1 Answers

জাতীয় তৌহিদ জামাত ২০১৬ সালের দিকে অরাজনৈতিক সংগঠন শ্রীলংকান তৌহিদ জামাত (এসএলটিজে) থেকে আলাদা হয়ে নতুন সংগঠন গঠন করে বলে বিশ্বাস করা হয়। জাতীয় তৌহিদ জামাত শিশুদেরকে চরমপন্থায় দীক্ষাদান করার জন্য এবং ২০১৬ সালে শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধ ভিক্ষুদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হবার জন্য দেশটির মুসলিম নেতৃবৃন্দ কর্তৃক নিন্দিত হয়েছিল। ২০১৮ সালে এনটিজে শ্রীলঙ্কায় মুসলিম বিরোধী সহিংসতার সময় অনেক বৌদ্ধ মূর্তি ধ্বংসের সাথে সংযুক্ত ছিল। সংগঠনটি মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রতি সহিংসতা,শ্রীলঙ্কায় মুসলিমবিরোধী সহিংসতা,ভারতে মুসলিমদের প্রতি সহিংসতাসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মুসলমানদের প্রতি ঘটা সহিংসতা ভিত্তি করে তাদের উগ্রপন্থী মতাদর্শ প্রচার করে থাকে। জাতীয় তৌহিদ জামাতের নেতা জাহরান হাশিম নামের এক ব্যক্তিকে ২০১৯ সালে শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলার মূল হোতা বলে সন্দেহ করা হচ্ছে , যিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অমুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য ও ভিডিও প্রচার করতেন। তিনি শাংরি লা হোটেলে আত্মঘাতী হামলার সময় নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা। ২০১৯-এ শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলা সম্পাদনা মূল নিবন্ধ: ২০১৯-এ শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলা ২০১৯ সালে শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলা সংগঠিত হবার দশ দিন আগে দেশটির এক পুলিশ কর্মকর্তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে এনটিজের গির্জায় হামলার সম্ভাবনা সম্পর্কে অবহিত করেছিলেন। তার প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে, এনটিজে বিখ্যাত গির্জা ও কলম্বোর ভারতীয় হাইকমিশন লক্ষ্য করে আত্মঘাতী বোমা হামলার পরিকল্পনা করছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহ মন্তব্য করেছেন যে, সরকারি কর্মকর্তারা এই বিষয়ে কোন প্রতিবেদন পান নি যে, যাতে তারা অধিকতর সতর্কতা গ্রহণ করতে পারেন। সন্ত্রাসী হামলার পর দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজিথা সেনারত্নে ২২ এপ্রিলে সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেন যে, সন্ত্রাসী হামলার সাথে জাতীয় তৌহিদ জামাত যুক্ত এবং সন্ত্রাসীগোষ্ঠীটির সাথে বিদেশি সংগঠনের যোগসূত্র আছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। অপরদিকে, আইএসের হামলাটির দায় স্বীকার করেছে।

8752 views