4 Answers

জ্বীন বশ করা মুখের কথা নয়।জ্বীন বশ করার নিয়ম শিখতে হলে আপনাকে কিছু নিকৃষ্টতম কাজ করতে হবে। অর্থাৎ আল্লাহ কে নয় শয়তানকে খুশি করতে হবে।আর জ্বীনের হাত থেকে বাচার জন্য নিজের চলাফেরা ঠিক করতে হবে।কিছু কিছু কাজ আছে যা থেকে বিরত থাকলে জ্বীনের আছর থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

5667 views Answered

আপনি এই বিষয়ে হুজুরের পরার্মশ নিন হুজুররা এই বিষয়ে ভাল বলতে পারবেন!

5667 views Answered

জ্বীনের হাত থেকে বাচার ১১টি উপায়ঃ ১। মাগরিবের আজানের সময় পুকুরপাড়,বাঁশঝাড়, তালগাছ, সুপারীগাছ, বাসার ছাদ অথবা অন্ধকার রুমে থাকবেন না। অস্বাভাবিক কিছু.দেখে ফেলতে পারেন। ২। গভীর রাতে একা রাস্তায় হাঁটার সময় যদি দেখেন কালো কুকুর বা কালো বিড়াল আপনার বামপাশ থেকে আপনাকে ক্রস করার চেষ্টা করছে, তবে এটাকে কোনভাবেই বামপাশ দিয়ে ক্রস করতে দেবেন না। আপনার ক্ষতি হতে পারে। ৩। চার রাস্তার মোড়ে গভীর রাতে একা দাঁড়াবেন না। আপনি ভুল পথে যাবেন তাহলে। অর্থাৎ, আপনাকে ভুল পথে নিয়ে যাওয়া হবে। ৪। যদি দেখেন, বাঁশঝাড়ের কোন একটি বাঁশ কোন কারন ছাড়াই নিচু হয়ে আছে, তবে, ওই বাঁশের ওপর দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেন না। আপনার ক্ষতি হতে পারে। ৫। আপনি রাতের বেলা কোন লোকের পিছনেঅনেকগুলো কুকুর লাইন বেঁধে যেতে দেখেন, তবে, ভুলেও ঐ পথে যাবেন না। কারন, লোকের পিছনে কুকুর ঘুরার ব্যাপারটা অনে খারাপ কিছু নির্দেশ করে। ৬। ঘুম ভাঙ্গার পর যদি আপনার মনে হয় রুমে অদৃশ্য কেউ একজন আছে, তবে সাহসীকতার সাথে বিষয়টা অবহেলা করুন। আর চুপচাপ রুম থেকে বেরিয়ে যান। ৭। রাতে কেউ যদি আপনার নাম ধরে ডাকে, তবে ঐ ডাকে সাড়া দিয়ে বাইরে যাবেন না। যদি যান তো, আর নাও ফিরে আসতে পারেন। ৮। রাতে পথ চলার সময় যদি অনুভব করেন কিছু একটা আপনার পিছন পিছন আসছে,কিন্তু আপনি তা দেখতে পাচ্ছেন না, তাহলে সাহস করে পাশাপাশি কোনো কবরস্থানে ঢুকে পরুন। কবরস্থান খুবই পবিত্রস্থান। ৯। পুরনো খালি বাড়ি ও স্মশানঘাট যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। ১০। কখনোই ব্ল্যাক ম্যাজিক নিয়ে পরীক্ষা করবেন না। আপনি কি করছেন তা বোঝার আগেই আপনার অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। ১১। রাতের বেলা কখনোই মাজার বা কবরের পাশদিয়ে ফুল সাউন্ডে গান বাজিয়ে গাড়ি চালাবেন না। দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।  যেভাবে জ্বীন বা পরী বশ করেঃ কোরআন হাদিস দ্বারা জীনের অস্তিত্ব এবং উপকার অপকারের কথা প্রমাণিত। তাদের অবস্থান বাথরুম,কবরস্থান,সমুদ্র হয়। (আবু দাউদ ১ম খন্ড ৪/৬ নং পৃষ্ঠা,হায়াতুল হাইওয়ান)। তাদের স্ত্রী লিঙ্গধারীদের কে পরী বলা হয়। পরী ছেলেকে, জ্বীনরা মেয়েদেরকে নিয়ে যাওয়ার সত্যতা পাওয়া যায়। জীনদেরকে বশে আনা যায়। তবে আনার পন্থা ভিন্ন আছে। বর্ণিত পন্থায় নিজে সাধন করে জীনকে বশে আনা মানে মৃত্যুকে ডেকে আনা। এই জন্য একজন জীন সাধক বা তাবিজ প্রদানকারী আলেম থেকে অনুমতি আনতে হবে। এবং তার বলে দেয়া পন্থায় সাধনা করতে হবে। যখন তারা বশে চলে আসে তখন সে ঐ ব্যক্তির ভিতর দিয়ে হাজির হতে পারে। মনে রাখতে হবে,মানুষের রক্তের সাথে জীনরা মিশতে পারে। বিধায় অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। জীনকে বশে আনা যায়না ইহা স্রেফ মনগড়া কথা। সুরা জীনের শানেনুজুল এবং এর তাফসীর পড়লে পরিষ্কার হয়ে যাবে, হযরত সুলাইমান আঃ এর বশে জীন ছিলো। মিশকাত শরীফ কিতাবুল ফিতান বাবুদ দাজ্জালের পরে এক বাব আছে, রাসুল সাঃ এর জামানার একটি বাচ্চার ঘটনা আছে,যার জীন বশে ছিলো এবং রাসুল সাঃ ও মেনে নিয়েছিলেন। গণকের হাদিসের তাশরীহ পড়লে এমনকি হাদিসই পড়লে সুষ্পষ্ট হয়ে যায় জীন বশে আনার কথা। বিধায় বশে না আসার কথা স্রেফ মনগড়া ।

5667 views Answered

জ্বীন এর থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আল্লাকে বেশি বেশি সরণ করুন।বিভিন্ন জিকিরে ফিকিরে থাকুন।

5667 views Answered

Next steps