1 Answers
স্তনের আকার পরিবর্তন স্তন ফোলা, নরমভাব, ব্যথা বা আকার পরিবর্তন হওয়া হচ্ছে গর্ভবতী হওয়ার প্রথম লক্ষণ। গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন বা নিপল ফোলা, নরমভাব, ব্যথা বা আকার পরিবর্তনের কারণ হলো বাচ্চার দুধপানের উপযোগী হয়ে উঠা। এটা ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরনের বৃদ্ধির কারণে হয়ে থাকে। বমিভাব বমি বমিভাব মর্নিং সিকনেস বা সকালের অসুস্থতা হিসেবে পরিচিত। এটা দিনের যেকোনো সময় অথবা সারা দিনই হতে পারে। এটা গর্ভাবস্থায় শরীরে হরমোনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে হয়ে থাকে। এই হরমোন হজোম পক্রিয়ায় প্রভাব ফলে। তাই বমিভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং এসিডিটি দেখা দেয়। সাধারণত সংবেদনশীল ইস্ট্রোজেন নির্গত হওয়ার কারণে হয়। অবসাদগ্রস্ত প্রারম্ভিক গর্ভাবস্থা এমন একটা সময় যখন খুব কঠিনভাবে নারীদের শরীরিক ও হরমোনের পরিবর্তন ঘটে। এর মানে হরমোনের উৎপাদনের বেড়ে যায়। পাশাপাশি হার্টের ধুকপুকুনি দ্রুতগতিতে বেড়ে যাওয়া কারণে হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। ভ্রুণের বেড়ে উঠার জন্য এগুলো প্রয়োজন। প্রোজেস্টেরনের বৃদ্ধি অবসাদগ্রস্ত হওয়ার প্রথামিক ধাপ। আর অধিকাংশ গর্ভবতী নারী এটা তাদের প্রাথমিক গর্ভাবস্থায় সম্মুখীন হয়। পিরিয়ড না হওয়া গর্ভাবস্থার সব থেকে সাধারণ কারণ পিরিয়ড না হওয়া। আর এই প্রাথমিক লক্ষণই গর্ভবতী বলে ধারণা দেয়। একমাত্র পরীক্ষার মধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় গর্ভবতী কি না। আর এই দেরিতে বা পিরিয়ড না হওয়ায় যদি বলে দেয় গর্ভবতী, তবে পরবর্তী ধাপে ঋতুস্রাব বা অ্যামেনারিয়া অনুপস্থিতিতে এটি বোঝা যায়। হালকা রক্তপাত হওয়া শুরুর দিকে গর্ভাবস্থায় হালকা রক্তপাতের সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ইমপ্লান্টেশন। এটা তখনই ঘটে থাকে যখন উর্বর ডিম্বানুগুলো জরায়ু লাইনে থেকে যায়। এটা সাধারণত গর্ভধারণের ১০ থেকে ১৪ দিন পরে ঘটে। পেটে চাপ অনুভব প্রারম্ভিক গর্ভাবস্থায় পেটে চাপ অনুভব হওয়া পিরিয়ডের সময় চাপ বেধে আসার মতোই। এটা তখনই ঘটে যখন ভ্রুণের বিকাশে স্থান তৈরিতে জরায়ুকে প্রসারিত করে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy