1 Answers

অ্যান্টিবাযোটিককে কার্যক্ষমতার দিক দিয়ে দুইভাগে ভাগ করা যায়। একটি হচ্ছে ব্যাকটেরি স্টেটই অন্যটি হল ব্যাকটেরি সাইডাল। প্রথমটির আমাদের শরীরের জীবাণুগুলোকে সরাসরি ধ্বংস করে না বরং জীবাণুর চারপাশে একটি আবরণ গড়ে তোলে যাতে সেগুলো বাঁচার মত উপকরণ না পেয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে একসময় অকার্যকর হয়ে পড়ে। এই আন্তিবায়েটিকগুলো আমাদের দেশে এখনও বড় বড় চিকিৎসকরা প্রেস্ক্রক্রাইব করে থাকেন। kotromoxazol ( cottrim) azithromycin( Zemax,Zethrin) এই গুপের ওষুধ। এগুলো আমাদের শরীরের জন্য তেমন ক্ষতিকর নয়। তবে যাদের এই গ্রুপগুলোর সাথে আলাদা স্পর্শকাতরতা বা সংবেদন রয়েছে তারা সাবধান থাকবেন। এবার আসি দ্বিতীয়টির কথায় এই ওষুধগুলো আমাদের দেশে অধিকমাত্রায় ব্যবহার হয় শুধুমাত্র এগুলোর বাণিজ্যিক মুল্যের কারনে। এই আন্তিবায়েটিকগুলো সরাসরি জীবাণুর দেহের গঠন কাঠামোতে আক্রমন করে সেগুলোকে মেরে ফেলে। আমাদের দেশে সেফ্রাডিন, সেফিক্সিম, সেফুরক্সিম, সেফতিয়াক্সন প্রভীতি ওষুধগুলো এই শ্রেণীর। এছাড়া পেনিসিলিন গ্রুপের ওষুধ ও এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। এই শ্রেণীর আন্তিবায়েটিকগুলোর কোর্স ঠিক মত সম্পন্ন না করলে পরবর্তীতে এগুলো শরীরে রেজিস্টান হয়ে যায়, বিশেষ করে বেটাল্যাক্তাম রিং ধারী ব্যাকটিরিয়া অ্যান্টিবাযোটিককে নিষ্ক্রিয় করতে বিটাল্যাকটাম এইজ নামে এক ধরনের তরল নিসরণ করে ফলে ওই অ্যান্টিবাযোটিক একই সমস্যায় আর কাজ করতে চায় না। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আন্তিবায়েটিক কোর্স শেষ করলে সাধারনত সমস্যা হয় না। এই ওষুধগুলো বা যে কোন আন্তিবায়েটিক খেলে বমি বমি ভাব, খাবার ইচ্ছে কমে যাওয়া, মাথা ঘোরানো, গ্যাসটিকের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, অনিদ্রা সহ বিভিন্ন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। প্রচুর পরিমানে পানি পান করলে এই সকল সমস্যা থেকে কিছুটা মুক্ত থাকা যায়।

6970 views Answered

Next steps