1 Answers
জলছাপ, রঙ পরিবর্তনশীল হলোগ্রাফিক সূতা : সব মূল্যমানের আসল নোট আলোর বিপরীতে ধরে বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো ও মূল্যমান সম্বলিত নিরাপত্তা সূতা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি ও প্রতিকৃতির নিচে অতি উজ্জ্বল ইলেক্ট্রোটাইপ জলছাপে প্রতিটি নোটের মূল্যমান জলছাপ হিসেবে দেখা যাবে। এছাড়াও প্রতিটি নোটের জলছাপের বামপাশে বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো উজ্জ্বলতর ইলেক্ট্রোটাইপ জলছাপ লক্ষ্যণীয় হবে। সরাসরি তাকালে রঙ পরিবর্তনশীল হলোগ্রাফিক সূতায় বাংলাদেশ ব্যাংকে লোগো ও অংকে মূল্যমান লেখা রূপালী দেখাবে। কিন্তু পাশ থেকে দেখলে বা ৯০ ডিগ্রিতে নোট ঘুরালে তা কালো দেখাবে। ফটোকপি বা অফসেটে ছাপা জালনোটের সূতা নখের আঁচড়ে উঠে যাবে। রঙ পরিবর্তনশীল কালিতে ছাপা মূল্যমান : আসল নোটের যে দিকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি রয়েছে সেদিকে উপরের ডানদিকের কোনায় (ঙঢ়ঃরপধষষু ঠধৎরধনষব ওহশ – ঙঠও) অংশে ১০০০ ও ১০০ টাকা নোটের ক্ষেত্রে নোটের মূল্যমান লেখাটি সরাসরি তাকালে সোনালী এবং তির্যকভাবে তাকালে সবুজ রং দেখা যাবে যা ৫০০ টাকা নোটের ক্ষেত্রে সরাসরি তাকালে লালচে এবং তির্যকভাবে তাকালে সবুজ রং দেখা যাবে। ফটোকপি বা অফসেটে ছাপা জালনোটের ক্ষেত্রে এ রঙের পরিবর্তন লক্ষ্যণীয় হবে না। ইরিডিসেন্ট স্ট্রাইপ : ১০০০ টাকার আসল নোটের পিছনের বাম অংশে ইরিডিসেন্ট ব্যান্ড ; নোটটি নাড়াচাড়া করলে এর রং পরিবর্তন লক্ষ্যণীয় হয়। ফটোকপি বা অফসেট ছাপা জালনোটের ক্ষেত্রে এ রঙের পরিবর্তন লক্ষ্যণীয় হবে না। সহজে লক্ষ্যণীয় নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ছাড়াও আরও বেশ কিছু নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন মূল্যমানের আসল নোটে রয়েছে, যা বিশদ পরীক্ষায় লক্ষ্যণীয়, যেমন লেটেন্ট ইমেজ, মাইক্রোটেকস্ট, ইউভি ফ্লোরোসেন্টস ইত্যাদি। হাতে পাওয়া কোন নোটের যথার্থতা সম্পর্কে সন্দেহ হলে এবং সহজে লক্ষ্যণীয় নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যগুলো যাচাইয়ে নিরসন না হলে বিশদতর পরীক্ষার জন্য কোন ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। নিম্নের লিং থেকে ১ টাকা হতে ১০০০ টাকা পর্যন্ত যত নোট রয়েছে তার নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যসহ সকল ছবি দেখতে পাবেন। ফলে জাল টাকা চিনতে আর সমস্যা হবে না।