2 Answers
পরিপাকের পর খাদ্যসার রক্তরসে দ্রবীভূত হয়ে দেহের বিভিন্ন টিস্যু ও অঙ্গে বাহিত হয়। টিস্যু থেকে যে সব বর্জ্য পদার্থ বের হয় তা রেচনের জন্য বৃক্কে নিয়ে যায়। টিস্যুর অধিকাংশ কার্বন ডাই-অক্সাইড রক্তরসে বাইকার্বনেটরূপে দ্রবীভূত থাকে। খুব কম পরিমাণ অক্সিজেন এতে বাহিত হয়। লোহিত কণিকায় সংবদ্ধ হওয়ার আগে অক্সিজেন প্রথমে রক্তরসেই দ্রবীভূত হয়। রক্তরসের মাধ্যমে হরমোন, এনজাইম, লিপিড প্রভৃতি বিভিন্ন অঙ্গে বাহিত হয়। রক্তরস রক্তের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করে।
১. রক্তের তরলতা রক্ষা করে এবং ভাসমান রক্ত কণিকাসহ অন্যান্য দ্রবীভূত হয়ে পদার্থ দেহের সর্বত্র পরিবাহিত হয়। ২. পরিপাকের পর খাদ্যসার রক্তরসে দ্রবীভুত হয়ে দেহের বিভিন্ন টিস্যু ও অঙ্গে বাহিত হয়। ৩. টিস্যু থেকে যে সব বর্জ্যপদার্থ বের হয় তা রেচনের জন্য বৃক্কে নিয়ে যায়। ৪. টিস্যুর অধিকাংশ কার্বন ডাই অক্সাইড রক্তরসে বাইকার্বনেটরুপে দ্রবীভূত থাকে। ৫. অল্প পরিমাণে অক্সিজেন বাহিত হয়। ৬. লোহিত কণিকায় সংবদ্ধ হওয়ার আগে অক্সিজেন প্রথমে রক্তরসেই দ্রবীভূত হয়। ৭. রক্তরসের মাধ্যমে হরমোন, এনজাইম, লিপিড প্রভৃতি বিভিন্ন অঙ্গে বাহিদ হয়। ৮. রক্তরস রক্তের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করে। ৯. রক্তর জমাট বাঁধার প্রয়োজনীয় উপাদান গুলো পরিবহন করে ১০. যকৃত, পেশি ইত্যাদি অঙ্গে উৎপন্ন তাপ শক্তিকে সমগ্র দেহে পরিবহন করে দেহে তাপের সমতা রক্ষা করে।