3 Answers

হজ পালনে হাজিদের জন্য ফরজ কাজ ছাড়া কিছু ওয়াজিব বা আবশ্যক করণীয় কাজ রয়েছে। যা তুলে ধরা হলো- ১. হজের উদ্দেশ্যে মিকাত (ইহরামের নির্দিষ্ট স্থান) ত্যাগ করার পূর্বেই ইহরাম বাঁধা; ২. সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতেরর ময়দানে অবস্থান (ওকুফ) করা; ৩. ক্বিরান বা তামাত্তু হজ আদায়কারী ব্যক্তির জন্য কুরবানি আদায় করা এবং তা কংকর নিক্ষেপ ও মাথা মুণ্ডন করার মর্ধ্যবর্তী সময়ের মধ্যে সম্পাদন করা; ৪. সাফা-মারওয়া পাহাড়ে সাঈ করা, সাঈ সাফা পাহাড় থেকে শুরু করা; ৫. মুযদালিফায় অবস্থান (ওকুফ) করা; ৬. তাওয়াফে জিয়ারাত আইয়্যামে নহরের (দিনের বেলায়) মধ্যে সম্পাদন করা; ৭. রমি বা শয়তানকে কংকর নিক্ষেপ করা; ৮. মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটা, তবে মাথা মুণ্ডনের পূর্বে কংকর নিক্ষেপ করা; ৯. মিকাতের বাইরের লোকদের জন্য তাওয়াফে সদর বা বিদায়ী তাওয়াফ করা।

8957 views Answered

হজ্জের ওয়াজিব ৬টি ৷ যথা: (১) ‘সাফা ও মারওয়া’ পাহাড় দ্বয়ের মাঝে ৭ বার সায়ী করা।  (২) অকুফে মুযদালিফায় (৯ই জিলহজ্জ) অর্থাৎ সুবহে সাদিক থেকে সুর্যদয় পর্যন্ত একমুহুর্তের জন্য হলেও অবস্থান করা।  (৩) মিনায় তিন শয়তান (জামারাত) সমূহকে পাথর নিপে করা।  (৪) ‘হজ্জে তামাত্তু’ ও ‘কি্বরান’ কারীগণ ‘হজ্জ’ সমাপনের জন্য দমে শোকর করা।  (৫) এহরাম খোলার পূর্বে মাথার চুল মুন্ডানো বা ছাটা।  (৬) মক্কার বাইরের লোকদের জন্য তাওয়াফে বিদা অর্থাৎ মক্কা থেকে বিদায়কালীন তাওয়াফ করা।  এছাড়া আর যে সমস্ত আমল রয়েছে সব সুন্নাত অথবা মুস্তাহাব।

8957 views Answered

হজ্জের ওয়াজিব ৯ টি যথা :  ১:সাঈ করা।  ২:ইহরাম বাধার কাজটি মীকাত পার হওয়ার পূর্বেই সম্পূর্ন করা। ৩:আরাফাতে অবস্থান সূর্যাস্ত পর্যন্ত দীর্ঘায়িত করা।  ৪:মুযদালিফায় রাত্রি যাপন।  ৫:মুযদালিফার পর কমপক্ষে দুই রাত্রি মিনায় যাপন করা।  ৬:কঙ্কর নিক্ষেপ।  ৭:হাদী জবাই করা।  ৮:চুল কাটা।  ৯:বিদায়ী তাওয়াফ।

8957 views Answered

Next steps