2 Answers
মন থেকে সকল ভয় দূর করার চেষ্টা করুন কোনো বিষয় নিয়ে ভয় পেলে এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হলে দুঃস্বপ্ন বেশি দেখা হয়। তাই যে বিষয়টি নিয়ে ভয় পাচ্ছেন তা মন থেকে দূর করার চেষ্টা করতে থাকুন। নিজে নিজে দূর করতে না পারলে পরিবার বা বন্ধুবান্ধবের সহায়তায় এই ভয় দূর করার চেষ্টা করুন। দেখবেন দুঃস্বপ্ন দেখা কমে যাবে। দুঃস্বপ্ন দেখার বিষয়টিকে অন্যরকম দৃষ্টিতে দেখার চেষ্টা করুন দুঃস্বপ্ন নিয়ে বেশি ভাবা এবং বেশি দুঃস্বপ্ন দেখার কারণে নার্ভাস ব্রেকডাউন হতে পারে। তাই সমস্যা ছোটো থাকতেই তা সমাধান করার ব্যবস্থা নিন। দুঃস্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙে গেলে কি দেখেছেন তা লিখে ফেলুন খাতায়। এবং তা মজার দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার চেষ্টা করুন। এতে করে দুঃস্বপ্ন সম্পর্কে ভয়ের ধারণা পাল্টে যাবে আপনার মধ্যে। ঘুমের সময় নির্দিষ্ট রাখুন প্রতিদিন একই সময় ঘুমুতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস করুন। কারণ ঘুম কম হলে কিংবা ঘুমের সময়ের হেরফের হলেও মানুষ দুঃস্বপ্ন দেখে থাকেন। ঘুমের একটি নির্দিষ্ট সময়ই দুঃস্বপ্ন দেখা থেকে মুক্তি দিতে পারে। রাতের বেলা ভয়ের কিছু দেখা থেকে বিরত থাকুন অনেকেরই রাতের বেলা জেগে মুভি বা নাটক দেখার অভ্যাস রয়েছে। এই জিনিসটি মানুষের স্বপ্নের ওপর সবচাইতে বেশি প্রভাব ফেলে থাকে। নাটক বা মুভি দেখার অভ্যাস বদলাতে না পারলে ভয়ের কোনো কিছু দেখার অভ্যাসটি পাল্টে ফেলুন। হাসি বা রোম্যান্টিক কোনো নাটক বা মুভি দেখুন রাতের বেলা। ঘুমের অবস্থান বিষয়ে নজর দিন উল্টোপাল্টা হয়ে ঘুমালে কিংবা বিছানা বাদে অন্য কোথাও ঘুমালে দুঃস্বপ্ন বেশি দেখা হয়। তাই এই ব্যাপারে নজর দিন। আরামদায়ক বিছানা ব্যবহার করুন ঘুমানোর জন্য। সঠিক ভাবে বাম দিকে কাত হয়ে ঘুমানোর অভ্যাস করুন। কারণ মাথা, ঘাড় ও হাত পায়ের অবস্থান উল্টোপাল্টা হলে অনেকে দুঃস্বপ্ন দেখে থাকেন।
দুঃস্বপ্ন দেখা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় : মন থেকে সকল ভয় দূর করার চেষ্টা করুন কোনো বিষয় নিয়ে ভয় পেলে এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হলে দুঃস্বপ্ন বেশি দেখা হয়। তাই যে বিষয়টি নিয়ে ভয় পাচ্ছেন তা মন থেকে দূর করার চেষ্টা করতে থাকুন। নিজে নিজে দূর করতে না পারলে পরিবার বা বন্ধুবান্ধবের সহায়তায় এই ভয় দূর করার চেষ্টা করুন। দেখবেন দুঃস্বপ্ন দেখা কমে যাবে। দুঃস্বপ্ন দেখার বিষয়টিকে অন্যরকম দৃষ্টিতে দেখার চেষ্টা করুন দুঃস্বপ্ন নিয়ে বেশি ভাবা এবং বেশি দুঃস্বপ্ন দেখার কারণে নার্ভাস ব্রেকডাউন হতে পারে। তাই সমস্যা ছোটো থাকতেই তা সমাধান করার ব্যবস্থা নিন। দুঃস্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙে গেলে কি দেখেছেন তা লিখে ফেলুন খাতায়। এবং তা মজার দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার চেষ্টা করুন। এতে করে দুঃস্বপ্ন সম্পর্কে ভয়ের ধারণা পাল্টে যাবে আপনার মধ্যে। ঘুমের সময় নির্দিষ্ট রাখুন প্রতিদিন একই সময় ঘুমুতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস করুন। কারণ ঘুম কম হলে কিংবা ঘুমের সময়ের হেরফের হলেও মানুষ দুঃস্বপ্ন দেখে থাকেন। ঘুমের একটি নির্দিষ্ট সময়ই দুঃস্বপ্ন দেখা থেকে মুক্তি দিতে পারে। রাতের বেলা ভয়ের কিছু দেখা থেকে বিরত থাকুন অনেকেরই রাতের বেলা জেগে মুভি বা নাটক দেখার অভ্যাস রয়েছে। এই জিনিসটি মানুষের স্বপ্নের ওপর সবচাইতে বেশি প্রভাব ফেলে থাকে। নাটক বা মুভি দেখার অভ্যাস বদলাতে না পারলে ভয়ের কোনো কিছু দেখার অভ্যাসটি পাল্টে ফেলুন। হাসি বা রোম্যান্টিক কোনো নাটক বা মুভি দেখুন রাতের বেলা। ঘুমের অবস্থান বিষয়ে নজর দিন উল্টোপাল্টা হয়ে ঘুমালে কিংবা বিছানা বাদে অন্য কোথাও ঘুমালে দুঃস্বপ্ন বেশি দেখা হয়। তাই এই ব্যাপারে নজর দিন। আরামদায়ক বিছানা ব্যবহার করুন ঘুমানোর জন্য। সঠিক ভাবে বাম দিকে কাত হয়ে ঘুমানোর অভ্যাস করুন। কারণ মাথা, ঘাড় ও হাত পায়ের অবস্থান উল্টোপাল্টা হলে অনেকে দুঃস্বপ্ন দেখে থাকেন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy