2 Answers

ইসলামে একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ছবি তোলা, অঙ্গন করা, ঘরে ঝুলিয়ে রাখা বা সংরক্ষণ করা নিষিদ্ধ। তবে কোন ঘরে যদি ছবি থাকে তাহলে তাতে নামায হবে না-এমন কথা ঠিক নয়। বরং কোন ব্যক্তি যদি সালাতের বিধিবিধান ঠিক রেখে যথা নিয়মে সালাত আদায় করে তাহলে তার সালাত শুদ্ধ হবে যদিও ঘরে ছবি থাকে। তবে ছবি থাকার কারণে আলাদা গুনাহ হবে। যার জন্য করণীয় হল, ছবি সরানো এবং আল্লাহর নিকট তাওবা করা। কাগজ দ্বারা পাখি বা প্রজাপতির প্রতিকৃতি বানানো আর তা দ্বারা ঘর সাজানো জায়েয নয়। তবে প্রাণীর ছবি/প্রতিকৃতি ছাড়া বিভিন্ন প্রকৃতিক দৃশ্য, স্থাপত্য ইত্যাদি ছবি দ্বারা ঘর সাজানোয় কোন দোষ নেই। ঠিক অনুরূপভাবে প্রাণী সাদৃশ্য পুতুল ক্রয় করা বা ঘরে রাখাও ঠিক নয়। যদিও অনেকে বাচ্চাদের খেলনা হিসেবে পুতুল রাখাকে বৈধ বলেছেন। কিন্তু সঠিক কথা হল, পুতুল মূর্তী ও প্রতিকৃতি সদৃশ হওয়ায় তা নিষিদ্ধের অন্তর্ভূক্ত। তবে পুতুলের যদি মুখাবয়ব, নাক, কান ইত্যাদি না থাকে বা কোন কিছু দ্বারা মুছে ফেলা হয় তাহলে তাতে কোন সমস্যা নেই। বিচরণশীল প্রাণীর ছবি আঁকা বৈধ নয়। যদি কেউ আঁকতে একান্তই বাধ্য হয়, তাহলে প্রাণীর মাথাটা আঁকবে না। ( ইবনে ঊষাইমীন ) ড্রেসের ডিজাইন আঁকতে মাথাহীন দেহের উপর ড্রেস আঁকতে পারা যায়। মাথাহীন স্ট্যাচুর দেহে পোশাক পরিয়ে তা শো করা যায়। কোন ছবি বা মূর্তির মাথা না থাকলে ক্ষতির আওতায় পড়ে না। মহানবী (সঃ) বলেছেন, “মূর্তি বা ছবি হল মাথাটাই। সুতরাং মাথা কেটে দেওয়া হলে সে ছবি বা মূর্তিতে সমস্যা নেই।” (সিঃ সহীহাহ ১৯২১ নং )

9026 views

নামায আদায় করলে হয়ে যাবে তবে ঘরে প্রাণীর ছবি, কার্টুন, প্রতিকৃতি, মূর্তি ইত্যাদি সংরক্ষণ করা হারাম। যে ঘরে এসব থাকে সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না। এ মর্মে একাধিক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। যেমন: ▪আবু তালহা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: لَا تَدْخُلُ الْمَلَائِكَةُ بَيْتًا فِيهِ كَلْبٌ، وَلَا صُورَةٌ “ফেরেশতাগণ ঐ ঘরে প্রবেশ করে না, যে ঘরে কুকুর অথবা ছবি থাকে। (সুনানে আন-নাসায়ী হা/৫৩৪৭-সহিহ)

9026 views

Related Questions