1 Answers
শরীরে একটি স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে। শরীর যখন কোনো ক্ষতিকর বস্তুর সংস্পর্শে আসে, তখন এই রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে বিশেষ কিছু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই বস্তুকে প্রতিহত করে বা করার চেষ্টা করে। কিন্তু এই রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা যখন স্বাভাবিকভাবে ক্ষতিকর নয়, এরূপ বস্তুর বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে অস্বাভাবিক বা অতিরিক্ত কোনো রিঅ্যাকশন করে, যা শরীরের জন্য, এমনকি কখনো জীবনের জন্য হুমকি হয়ে ওঠে তখন তাকে অ্যালার্জি বলা হয়। কোনো ব্যক্তি যদি কোনো জিনিসের প্রতি অ্যালার্জিক হন, প্রথমবার সেই বস্তুর সংস্পর্শে এলে শরীরের মধ্যে ইমিউনোগ্লোবিওলিন-ই নামের একটি অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। তখনই কোনো লক্ষণ প্রকাশিত হয় না। এই ইমিউনোগ্লোবিউলিন-ইগুলো শরীরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত মাস্ট কোষের (শ্বসনতন্ত্র, পরিপাকতন্ত্র) গায়ে লেগে থাকে। ওই ব্যক্তি যখন পুনর্বার ওই অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে আসেন, তখন ওই অ্যালার্জেনগুলো অ্যান্টিবডি ইমিউনোগ্লোবিউলিন-ই-এর সঙ্গে মিলে মাস্ট কোষ থেকে বিশেষ কিছু রাসায়নিক দ্রব্য (যেমন হিস্টামিন) রক্তে নিঃসরণ করে, যেগুলো শরীরে অ্যালার্জি তৈরি করে।