1 Answers
আমরা যে খাবার খাই, সেটি যদি ঠিকমতো পরিষ্কার করা না হয়, তখন ডেন্টাল প্লাক হয়। একটি সাদা আবরণ পড়ে দাঁতের ওপরে। এটি আমরা জিহ্বা দিয়ে অনুভব করতে পারি। একটি পিচ্ছিল ধরনের আবরণ। এটি ভালোমতো পরিষ্কার না করার কারণে শক্ত হয়ে যায়। এটি ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে এসে শক্ত হয়। একে বলে ডেন্টাল ক্যালকুলাস। এটি ব্রাশ করার মাধ্যমে পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। সাধারণত ব্রাশ করতে হয় দুবেলা। সকালে ও রাতে। অনেকে একবেলা ব্রাশ করে, আবার অনেকে দুবেলা ব্রাশ করার পরও যদি ব্রাশ করার পদ্ধতি ঠিক না থাকে, সেই ক্ষেত্রে দাঁতগুলো পরিষ্কার হয় না। আস্তে আস্তে দেখা যায়, সেখান থেকেও পাথর জমে। যখন দাঁতের গোড়ায় পাথর জমে, তখন মাড়িকে আস্তে আস্তে নিচের দিকে চাপ দেয়। তখনই দেখা যায়, ব্রাশ করার সময় বা ফল খেতে গেলে সেখান থেকে রক্ত বের হয়। অনেকের দেখা যায়, ব্রাশ করছে না বা কিছু খাচ্ছে না, হয়তো বা বলে দাঁতের গোড়া দিয়ে রক্ত পড়ছে। এ ছাড়া কিছু সিস্টেমিক রোগ, ব্লিডিং ডিসঅর্ডার যদি থাকে, ভিটামিনের ঘাটতি যদি থাকে, সে ক্ষেত্রেও হতে পারে। তবে ৯৯ ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, দাঁতের পাথরের কারণে মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে। একটি সময় দেখা যায় যে এত জটিল অবস্থা হয়ে যায়, যে মাড়ি ফুলে যায়, মাঝেমধ্যে ব্যথা হতে থাকে, প্রথম পর্যায়ে যেহেতু ব্যথা থাকে না, দেখাও যায় না, মাড়ি স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে, একে কেউ গুরুত্ব দেয় না। চিকিৎসকের কাছে যে যেতে হবে, একে কেউ অনুভব করে না। প্রথম অবস্থাতেই যদি আমরা ব্রাশটা দুবেলা করি এবং বছরে দুবার যদি চিকিৎসকের কাছে যাই, অন্তত বছরে একবারও যদি চিকিৎসকের কাছে যাই, দাঁতকে পরিষ্কার করে নিই, তাহলে ভালো। আসলে কিছু কিছু খাবার দাঁতের কোনায় কোনায় লেগে থাকে, যেগুলো ব্রাশ করার মাধ্যমে পরিষ্কার হয় না। তখন প্রফেশনালের সাহায্য নিতে হয়।