1 Answers
নিজের বজ্রকণ্ঠে যিনি আশার দুয়ার খোলেছিলেন। নামায পড়তে পড়তে যিনি চলে যেতেন যিকিরের ধ্যানে। জ্ঞানে ও গুণে যিনি উড়েছেন ওহীর কালে। নীরব-নিস্তব্ধ আবহে আল্লাহ তা’আলার সান্নিধ্যে থাকতে যিনি খুব পছন্দ করতেন আর আনন্দ লাভ করতেন। আল্লাহ তা’আলার ভালোবাসা এবং তাঁর জন্য ভালোবাসাই ছিল যাঁর আত্মার খোরাক ও পুষ্টি। তিনি মুসলিম ইবনে ইয়াসির। দাসত্ব থেকে মুক্তি লাভ করে যিনি পরিচিত হন উমাইয়্যা বংশোদ্ভূত হিসেবে। একজন দুনিয়াবিরাগী ও হাদীস বিশারদ। ইসলামী আইনজ্ঞ ও মুজতাহিদ। পূর্বপুরুষ থাকতেন মক্কা শরীফে। পরবর্তীতে বসতি গাড়েন বসরা নগরীতে। এখানে তিনি ফতুয়ার দায়িত্ব পালন করেন এবং মুফতী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি এবং আখেরাতের প্রতি আসক্তি ছিল। ইবাদত-বন্দেগীর প্রতি অনুরাগ ছিল প্রবল। নামায পড়তে দেখলে মনে হতো একজন রোগী। সেজদায় অবস্থায় দেখা যেতো একখানা বস্ত্রখণ্ড। নামায থেকে বের হলে মনে হতো তিনি যিকির ও তাসবীহতে নিমগ্ন আছেন।