2 Answers

জৈনক অসুস্থ ব্যক্তি রামাযানে সাওম কাযা করেছে। কিন্তু পরবর্তী মাস শুরু হওয়ার চারদিনের মাথায় তার মৃত্যু হয়। তার পক্ষ থেকে কি কাযা সাওমগুলো আদায় করতে হবে? উত্তর: তার এ অসুখ যদি চলতেই থাকে সুস্থ না হয় এবং শেষ পর্যন্ত মারা যায়, তবে তার পক্ষ থেকে কাযা আদায় করতে হবেনা। কেননা আল্লাহ বলেন,   ﴿وَمَن كَانَ مَرِيضًا أَوۡ عَلَىٰ سَفَرٖ فَعِدَّةٞ مِّنۡ أَيَّامٍ أُخَرَۗ﴾ [البقرة: ١٨٥]  “আর যে লোক অসুস্থ অথবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে, সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করে নিবে।” [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ১৮৫] অতএব, অসুস্থ ব্যক্তির ওপর ওয়াজিব হচ্ছে, সুস্থ হলেই কাযা সাওমগুলো দ্রুত আদায় করে নেওয়া। কিন্তু সাওম রাখতে সমর্থ হওয়ার পূর্বেই যদি মৃত্যুবরণ করে, তবে সাওমের আবশ্যকতা রহিত হয়ে যাবে। কেননা সে তো এমন কোনো সময় পায়নি যাতে সে সাওমগুলো কাযা আদায় করতে পারে। যেমন একজন লোক রামাযান আসার পূর্বেই শাবানে মারা গেল। অতএব, রামাযানের সাওম রাখা তার জন্য আবশ্যক নয়। কিন্তু অসুস্থতা যদি এমন হয় যা সুস্থ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই, তবে তার পক্ষ থেকে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকীনকে খাদ্য দান করবে।

8876 views

জৈনক অসুস্থ ব্যক্তি রামাযানে সাওম কাযা করেছে। কিন্তু পরবর্তী মাস শুরু হওয়ার চারদিনের মাথায় তার মৃত্যু হয়। তার পক্ষ থেকে কি কাযা সাওমগুলো আদায় করতে হবে? উত্তর: তার এ অসুখ যদি চলতেই থাকে সুস্থ না হয় এবং শেষ পর্যন্ত মারা যায়, তবে তার পক্ষ থেকে কাযা আদায় করতে হবেনা। কেননা আল্লাহ বলেন,   ﴿وَمَن كَانَ مَرِيضًا أَوۡ عَلَىٰ سَفَرٖ فَعِدَّةٞ مِّنۡ أَيَّامٍ أُخَرَۗ﴾ [البقرة: ١٨٥]  “আর যে লোক অসুস্থ অথবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে, সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করে নিবে।” [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ১৮৫] অতএব, অসুস্থ ব্যক্তির ওপর ওয়াজিব হচ্ছে, সুস্থ হলেই কাযা সাওমগুলো দ্রুত আদায় করে নেওয়া। কিন্তু সাওম রাখতে সমর্থ হওয়ার পূর্বেই যদি মৃত্যুবরণ করে, তবে সাওমের আবশ্যকতা রহিত হয়ে যাবে। কেননা সে তো এমন কোনো সময় পায়নি যাতে সে সাওমগুলো কাযা আদায় করতে পারে। যেমন একজন লোক রামাযান আসার পূর্বেই শাবানে মারা গেল। অতএব, রামাযানের সাওম রাখা তার জন্য আবশ্যক নয়। কিন্তু অসুস্থতা যদি এমন হয় যা সুস্থ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই, তবে তার পক্ষ থেকে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকীনকে খাদ্য দান করবে। 

8876 views

Related Questions