3 Answers
দুধ পানের উপকারিতাঃ ১. দুধ দেহ শক্তিশালী ও মন তরতাজা করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কার্যকর। মল- মূত্র ত্যাগের মাধ্যমে শরীর সবসময় ফুরফুরে ও সতেজ রাখতে দুধের ভূমিকা অপরিসীম। ২. আহতদের (বিশেষত বুকে জখম পাওয়া) দ্রুত আরোগ্য লাভে দুধ সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখে। ৩. দুধ ভোক্তাকে দীর্ঘায়ু লাভে সাহায্য করে। দুধপান যৌবনও ধরে রাখে। বৃদ্ধি করে আদিকামও। ৪. মেধা ও মনন শাণিত করতে দুধের জুড়ি নেই। এ কারণে দুধের বিজ্ঞাপনে শিশুদের মেধা শাণিত করার কথা তুলে ধরা হয়। ৫. দুধ অবসাদ ও বিষণ্নতা দূর করে। দিনমান কাজ শেষে এক গ্লাস দুধ মুহূর্তেই ফুরফুরে করে তুলতে পারে মন-মেজাজ। ৬. মাথা ঘোরা, দেহে বিষাক্ততা, শ্বাসকষ্ট, কাশি, তীব্র তৃষ্ণা ও ক্ষুধা, অনেক দিনের জ্বর দূরীকরণে দুধ অত্যধিক কার্যকর। ৭. নারীর রক্তপাত বন্ধে দুধের জুড়ি নেই। অতএব, বেশি বেশি গরুর দুধ পান করুন, থাকুন সুস্থ ও সতেজ।
ছোট-বড় সবাই দুধ খেতে পছন্দ করে। দুধ হচ্ছে আদর্শ খাবার। দুধে আছে প্রচুর পুষ্টি গুণ যা আমাদের দেহে অনেক উপকার করে থাকে। আসুন জেনেন নেয় দুধ খাওয়ার উপকারিতা কি কি। ০১. গরুর দুধ-বল ও পুষ্টি, মেধা-বুদ্ধি ও আয়ু বাড়ায়, জরাব্যধি,বাত, পিত্ত, রক্ত দোষ ও বিষ দোষ কমায়। ০২. ছাগলের দুধ– সহজেই হজম হয়। মলরোধক, ত্রিদোষ কমায়, পিত্ত, জ্বর কমায়, ক্ষয়রোগ ও রক্ত দোষ কমায়। ০৩. মহিষের দুধ– ইহা দেরীতে হজম হয়, বল, শুক্র, কফ ও ঘুম বাড়ায়। রক্ত, পিত্ত ও দাহ কমায়। ০৪. দুধের সর– খুবই পুষ্টিকর। বল, বীর্য, শুক্র, কফ ও রতি শক্তি বাড়ায়, বায়ু ও রক্ত পিত্ত কমায়।০৫. ঘোল– বমি, বিষ, অরুচি, পিপাসা, কৃমি ও কোষ্ঠাশ্রিত জ্বর, অর্শ, অতিসার, মেহ, পাণ্ডু, ভগন্দর, মূত্রঘাত, শুল, প্লীহা, উদরী বায়ু কমায়, ক্ষতরোগে রক্ত পিত্ত রোগে মুচ্ছা, ভ্রম, গ্রীষ্ণ কালীন দুর্বলতায় ইহা ক্ষতি করে। ০৬. ছানা– ইহা দেরিতে হজম হয়, বায়ু বাড়ায় ও ঘুম বাড়ায়। বহু মূত্র রোগের পথ্য। ০৭. মাখন– চোখের জন্য খুবই উপকারী। শুক্র বাড়ায়, রক্ত পিত্ত হৃদ রোগের ক্ষতি করে থাকে। ০৮. গৃত– রুচি ও হজম শক্তি বাড়ায়, বুদ্ধি ও মেধা বাড়ায়। বাত পিত্ত কমায়। শুক্র বাড়ায় চোখের জন্য খুবই উপকারী।
দুধের পান করার উপকারিতাঃ অ্যাসিডিটিতে কিংবা কাজের স্ট্রেসে সমস্যার সমাধান হতে পারে মাত্র এক গ্লাস দুধে। প্রতি দিন এমন অনেক সমস্যায় আমরা ভুগি মাত্র এক গ্লাস দুধ খেয়েই যেগুলো সমাধান করতে পারি। জেনে নিন এমনই কিছু সমস্যা- ১. দাঁত: দাঁত ক্ষয়ে যাওয়া, দাঁতে পোকা, হলুদ ছোপ পড়ার মতো দাঁতের যে কোনও সমস্যায় রোজ দুধ খেলে এক-দু’দিনের মধ্যেই উপকার পাবেন। দুধে থাকা ক্যালসিয়াম দাঁতের স্বাস্থ্য যেমন ভাল রাখে, তেমনই দুধ স্যালাইভা উত্পাদনে সাহায্য করে। ২. ওজন: যদি ওজন বেড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন, তাড়াতাড়ি ওজন কমাতে চান স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে, তা হলে প্রতিদিনের ডায়েটে দুধ রাখুন। ৩. ডিহাইড্রেশন: দুধ শরীর রি-হাইড্রেট করতে সাহায্য করে। যদি ডিহাইড্রেশনের সমস্যায় ভোগেন তাহলে এক গ্লাস দুধ খেয়ে নিন। অনেকটা সুস্থ বোধ করবেন। ৪. কোষ্ঠকাঠিন্য: যদি আপনি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা ভোগেন ও ডেয়ারি প্রডাক্টে অ্যালার্জি না থাকে তা হলে রাতে ঘুমনোর আগে এক গ্লাস গরম দুধ খান। ৫. প্রি মেনস্ট্রুয়াল সিন্ড্রোম: শরীরে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের মাত্রা ঠিক থাকলে প্রি মেনস্ট্রুয়াল সিন্ড্রোমের সমস্যা হয়। তাই পিরিয়ডের সময় পেট ব্যথা, অ্যাসিডিটির সমস্যা হলে খেয়ে নিন এক গ্লাস দুধ। ৬. স্ট্রেস: যদি অতিরিক্ত স্ট্রেসে ভোগেন তাহলে রাতে ঘুমনোর আগে হালকা গরম দুধ খান। দুধে থাকা এসেনশিয়াল ভিটামিন ও মিনারেল ফিটনেস বাড়ায়, স্ট্রেস দূরে রাখতে সাহায্য করে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy