user-avatar

Hamid Suhag

◯ Hamidur

আমাদের সামনে যখন কোন সমস্যা বা পরিকল্পনা এসে হাজির হয় তখন আমরা ওই সমস্যা বা পরিকল্পনা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করতে থাকে থাকি। কোন কিছু করার আগে সে বিষয় সম্পর্কে একটু ভাবনা-চিন্তা করে নিতে হয় কিন্তু অতিরিক্ত চিন্তা ভাবনা করা ঠিক নয়। যে চিন্তাভাবনা গুলো গুরুত্বহীন এবং শুধু সময় নষ্ট করে সেই ধরনের চিন্তাভাবনা না করাই উত্তম। কোন কিছু নিয়ে ও অপ্রয়োজনীয় চিন্তাভাবনা মানুষকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করে ফেলে। দুশ্চিন্তাগ্রস্থ মানুষ মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে পারে না। যার জন্য ওই মানুষটি কোন সমস্যার সমাধান বা পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে পারেনা।

কোন সমস্যার সমাধান বা পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করার জন্য আপনাকে দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকতে হবে। যখন আমরা কোনো পরিকল্পনা বা সমস্যাকে সুচিন্তার মাধ্যমে সফল করতে চাই তখনই সেই পরিকল্পনা ও সমস্যা সমাধান হয়। দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে গেলে তখন পরিকল্পনা বা সমস্যাকে সমাধান করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না তাই প্রয়োজন সব সময় নিজেকে দুশ্চিন্তা মুক্ত রাখা।

কোন কিছুর ফলাফল আমাদের সামনে উপস্থিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সেই ফলাফল কি হবে সেটা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের দার্শনিক চিন্তা ভাবনা করে থাকি আমরা, এবং সেটা নিয়ে নিজের মধ্যে এত ব্যস্ত থাকি যে অন্য কোন কিছুর খেয়াল থাকেনা। নিজের মাথার মধ্যে সবসময় ওই চিন্তাগুলো ঘুরপাক খায় যেগুলোর ফলাফল এখন আমাদের হাতের নাগালে নেই।

অনেক সময় আমরা কোন সাধারণ বিষয়কে নিজের মধ্যে অসাধারণ করে তুলি অতিরিক্ত সেই বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করার কারণে। কোন কিছু নিয়ে বেখেয়ালি থাকলে অনেক বড় সমস্যা হয়ে যেতে পারে তার জন্য সতর্ক থাকতে হবে তবে অতিরিক্ত সেটি নিয়ে ভাবা যাবে না। মনে রাখবেন অবাঞ্ছিত চিন্তাভাবনা মানুষের মনে এক ধরনের চাপ তৈরি করে সেগুলো মানুষকে মানসিকভাবে দুর্বল করে ফেলে।

কোন কিছু নিয়ে অতিরিক্ত অবাঞ্চিত চিন্তাভাবনা দূর করতে নিজেকে কোন কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। নিজেকে যখন কোন কিছুতে ব্যস্ত রাখবেন তখন ওই কাজের প্রতি আপনার মনোযোগ থাকবে যার জন্য অবাঞ্চিত কোন চিন্তা আপনার মাথায় আসবে না।

আপনি যে বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করছেন ওই বিষয়টির সর্বশেষ হিসাবে আপনি করে ফেলুন এবং তার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন। যদি এমন হয় ভবিষ্যতে আপনার কোনো ক্ষয়ক্ষতি হতে যাচ্ছে যেটা আপনার পক্ষে রোধ করা সম্ভব নয়, তখন আপনি সর্বশেষ হিসাব করুন আপনার কি ক্ষতি হতে পারে এবং সেই ক্ষতির জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখুন। যখন আপনি সর্বশেষ হিসাব করে ফেলবেন তখন আপনি সেই বিষয়টি নিয়ে আর তেমন চিন্তা করবেন না।

লেখকঃ হামিদ সোহাগ


আমাদের সামনে যখন কোন সমস্যা বা পরিকল্পনা এসে হাজির হয় তখন আমরা ওই সমস্যা বা পরিকল্পনা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করতে থাকে থাকি। কোন কিছু করার আগে সে বিষয় সম্পর্কে একটু ভাবনা-চিন্তা করে নিতে হয় কিন্তু অতিরিক্ত চিন্তা ভাবনা করা ঠিক নয়। যে চিন্তাভাবনা গুলো গুরুত্বহীন এবং শুধু সময় নষ্ট করে সেই ধরনের চিন্তাভাবনা না করাই উত্তম। কোন কিছু নিয়ে ও অপ্রয়োজনীয় চিন্তাভাবনা মানুষকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করে ফেলে। দুশ্চিন্তাগ্রস্থ মানুষ মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে পারে না। যার জন্য ওই মানুষটি কোন সমস্যার সমাধান বা পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে পারেনা।

কোন সমস্যার সমাধান বা পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করার জন্য আপনাকে দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকতে হবে। যখন আমরা কোনো পরিকল্পনা বা সমস্যাকে সুচিন্তার মাধ্যমে সফল করতে চাই তখনই সেই পরিকল্পনা ও সমস্যা সমাধান হয়। দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে গেলে তখন পরিকল্পনা বা সমস্যাকে সমাধান করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না তাই প্রয়োজন সব সময় নিজেকে দুশ্চিন্তা মুক্ত রাখা।

কোন কিছুর ফলাফল আমাদের সামনে উপস্থিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সেই ফলাফল কি হবে সেটা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের দার্শনিক চিন্তা ভাবনা করে থাকি আমরা, এবং সেটা নিয়ে নিজের মধ্যে এত ব্যস্ত থাকি যে অন্য কোন কিছুর খেয়াল থাকেনা। নিজের মাথার মধ্যে সবসময় ওই চিন্তাগুলো ঘুরপাক খায় যেগুলোর ফলাফল এখন আমাদের হাতের নাগালে নেই।

অনেক সময় আমরা কোন সাধারণ বিষয়কে নিজের মধ্যে অসাধারণ করে তুলি অতিরিক্ত সেই বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করার কারণে। কোন কিছু নিয়ে বেখেয়ালি থাকলে অনেক বড় সমস্যা হয়ে যেতে পারে তার জন্য সতর্ক থাকতে হবে তবে অতিরিক্ত সেটি নিয়ে ভাবা যাবে না। মনে রাখবেন অবাঞ্ছিত চিন্তাভাবনা মানুষের মনে এক ধরনের চাপ তৈরি করে সেগুলো মানুষকে মানসিকভাবে দুর্বল করে ফেলে।

কোন কিছু নিয়ে অতিরিক্ত অবাঞ্চিত চিন্তাভাবনা দূর করতে নিজেকে কোন কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। নিজেকে যখন কোন কিছুতে ব্যস্ত রাখবেন তখন ওই কাজের প্রতি আপনার মনোযোগ থাকবে যার জন্য অবাঞ্চিত কোন চিন্তা আপনার মাথায় আসবে না।

আপনি যে বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করছেন ওই বিষয়টির সর্বশেষ হিসাবে আপনি করে ফেলুন এবং তার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন। যদি এমন হয় ভবিষ্যতে আপনার কোনো ক্ষয়ক্ষতি হতে যাচ্ছে যেটা আপনার পক্ষে রোধ করা সম্ভব নয়, তখন আপনি সর্বশেষ হিসাব করুন আপনার কি ক্ষতি হতে পারে এবং সেই ক্ষতির জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখুন। যখন আপনি সর্বশেষ হিসাব করে ফেলবেন তখন আপনি সেই বিষয়টি নিয়ে আর তেমন চিন্তা করবেন না।

লেখকঃ হামিদ সোহাগ


আমি কোন কাজে বেশিক্ষণ মনোযোগ রাখতে পারিনা। আমি কিভাবে মনোযোগ ধরে রাখতে পারি?

উত্তরটা যদি এভাবে দেই তাহলে উত্তরটা বুঝা তোমার পক্ষে সহজ হবে। প্রথমে বলবো আপনি কেন মনোযোগ ধরে রাখতে পারতেছেন না? কারণটা কি একদিন খুঁজে দেখেছেন? প্রতিটি সমস্যার একটি কারণ থাকে, এবং সে কারণটি বুঝতে পারলে সমস্যাটা খুব তাড়াতাড়ি সমাধান করা যায়। কোন কিছুতে বেশিক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখতে না পারার কিছু কারণ বলবো, এবং এর সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করব।

১. জীবনের লক্ষ্য স্থির করতে না পারা

যদি আপনার জীবনের নির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য না থাকে, তাহলে আপনি বারবার মত পরিবর্তন করবেন। যার কারণে আপনার কোন কিছুতে মনোযোগ ধরে রাখা সম্ভব হবে না। জীবনের লক্ষ্য নির্বাচন করুন একেবারে ফাইনাল হিসাবে। নতুন নতুন লক্ষ্য নির্বাচন করবেন না কিছুদিন পরপর। যে বিষয়ে আপনার লক্ষ্য নির্বাচন করবেন ওই বিষয়ের উপর নতুন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করবেন প্রতিদিন। আপনার জীবনের লক্ষ্য যদি থাকে একজন উদ্ব্যোক্তা হওয়ার তাহলে আপনাকে ওই বিষয়ের ওপর সর্বোচ্চ সময় দিতে হবে। ওই বিষয় সম্পর্কে রিচার্জ করতে হবে। মনে রাখবেন আপনি যদি উদ্যোক্তা হতে চান তাহলে আপনাকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে না। মাল্টিপল বিষয় একসাথে শিখতে যাবেন না। আপনি যেটি হতে চান সেটি নির্বাচন করে তার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন, তবেই আপনি সফলতার শীর্ষে পৌঁছাতে পারবেন।

২. আত্মবিশ্বাসের অভাব

একটি কাজ শুরু করার কিছুদিন পর যখন নিজের উপর নিজের বিশ্বাসটা হারিয়ে যায়, তখন সে কাজটি আর কন্টিনিউ করা যায় না।
আত্মবিশ্বাসীই হচ্ছে একমাত্র শক্তি যা মানুষকে তার কাজটি সফল করার শক্তি যোগায়। আত্মবিশ্বাসীই মানুষকে কোন কিছু করতে সাহায্য করে যখন অন্য কোন মানুষ তাকে সাহায্য করে না। তুমি যা করতে চাও, যা তুমি হতে চাও তার জন্য তোমার পুরোপুরি বিশ্বাস থাকতে হবে। পৃথিবীর সবাই যদি অসম্ভব বলে তারপরও তোমার বিশ্বাসটা তোমাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

৩. ব্যর্থতা

ব্যর্থতা কোন কিছু কন্টিনিউ না করতে পারার একটি কারণ। কোন কাজে ব্যর্থ হওয়ার পর আমরা মনে করি আমাদের দ্বারা এ কাজটি হবে না। মনে হয় এটা আমার কাজ নয় আমি পারবো না। ব্যর্থতা জীবনের একটি স্বাভাবিক বিষয়, এটাকে মেনে নিয়ে তোমাকে সামনে এগোতে হবে। মাটিতে পড়ে গেলে হবে না, উঠে দাঁড়াতে হবে তবেই তুমি যা চাও পাবে।

bengali quotes on life by hamid suhag

Bangla Quote About Success by Hamid Suhag

৪. কোন কিছুকে বেশি সহজ মনে করা এবং অল্প সময়ে বেশি কিছু পাওয়ার আশা

কোন কিছুকে বেশ সহজ মনে করলে, যখন কাজ করতে শুরু করবেন তখন সেটা কঠিন মনে হলে কাজের প্রতি আগ্রহ কমে যায়। অল্প পরিশ্রমে অল্প সময়ে বেশি কিছু আশা করলেন যখন সে অনুযায়ী ফলাফল পাওয়া যায় না, তখন আর সে কাজটি করতে তেমন আগ্রহ থাকে না। সফলতা হচ্ছে একটি লং জার্নি এখানে যদি শর্টকাট রাস্তা খুঁজেন তাহলে আপনি কোন কিছুতেই বেশিদিন মনোযোগ ধরে রাখতে পারবেন না। কোন কিছুতে লং টাইম মনযোগ ধরে রাখার সহজ উপায় হচ্ছে মাইন্ড কে এভাবে সেটআপ করতে হবে, যে আমাকে এ কাজে সফল হতে হলে অনেক লং টাইম এ কাজটি করতে হবে।

লেখকঃ Hamid Suhag


পড়ালেখার জন্য রুটিন করি কিন্তু ২ দিন পরেই সে রুটিন মাফিক চলতে পারিনা কেন? এ বিষয়ে করনীয় কী?

অনেককে আমি দেখেছি কয়েকদিন পরপর নতুন রুটিন করে এবং বলে আজ থেকে এই রুটিনমাফিক সবকিছু করব কিন্তু হয়না। সেই রুটিনটা কার্যকর না করতে পারার অনেক কারণ রয়েছে। জীবনটাকে একটি রুটিনের মধ্যে চালিয়ে নেওয়া অনেক কষ্টকর এবং এর জন্য অনেক সংগ্রাম করতে হয়। কিন্তু একটি রুটিন যখন নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় তখন সেটিই স্বাভাবিক নিয়মের মধ্যে পড়ে যায়। এখানে যদি আমি একটি উদাহরণ দেই; যা আমার জীবনের এটি নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। সারাদিন যা কিছু করি না কেন মাগরিবের নামাজের পর থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত লেখাপড়া করতাম এবং প্রতিদিন ফজরের নামাজের পর থেকে সাড়ে আটটা পর্যন্ত লেখাপড়া করতাম। এটা ছিল আমার নিত্যদিনের রুটিন এটি আমার অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছিল এবং এটি কখনো আমার বিরক্ত লাগত না স্বাভাবিক নিয়মের মতো মনে হতো।

আমরা রুটিন এভাবে করি বাংলা একঘন্টা, ইংরেজি দুই ঘন্টা, গণিত তিন ঘন্টা আসলে এভাবে রুটিন করলে রুটিনটা দু-তিন দিন পর আর কন্টিনিউ হয়না। রুটিন এভাবে করতে হবে আজ দিনে-রাতে আমি সর্বমোট ৮ ঘণ্টা লেখাপড়া করব। যখন পড়তে বসবে তখন একবার হিসাব করে নেবে কোন সাবজেক্টে আজ কি কি পড়তে হবে। যে সাবজেক্ট গুলো একটু কঠিন মনে হয়, মন সবসময় সেগুলো থেকে দূরে থাকতে বলে প্রথমে সেই পড়া গুলো শেষ করবে। সিরিয়াল মোতাবেক সাবজেক্ট গুলো না পড়ে যখন যেটি পড়তে ভালো লাগবে তখন সেটি পড়বেন কিন্তু সব সাবজেক্ট পড়তে হবে এবং সর্বমোট ৮ ঘন্টা পড়তে হবে। লেখাপড়ার জন্য নির্দিষ্ট টাইম ঠিক করে নিতে হবে, এবং সেই টাইম টা শুধু লেখা পড়ার জন্যই হবে, অন্য সবকিছু থেকে দূরে থাকতে হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত ওই সময়টা পূর্ণ হয়।

যদি একটি নির্দিষ্ট সময় কে তুমি শুধু লেখা পড়ার সময় বানিয়ে নিতে পারো, এবং অনেকদিন পর্যন্ত চালিয়ে নিয়ে যেতে পার তবে এটা তোমার অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে। যখন এই রুটিন টা তোমার অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে তখন সেটা তোমার কাছে নিত্যদিনের একটি স্বাভাবিক কর্ম মনে হবে। রুটিনটা যেন একসাথে এক মাস বা এক সপ্তাহের না হয়। রুটিনটা যেন হয় শুধুমাত্র আজকের দিনের জন্য এবং সেটা পূর্ণ করার জন্য আজকের দিনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। এভাবে ছোট ছোট টার্গেট নিয়ে সেই টার্গেট পূর্ণ করতে হবে। একসময় অভ্যাস গুলো নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে। তখন আর কোন সমস্যা হবে না, প্রতিদিনের নিয়মে চলতে থাকবে।

লেখকঃ Hamid Suhag