1 Answers
১। মহাগর্জনের(বিগ ব্যাং) শুরুতে শক্তির তারতম্যের পরিমাণ যদি ১০^৬০ ভাগের এক ভাগও হত, তবে মহাবিশ্ব হয় চুপসে যেত অথবা এত দ্রুত সম্প্রসারিত হত যে, কোনো নক্ষত্রই সৃষ্টি হত না। (পল ডেভিস, ২০০৬) ২। তড়িৎচৌম্বক বল ও মাধ্যাকর্ষণ বলের অনুপাত ১০^৪০:১ না হয়ে যদি সামান্যতম কম বেশি হত, তা হলে জীবন বিকাশে সহায়ক নক্ষত্র, যেমন - সূর্যের কোনো অস্তিত্ব থাকত না। (পল ডেভিস, ২০০৮) ৩। ইলেকট্রনের চার্জ যদি সামান্যতমও হেরফের হত, তবে আজকের প্রাণ সম্ভব হত না। (স্টিফেন হকিং, ১৯৯৬) জগতের সূত্রবদ্ধ আচরণ, বিভিন্ন ধ্রুবক, মহাবিশ্বের সূচনা দশা, মৌলিক কণিকার ভর, মৌলিক বলগুলোর আপেক্ষিক শক্তি ইত্যাদি এমন অভাবনীয় নিপুণতার সাথে সমন্বিত, যার ফলে মহাবিশ্বের অস্তিত্ব বজায় থাকা ও এতে প্রাণের বিকাশ সম্ভব হতে পারে। একে ফাইন-টিউনিং বলে। উপরোক্ত তিনটি ফাইন-টিউনিং এর মত এখনো পর্যন্ত ১৫০-২০০ টি ফাইন-টিউনিং এর সন্ধান প্রকৃতিতে পাওয়া গেছে। অবাক করা ব্যাপার হল, এমন অভাবনীয় ফাইন -টিউনিং এলোমেলো প্রক্রিয়ায় আপনা-আপনি (by chance) হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ১/১০^২২৯! (লি স্মোলিং,১৯৯৭) শুধু পৃথিবীর ফাইন-টিউনিং হিসেব করলে, পৃথিবীর মত একটি গ্রহ পাওয়ার সম্ভাবনা ৭০০ কুন্টিলিয়নের(৭০০×১০^২০) মাঝে একটি! একটা জোক্স শুনবেন? কেও কেও বলে, এই মহাবিশ্ব নাকি একা একাই, এমনি-এমনি, আপনা-আপনি সৃষ্টি হয়েছে। এর পেছনে কোনো মহাবুদ্ধিমান সত্তার হাত নেই। জোক্সটা মজার না ? (হোমো স্যাপিয়েন্স : রিটেলিং আওয়ার স্টোরি - বই থেকে প্রাপ্ত তথ্য অবলম্বনে)