3 Answers

সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে হতাশামুক্ত থাকাটা খুব জরুরী। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি আমরা অনেকেই জানিনা কিভাবে নিজেদের হতাশাগুলো (frustration) দূরে রেখে জীবনকে আরও একটু আনন্দের সাথে অতিবাহিত করবো। আবার অনেকেই তাদের হতাশা কাটিয়ে উঠার উপায় খুঁজে খুঁজে  আসুন আপনাদের এই সমস্যার সমাধানে হতাশামুক্ত থাকতে কিছু পরামর্শ দেওয়া যাক। ব্যায়াম করুন (exercise) আপনার শরীর ও মন ফুরফুরে রাখতে ব্যায়ামের বিকল্প হয়না। আর শরীর মন দুটোই যখন ফিট থাকে তখন হতাশা আপনাআপনি আপনার থেকে দূরে সরে যাবে। তাই হতাশা মুক্ত থাকে ব্যায়ামের অভ্যাস করুন। আনন্দ করুন (have fun) জীবন একটাই আর আমরা পৃথিবীতে আসিও একবারই। তাই গোমড়া মুখো হয়ে না থেকে জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলো উপভোগ করুন। হতাশামুক্ত থাকে আনন্দ করার বিকল্প হয় না। সব কিছু ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না (don’t take everything so personally) জীবনে চলার পথে আমাদের চারপাশে নানা ধরণ ও মানসিকতার মানুষ বাস করে। আর তাই যেকোন বিষয়ে মতভেদ ও ভিন্ন হবে, সে কারণেই সবার সব কথা ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না। এতে হতাশা বাড়বে । অন্যদের মতামত মূল্যায়ন করুন (listen to different perspectives) সব সময় নিজের মতামতকে শেষ না ভেবে অন্যদের মতামতের মূল্যায়ন করুন। দেখবেন জীবন যাপন অনেক সহজ হয়ে যাবে আর সাথে আপনি নিজেও হতাশা মুক্ত থাকতে পারবেন। নিজেকে আনন্দিত রাখুন (delight yourself) আপনি যতোটা পারেন নিজেকে আপনার পারিপার্শ্বিক অবস্থার সাথে মানিয়ে নিন। আশেপাশের পরিবেশ, রং, সৌন্দর্য, বৈচিত্র সব কিছুর সাথে নিজেকে মিলেমিশে একাকার করে দিন। তবেই না হতাশা মুক্ত থাকতে পারবেন। যুক্ত থাকুন সবার সাথে (connections) নিজেকে ভুলেও কখনো বিচ্ছিন্ন করে রাখবেন না। আপনি যতো নিজেকে আর সবার থেকে দূরে সরিয়ে রাখবেন হতাশা তত বেশী আপনাকে গ্রাস করবে। সবার সাথে সংযুক্ত থাকুন, হতাশাকে ‘না’ বলুন। যখনই হতাশাবোধ করবেন একটু আলাদা সময় করে নিয়ে বিশ্রাম করুন। নিজেকে বুঝুন নিজেকে নিয়ে ভাবুন। সূত্রঃ ইন্টারনেট।

8570 views

হতাশার কারণ চিহ্নিত করে তা নির্মূলে স্ব-উদ্যোগি হোন। জীবনের লক্ষ ঠিক করুন এবং তা বাস্তবায়নে সকল বাধা অতিক্রম করার মানসিকতা তৈরি করুন। সামান্য কারণেই কোনো ব্যাপারে হাল না ছেড়ে দৃঢ়তার সহিত ধৈর্য্য ধারণ করুন। মনের মধ্যে এই বিশ্বাস রাখুন যে- সফলতা একদিন আসবেই।

8570 views

নিজস্ব জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থেকে বলছি— ১)মানসিক সুস্থ-বিনোদনের ব্যবস্থা করুন। ২)ভালো সঙ্গের সাথে মিশুন। ৩)(বিনোদনের অংশ থেকে আলাদা করে) কবিতা আবৃত্তি কিংবা উপন্যাস পড়তে পারেন। ৪)যা নিজের সাথে সম্পর্কযুক্ত এবং সম্পর্কযুক্ত নয়, ফলাফল যা-ই আসুক, জঘন্য খারাপ হলেও দুঃখ না করে সংযত (নিজে) থাকার চেষ্টা করুন। ৫)ধর্মগ্রন্থ পাঠ করুন। এগুলো অফ কোর্স কাজে দেবে, তবে যার সহন ক্ষমতা দৃষ্টিভঙ্গি ও বিভিন্ন হওয়ার কারণে বিভিন্নভাবে সেটা আসবে।

8570 views

Related Questions