3 Answers
ভাই আমি জানি, আপনাকে সবাই বলবে ৯০% বংশের উপর অথচ আপনি বড় বড় রিসার্চ ইউনিভার্সিটির স্টসডি গুলো দেখুন, ১৯৫০ সালে জাপানে গড় উচ্চতা খুবই কম ছিল এবং পরবর্তীতে জাপান যখন আর্থিক সমৃদ্বি লাভ করলো তখন মানুষের হাইট বাড়তে থাকলো কারণ হাইট ও পুষ্টির গভীর সম্পর্ক আছে তাছাড়া মানসিক চাপ গ্রোথ হরমোন কমাতে দায়ী তাছাড়া অনেকের বাবা মা খাটো তবে সন্তান লম্বা হয় কারণ কেবল জেনেটিক না এর বাইরে অনেক কিছু থাকে। বিশ্বাস না হলে গুগলে দেখুন হাইট কি আসলেই জেনেটিক? না পরিবেশও প্রভাব ফেলে কারণ ১৫০০ শতাব্দিতে আমেরিকায় মানুষ ছিল খাটো এভাবে শত শত বছর ছিল তবে এখন আমেরিকায় মানুষ ৬-৭ ফুট কিন্তু কেন? কারণ হাইট নির্ধারন কখনোই জেনটিক্স একা করতে পারে না।
এমন কিছু অসাধারণ খাবারের নাম, খাদ্য তালিকায় যারা স্থান পেলে বাড়বে দেহের উচ্চতা। ১. আপেল : আপেলে থাকা ফাইবার এবং পানি বাচ্চাদের লম্বা হতে সাহায্য করে থাকে। তাই প্রতিদিন খাবারের আধা ঘন্টা আগে একটি করে আপেল খেতে দিন এতে করে ফাইবারটি লম্বা হতে সাহায্য করে থাকবে। ২. আভাকাডো : দুপুরে খাবার সময়ে অর্ধেকটা আভাকাডো দেহে বিভিন্ন পুষ্টি সরবরাহ করে থাকে। এত করে লম্বা হতে সহায়তা করে থাকে। ৩. স্যুপ : স্যুপ স্বাস্থ্য উপযোগী একটি খাবার। এতে ক্যালরি রয়েছে যা ক্ষুধা বাড়িয়ে দেয়। ফলে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের ফলে কোষ বৃদ্ধি করে লম্বা করে তোলে। ৪. মটরশুটি, ছোলা, মসূর : এই ধরনের খাবারগুলোতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ভিটামিন বি এবং আয়রন রয়েছে যেগুলো শরীরের কোষ বুদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। ফলে লম্বা হতেও সাহায্য করে থাকে। ৫. ডার্ক চকোলেট : বাচ্চাদের এমনিতে চকোলেট খেতে দেয়া হয় না। কিন্তু এই ডার্ক চকোলেটও বাচ্চাদের লম্বা করতে সহায়তা করে। এতে থাকা ক্যালরি কোষ বদ্ধি করে ফলে বাচ্চারা লম্বা হয়ে ওঠে। ৬. ডিম : ডিম একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। এতে প্রোটিন এবং ভিটামিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। এর ফলে শরীরের বৃদ্ধি হয়ে থাকে এবং লম্বা হয়। ৭. বাদাম : বাদাম বা কাজুবাদামও স্বাস্থ্য উপযোগী একটি খাবার। এটিতে থাকা বিভিন্ন প্রোটিন, ভিটামিন দেহের বিভিন্ন পুষ্টি যোগায়, এবং লম্বা হতেও সহায়তা করে থাকে। আর আপনি লম্বা হতে চিত্রসহ ব্যায়াম এখানে দেখুন- http://www.healthbarta.com/2015/02/11/3786/
এমন কিছু অসাধারণ খাবারের নাম, খাদ্য তালিকায় যারা স্থান পেলে বাড়বে দেহের উচ্চতা। ১. আপেল : আপেলে থাকা ফাইবার এবং পানি বাচ্চাদের লম্বা হতে সাহায্য করে থাকে। তাই প্রতিদিন খাবারের আধা ঘন্টা আগে একটি করে আপেল খেতে দিন এতে করে ফাইবারটি লম্বা হতে সাহায্য করে থাকবে। ২. আভাকাডো : দুপুরে খাবার সময়ে অর্ধেকটা আভাকাডো দেহে বিভিন্ন পুষ্টি সরবরাহ করে থাকে। এত করে লম্বা হতে সহায়তা করে থাকে। ৩. স্যুপ : স্যুপ স্বাস্থ্য উপযোগী একটি খাবার। এতে ক্যালরি রয়েছে যা ক্ষুধা বাড়িয়ে দেয়। ফলে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের ফলে কোষ বৃদ্ধি করে লম্বা করে তোলে। ৪. মটরশুটি, ছোলা, মসূর : এই ধরনের খাবারগুলোতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ভিটামিন বি এবং আয়রন রয়েছে যেগুলো শরীরের কোষ বুদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। ফলে লম্বা হতেও সাহায্য করে থাকে। ৫. ডার্ক চকোলেট : বাচ্চাদের এমনিতে চকোলেট খেতে দেয়া হয় না। কিন্তু এই ডার্ক চকোলেটও বাচ্চাদের লম্বা করতে সহায়তা করে। এতে থাকা ক্যালরি কোষ বদ্ধি করে ফলে বাচ্চারা লম্বা হয়ে ওঠে। ৬. ডিম : ডিম একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। এতে প্রোটিন এবং ভিটামিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। এর ফলে শরীরের বৃদ্ধি হয়ে থাকে এবং লম্বা হয়। ৭. বাদাম : বাদাম বা কাজুবাদামও স্বাস্থ্য উপযোগী একটি খাবার। এটিতে থাকা বিভিন্ন প্রোটিন, ভিটামিন দেহের বিভিন্ন পুষ্টি যোগায়, এবং লম্বা হতেও সহায়তা করে থাকে। আর আপনি লম্বা হতে চিত্রসহ ব্যায়াম এখানে দেখুন- http://www.healthbarta.com/2015/02/11/3786/