قَالَ ٱلۡمَلَأُ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ مِن قَوۡمِهِۦٓ إِنَّا لَنَرَىٰكَ فِي سَفَاهَةٖ وَإِنَّا لَنَظُنُّكَ مِنَ ٱلۡكَٰذِبِينَ

ক-লাল মালাউল্লাযীনা কাফারূমিন কাওমিহী-ইন্না-লানার-কা ফী ছাফা-হাতিওঁ ওয়া ইন্নালানাজুন্নুকা মিনাল ক-যিবীন।উচ্চারণ

তার সম্প্রদায়ের প্রধানরা যারা তার কথা মানতে অস্বীকার করছিল, তারা বললোঃ “আমরা তো তোমাকে নির্বুদ্ধিতায় লিপ্ত মনে করি এবং আমাদের ধারণা তুমি মিথ্যুক।” তাফহীমুল কুরআন

তার সম্প্রদায়ের যে সর্দারগণ কুফর অবলম্বন করেছিল, তারা বলল, আমরা তো নিশ্চিতভাবে তোমাকে নির্বুদ্ধিতার ভেতর দেখছি এবং নিশ্চয়ই আমাদের ধারণা, তুমি একজন মিথ্যুক লোক।মুফতী তাকী উসমানী

তার জাতির নেতারা বললঃ আমরা তোমাকে নির্বোধ দেখছি এবং আমরাতো তোমাকে নিশ্চিত রূপে মিথ্যাবাদী মনে করি।মুজিবুর রহমান

তারা স্প্রদায়ের সর্দররা বললঃ আমরা তোমাকে নির্বোধ দেখতে পাচ্ছি এবং আমরা তোমাকে মিথ্যাবাদী মনে করি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তার সম্প্রদায়ের প্রধানগণ-যারা কুফরী করেছিল, তারা বলেছিল, ‘আমরা তো দেখছি তুমি নির্বোধ এবং তোমাকে আমরা তো মিথ্যাবাদী মনে করি।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তার কওমের কাফির নেতৃবৃন্দ বলল, ‘নিশ্চয় আমরা তোমাকে নির্বুদ্ধিতায় দেখতে পাচ্ছি এবং আমরা অবশ্যই তোমাকে মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত মনে করি’।আল-বায়ান

তার জাতির প্রধানগণ- যারা ইমান আনতে অস্বীকার করেছিল, বলল, ‘তুমি নিশ্চিতই নির্বুদ্ধিতায় ডুবে আছ, আর আমরা মনে করি তুমি মিথ্যেবাদী।’তাইসিরুল

তাঁর সম্প্রদায়ের মধ্যে থেকে যারা অবিশ্বাস করেছিল তাদের প্রধানরা বললে -- "নিঃসন্দেহ আমরা তো তোমাকে দেখছি অকাট- বোকামিতে, আর আমরা আলবৎ তোমাকে মিথ্যাবাদীদের মধ্যে গণ্য করি।"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৬৬. তার সম্প্রদায়ের প্রধানরা, যারা কুফরী করেছিল, তারা বলেছিল, আমরা তো তোমাকে নির্বুদ্ধিতায় নিপতিত দেখছি। আর আমরা তো তোমাকে মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত মনে করি।(১)

(১) অর্থাৎ তারা মনে করতে থাকল যে, তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে যা বলছেন তা মিথ্যা। (মুয়াসসার) যদিও তারা তাকে ব্যক্তিগতভাবে মিথ্যাবাদী মনে করত না। কারণ নবীগণ সর্বযুগেই সত্যবাদী ছিলেন।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৬৬) তার সম্প্রদায়ের প্রধানগণ যারা অবিশ্বাস করেছিল, তারা বলেছিল, ‘আমরা তো দেখছি তুমি একজন নির্বোধ(1) এবং তোমাকে আমরা তো একজন মিথ্যাবাদী মনে করি।’

(1) এই নির্বুদ্ধিতা তাদের নিকটে এই ছিল যে, যে প্রতিমাগুলোর পূজা তাদের পূর্বপুরুষ থেকে চলে আসছিল, সেগুলোকে বাদ দিয়ে তাদেরকে একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করার দাওয়াত দেওয়া হচ্ছিল।