃষ্টি করল এবং তাদেরকে ভীত ও আতংকিত করল, তারা এক বড় রকমের যাদু দেখাল।মুজিবুর রহমান
তিনি বললেন, তোমরাই নিক্ষেপ কর। যখন তারা নিক্ষেপ করল তখন লোকদের চোখগুলোকে বাধিয়ে দিল, ভীত-সন্ত্রস্ত করে তুলল এবং মহাযাদু প্রদর্শন করল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সে বলল, ‘তোমরাই নিক্ষেপ কর’। যখন তারা নিক্ষেপ করল তখন তারা লোকের চোখে জাদু করল, তাদেরকে আতংকিত করল আর তারা এক বড় রকমের জাদু দেখাল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সে বলল, ‘তোমরা নিক্ষেপ কর।’ অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল তখন তারা লোকদের চোখে যাদু করল এবং তাদেরকে ভীত করে তুলল। তারা বড় যাদু প্রদর্শন করল।আল-বায়ান
সে বলল, ‘তোমরাই ছুঁড়’। যখন তারা বান ছুঁড়ল তখন লোকজনের চোখ যাদুগ্রস্ত হয়ে গেল, তারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ল। তারা বড়ই সাংঘাতিক এক যাদু দেখাল।তাইসিরুল
তিনি বললেন -- "তোমরাই ফেলো।" অতঃপর যখন তারা ফেললো তখন লোকদের চোখে ধাঁধাঁ লাগিয়ে দিল আর তাদের ভয়াতুর করলো, আর তারা নিয়ে এলো এক বড় রকমের জাদু!মাওলানা জহুরুল হক
১১৬. তিনি বললেন, ‘তোমরাই নিক্ষেপ কর। যখন তারা নিক্ষেপ করল, তখন তারা লোকদের চোখে জাদু করল, তাদেরকে আতংকিত করল এবং তারা এক বড় রকমের জাদু নিয়ে এল।(১)
(১) অর্থাৎ জাদুকররা যখন তাদের লাঠি ও দড়িগুলো মাটিতে নিক্ষেপ করল, তখন দর্শকদের নযরবন্দী করে দিয়ে তাদের উপর ভীতি সঞ্চারিত করে দিল এবং মহাজাদু দেখাল। এ আয়াতের দ্বারা বুঝা যায় যে, তাদের জাদু ছিল এক প্রকার নযরবন্দী যাতে দর্শকদের মনে হতে লাগল যে, এই লাঠি আর দড়িগুলো সাপ হয়ে দৌড়াচ্ছে। অথচ প্রকৃতপক্ষে সেগুলো ছিল তেমনি লাঠি ও দড়ি যা পূর্বে ছিল, সাপ হয়নি। এটা এক রকম সম্মোহনী, যার প্রভাব মানুষের কল্পনা ও দৃষ্টিকে ধধিয়ে দেয়। (ইবন কাসীর) কিন্তু তাই বলে এ কথা প্রতীয়মান হয় না যে, জাদু এ প্রকারেই সীমাবদ্ধ। বরং জাদুর বিভিন্ন প্রকার রয়েছে। প্রত্যেক প্রকার অনুসারে শরীআতে তার বিধানও ভিন্ন হয়ে থাকে।
(১১৬) সে বলল, ‘তোমরাই (প্রথমে) নিক্ষেপ কর।’(1) সুতরাং যখন তারা নিক্ষেপ করল, তখন তারা লোকের চোখে যাদু করল, তাদেরকে আতঙ্কিত করল এবং তারা এক বড় রকমের যাদু দেখাল।(2)
(1) কিন্তু যেহেতু মূসা (আঃ) ছিলেন আল্লাহর রসূল। তিনি ছিলেন সাহায্যপ্রাপ্ত। সেই জন্য আল্লাহর সাহায্যের উপর তাঁর পূর্ণ বিশ্বাস ছিল। সুতরাং তিনি নির্ভয়ে ও নির্দ্বিধায় যাদুকরদেরকে বললেন, ‘তোমরা যা দেখাতে চাও, তা প্রথমে দেখাও।’ এ ছাড়া এর মধ্যে এ কৌশলও থাকতে পারে যে, যাদুকরদের যাদুর উত্তর যখন তিনি মু’জিযারূপে দেবেন, তখন তা জনসাধারণের মনে বেশি প্রভাব ফেলবে। যার ফলে তাঁর সত্যতা প্রকাশ পাবে এবং লোকেদের জন্য ঈমান আনা সহজ হবে।
(2) কোন কোন হাদীসে বলা হয়েছে যে, যাদুকরদের সংখ্যা ছিল ৭০ হাজার। বাহ্যিক দৃষ্টিতে এ সংখ্যায় অতিরঞ্জন করা হয়েছে। যারা সকলেই এক একটি রশি ও লাঠি মাঠে ফেলল, যা দর্শকদের চোখে ছুটাছুটি করছে বলে মনে হল। এ যেন তাদের ধারণায় ছিল বিরাট যাদু; যা তারা পেশ করেছিল।